বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এসময় দুলাল বললো ‘আপা আমরা দুই জন নিচে ঘুমাই, কারণ আমাদের ঘরে একটা লাশ আছে। লাশটা খাটের নিচেই আছে। কালকে এটা কাটতে হবে, আপনি আবার ভয় পাবেন না। একদিন আমাদের সবারই মরে যেতে হবে। তাই লাশকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই’
এই বলে তারা স্বামী-স্ত্রী ওই লাশের পাশেই মাটিতে মাদুর পেতে ঘুমিয়ে পরলো। তাদের কাছে এমন মনে হয় যেন লাশটি কোন মানুষের নয়। ওটা কোন একটা মৃত মুরগির দেহ। তাদের কাছে লাশটা মুরগি মনে হলেও আমার দাদির কাছে কিন্তু মুরগি নয়। লাশের থেকেও বড় কোন ভয়ঙ্কর কিছু মনে হলো।
ওই সময়টার কথা বলতে গিয়ে দাদি বলেন, ‘তখন যেন মনে হচ্ছিল আমি অর্ধেক মরে গেছি। যখনই বালিশে মাথা রাখি তখনই মনে হয় আমি যেন লাশের বুকের ওপরে মাথা রাখছি। ইচ্ছে হচ্ছিল পাখির মতো উড়ে নিজের বাড়ি চলে যাই। সেদিন পুরো রাত আমি কীভাবে কাটিয়েছি তা আমার মনে নেই। সেদিন বেঁচে ছিলাম, নাকি মরে গিয়ে আবার ভোর রাতে বেঁচে উঠেছিলাম তাও জানি না। ’
দাদির কাছে বাস্তব গল্প শুনে ডোম দুলালের দুঃসাহস কত তা এবার নিজে দেখার ইচ্ছে হলো। আমাদের জেলায় ডোম দুলালকে এক নামেই সবাই চিনে। তিনি যে কতটা সাহসী তা কম বেশি সবারই জানা। দাদির কাছে ওই ঘটনা শুনে চিন্তা করলাম এবার আমি নিজেই যাবো তার কাছে। সরাসরি শুনবো তার কাছ থেকে অদ্ভুত সব বাস্তব গল্প।
খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, তিনি জেলার চরকলোনিতে এখন আর থাকেন না। এখন তিনি থাকেন ঢলুয়া পোটকাখালীতে সরকারিভাবে দেয়া লাশ কাটার ঘরেই। একদিন দুপুরে ছুটে গেলাম জেলার প্রধান ময়নাতদন্ত ঘরে (লাশ কাটার ঘর)। ওখানে গিয়ে দেখলাম অদ্ভুত এক কাণ্ড।
প্রধান সড়ক থেকে বাগানের মাঝ দিয়ে ভাঙা জোড়া ইটের সড়ক পাড় হয়েই ওই লাশ কাটার ঘর।
বাড়িটি দুই রুম বিশিষ্ট, দুটি রুমেই লাশ কাটা ঘরের আদলে তৈরি। মানে লাশ কাটার জন্য দুই রুমেই একটি করে সিমেন্ট ও টাইলস দিয়ে তৈরি দুটি করে খাট। যার ওপরে লাশ রেখে কাটাকুটি চলে মানে ময়নাতদন্ত করা হয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now