বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ধুর,
মায়ার জন্য অপেক্ষা করতে করতে বোরিং ফিল করছি। 5মিনিটের জায়গায় দেড়ঘন্টা হয়ে গেল।
ওহ্, বলাই তো হয়নি,
আমি তমা। ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ছি। মায়া আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। ওর বয়ফ্রেন্ড এর সাথে দেখা করার জন্য পার্কে এসেছে। সাথে আমাকেও নিয়ে এসেছে সেফটির জন্য। যদি ওর বাড়ির লোকজন দেখে নেয় তবে আমার অজুহাতে হয়তো সামলাতে পারবে। কিন্তু এদিকে আমার প্রচন্ড রাগ হচ্ছে। কি আর করার, বান্ধবীদের জন্য কত কিছুই না করতে হয়। পার্কের এদিকে ওদিকে তাকাচ্ছি আর আইসক্রিম খাচ্ছি। তখনি চোখ পড়লো একটি ছেলের দিকে। খুবই সুন্দর ছেলেটি।একটি পারফেক্ট ছেলের যা থাকার দরকার সবই আছে। মায়াবী চোখ, আকর্ষনীয় নাক, চুলের সেইফ, ঠোঁট সব মিলিয়ে অসাধারণ লাগছে। হাইট ছয় ফুটের বেশী, শরীর টা স্বাভাবিক এর থেকে একটু মোটা।যা আমার কাছে আরও আকর্ষনীয় করে তুলেছে। গোলাপী শার্ট আর কালো প্যান্ট এ অসাধারণ লাগছে।
এগুলো ভাবতে ভাবতে খেয়াল করলাম যে, ছেলেটি আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে।
এমনি তে মায়ার ওপর একটা চাপা রাগ করছিলো, তার ওপর ছেলেটির এরকম ব্যবহার যেন কাঁটার মতো লাগছে।
ছেলেটির দিকে তাকিয়ে হাসার কারন জিজ্ঞেস করতে না করতে এবার খুব জোরেই হেসে ফেললো। হাসার শব্দ শুনে পার্কের সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে দেখে আমি ছেলেটির দিকে কটমট করে তাকালাম। এবার বাঁধভাঙা হাসিতে ভেঙ্গে পড়লো। এবার একটু অপমানিত বোধ করে ছেলেটির কাছে গিয়ে হাসার কারন জিজ্ঞেস করতে ছেলেটি কোনোরকমের হাসি থামিয়ে আমার মুখের দিকে ইঙ্গিত করতে লাগলো। সাথে সাথে আমি আমার পার্সব্যাগ থেকে মেকাপবক্সের আয়না বের করি ।এটা সবারই জানা আছে যে মেয়েরা আর কিছু সাথে রাখুক বা না রাখুক, মেকাপবক্স তো রাখবেই।আমিও এর ব্যাতিক্রম নই।তো মুখের কাছে আনতেই দেখি আমার পুরো মুখ বাচ্চাদের মতো আইসক্রিমে মেখে গেছে। প্রচন্ড লজ্জা লাগছিলো। সাথে সাথে ব্যাগে টিস্যু পেপার খুঁজেও পেলাম তখনই ছেলেটি একটি টিস্যু অফার করে। উপায়ান্তর না দেখে টিস্যু পেপারটা নিয়ে একরকম দৌড়ে চলে আসলাম লজ্জায়। প্রচন্ড রাগ হচ্ছিল মায়ার ওপর। ওখান থেকে বের হয়ে মায়াকে একটা ফোন করি।মাথাই কাজ করছিলো না।
এই যা,ছেলেটিকে তো ধন্যবাদ ই দেওয়া বা sorry বলা হয় নি। খুব খারাপ লাগছিল আর ভেতরে ভেতরে অপরাধ বোধ কাজ করছিলো।
পাঁচ মিনিট পর মায়া আর ওর be আসলো। ইচ্ছে করছিল মায়াকে........... দেই।
একি,
মায়া,ওর বিএফ আর সেই ছেলেটি একসাথে আসছে আর আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে।
মনে হয় আইসক্রিম এর ব্যাপার টা নিয়েই হাসছে।
ভগবান,
কোন কুক্ষনে যে এই অপয়াটার সাথে আসতে রাজি হলাম,...............
আর এক মিনিট ও না,
সাথে সাথে চলে আসলাম হোস্টেলে।
মাত্র আট দিন হলো হোস্টেলে উঠেছি।
এরমধ্যে অপয়াটার বিএফ ও জুটে গেছে।হারামী বজ্জাত মেয়ে একটা।
সন্ধ্যার পর মায়া অনেক সপিংব্যাগ নিয়ে রুমে ঢুকলো। আজ ওর বিএফ কে মুরগী বানিয়ে এগুলো নিয়ে এসেছে।
-দেখ কি দিয়েছে,,একেবারে 12000টাকার সপিং করে দিয়েছে। তুই ও একটা এরকম বিএফ খুঁজে নে।
-তোর মত আমাকে ভাবছিস কেন?? আমি লোভী নই। আমি যাকে ভালোবাসবো, তাকে মন থেকে ভালোবাসবো। এরকম কিছু পাওয়ার আশায় ভালোবাসবো। যাকে কেন্দ্র করে সবকিছু হবে আমার।
-তাহলে আবীরের সাথে কর।
-আবীর??? এই আবীরটা আবার কে???
-ঐ যে পার্কে আমাদের সাথে যে ছেলেটি ছিলো, ওর নাম আবীর। খুবই ভালো ছেলে। তুই তো চলে আসলি।
-ভালো না ছাই। আমার দিকে তাকিয়ে যেভাবে হাসছিল,,,,,,,, ,,,,,,,
-কিহ্,,,,,,,কখন,,,কেন,,,,,কোথায়,,,, কিভাবে ???
-ইস্ এমন ভাব করছে যেন কিছুই জানে না।
-কি বলছিস, কিছুই বুঝতে পারছি না। খুলে বল।
-বাদ দে কাল কলেজ আছে। পড়তে বস।
পরের দিন কলেজে ঢুকতেই দেখি সেই ছেলেটি, কি যেন নাম,
ও হ্যাঁ আবীর। যাক কালকে thanks বা sorry বলা হয়নি। আজকে বলবো।
পিছন থেকে ডাক দিলাম
- এই যে শুনছেন???
- কে আমি???
- হ্যাঁ আপনি।
-বলুন।
-আসলে কাল,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, (চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now