বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
♥হৃদয়ের মাঝখানে♥
.
পার্ট-০৯
.
আদি :আচ্ছা, ব্রো,,,
আরে সামনে তাকা ওরা কারা,, [চোখ থেকে চানগ্লাসটা খুলে ] অন্তর তো অবাক
.
অন্তর :মামা আমি কি ভুল দেখছি, নাকি সত্যি,,,
মনে হয় সবকিছু ভুল,,
আদি :হুম, বুঝলাম তোর না হয় ভুল হচ্ছে,,, কিন্তু আমার আমি ও তো দেখছি তুই যা দেখতেছোছ,,,
অন্তর :তার মানে আমি ঠিকই দেখতেছি,,,
আদি :হুম, (অন্তরের কাদে হাত দিয়ে)
.
অন্তর :কেউ বলবেই না যে কাল ওনার কিছু হয়েছে,,,
কি হাসাহাসি করে কথা বলছে দেখ,,,
মনটা চাইতেছে গিয়ে,,,,
আদি :কিছু করতে হবে না,,,
ভাবি কি তোর মতো নাকি নাকে তৈল দিয়ে বসে বসে কাদবে,,,
দেখ সবাই বসে বসে আড্ডা মারছে,,, আর ডাবের পানি খাচ্ছে।
.
আরে ব্রো,,,
ওই ছেলে গুলা কে,,,,
অন্তর :হে তো কে ওই ছেলে গুলা,,
ওমা একজন আরেকজনকে জরিয়ে ধরছে,,,,
কোথাকার কোন অজানা অচেনা ছেলে গুলাকে জরাই ধরছে ,একটা দিন শুধু আমাকে পারলো না ,আমি তো এবার পুরো কেদেই দিবো
আর না আমি আর সহ্য করতে পারছি না,,, ছেলেগুলাকে তো দেখ গায়ে হাত দিয়ে কথা বলতেছে,,,,
.
আদি ও অন্তর দুজনে দৌড়ে উপমা, নিঝুম, নিলা ও ওই ছেলেগুলার কাছে আসলো,,
.
উপমা :আরে বল্টু আর শয়তান কয়দিন পর তোদের সাথে দেখা,, প্রায় দু বছর পর,,,
রাফিন :তুই এখনো নামটা চেঞ্জ করলি না আমার,,,,
আগে যেমন ছিলি এখনো তেমনি,,,
উপমা :শুন, তোরে আমি আজিবন বল্টু বলেই ডাকবো,,,, একবার যখন নামটা দিছি তখন No চেঞ্জ,,
নিঝুম :হাহাহা,,,
একদম ঠিক বলছচ দোস্ত ওর নাম আর চেন্জ করিস না,,, এটাই থাক।
রাতুল :ওই ওর টা না হয় না পালটা কিন্তু আমার টা তো পালটাবি,,, প্লিজ,,,
উপমা :তুই কলেজে সবসময় একটু বেশী ফাইজলামি করতি এবং শয়তানি আর এখনো মাঝে মাঝে ফোনে কথা বললে করছ,,, তাই তুই শয়তান ই থাক।
এই শুন বলে দিচ্ছি আমি কারো নাম পাল্টাতে পারবো না,
নিলা :হুম, উপা, আমিও তোর সাথে একমত ওদের নাম পালটাবি না।
নিঝুম :মি টু,,,
.
রাফিন :ওকে, উপা আমি তোমার একটা সুন্দর নাম রাখছি,,, আজকে থেকে তোকে শাকচুন্নী ডাকবো কি বল রাতুল,,,
রাতুল :একদম সেই হইছে ভাই,,,
ওর নাম ই কি কেবল রাখবি ওই পাজি দুইটার,,,
রাফিন :হুহ, নিলু তোর নাম হইলো গিয়া ওমমম…..
তুই তুই হইলি গিয়া একটা শেওরাগাছের পেত্নী,,,,
আর নিঝুম,,, একটা পেকাটি রাক্ষসি,,,
রাতুল :হাহাহাহাহা ……
দোস্ত,,,, তুই না,,,,
.
উপমা :তবে রে তোকে দাড়া বল্টু,,,,
রাফিন :এই এই একদম আমাকে মারতে আসবি,, না কলেজে তোর মাইর গুলা এখনো আমার গায়ে লেগে আছে,,
.
উপমা রাফিনকে দৌড়ে ধরতে গিয়ে ধপাস….
করে পরতে গেলে আদি ধরে পেললো,,,
আদি উপমাকে একহাত দিয়ে ধরে রাখলো,,,
একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছে এক নজরে,,,
উপমা কিছুক্ষণ পর হুশে পিরে আসলে মনে মনে বলে,,,
উপমা :আরে এই লুইচ্ছা দেখি এখানে আরে আমাকে ধরে ও রাখছে,,,
ওই ছাড়েন ছাড়েন বলছি,,,
আদি :ও হে,,,
উপমাকে ছেড়ে দিলো,,,
অন্তর নিঝুমার দিকে অসহায়ের মতো তাকিয়ে আছে, চোছে চোখ রেখে কিছু বলতে চাইছে,,,
নিঝুম চোখ অন্য দিকে পিরিয়ে নেয়,,,
.
অন্তর :সরি নিঝুম, (নিঝুমার কাছে এসে হাত ধরে)
নিঝুম :ডোন্ট টাস্ মি,,,
হাতটা ঝারা দিয়ে পেলাম দিয়ে,,,
উপমা কিছু বলতে গেলে আদি আটকায়,,,
নিঝুম :আমার সাথে একদম কথা বলবেন না এবং আমাকে ধরার চেষ্টা ও করবেন না,,,
আমি তো খারাপ মেয়ে একশ ছেলের সাথে রাত কাটাই,,, চলি পিরি তো এই খারাপ মেয়ের কাছে কি,,,,
রাতুল :নিঝু কি বলছিস তুই,,,
তুই খারাপ কে বললো এইসব,,,
তোর মতো মেয়ে পাওয়া কারো ভাগ্যের ব্যাপার,,,
নিলা :নিঝুম তুই জিজুর সাথে এমন ভাবে কথা বলছিস কেনো,,,,
নিঝুম :তো কেমন ভাবে বলবো হু কেমন ভাবে, আমি তী খারাপ ওনি নিজের মুখে বললো,,,
অন্তর নিস্পাপ বাচ্চাদের মতো নিঝুমের কথা গুলো শুনছে,,,
নিঝুম :ইউ লিচেন,,,
আমার কাছে আসবেন না,,, আর বিয়েটা ভেঙে দিয়েন, বিয়েটা প্রয়োজন মনে করি না, দোয়া রইলো আপনার ভাগ্যে একটা ভালো মেয়ে জুটুক,,,
.
বলেই নিঝুম দৌড়ে ভাংলোতে চলে গেল,,,
পিছনে পিছনে তার বন্ধুরাও,,
উপমা :কিছু মনে করবেন না ভাইয়া,,,
আপনার কথায় ও অনেক আঘাত পেয়েছে মেয়েটা,,, আর আপনি যেভাবে সবার সামনে বললেন যে কাউ ই কষ্ট পেতো শুনলে,,,
আর নিঝুমকে এখানে আনছি ওর মনটা ভালো করার জন্য,,,
আমি চেষ্টা করবো আপনাকে নিঝুমের সাথে মিল করিয়ে দেওয়ার, ওকে বুঝাতে জানেন নিঝুম না আপনাকে পাগলার মতো ভালোবাসে,,, ওর ভালোবাসা কখনো হারাবেন না,,,, আমি বুঝি ভালোবাসা হারানোর কষ্ট,,,
আদি আপনাকে যা বলাছি তা মনে আছে তো,,,
আদি :হুহু,,,
উপমা :কালকে রাতে ঠিক সময় ভাইয়াকে নিয়ে ওখানে পৌঁছে যাবেন,,,
আর ভাইয়া যা বলছি একটু ভাববেন,,, আপনি তো আমাদের কথা না শুনে ওই লোকটার কথা শুনে নিলেন,,,
চলি……
.
উপমা চলে গেল,,,
অন্তরের নিঝুমের কথা গুলো শুনে চোখে পানি এসে টগবগ করছে,, মন চাচ্ছে জোরে চিৎকার করে কান্না করে,,,
আদি :এইবার বুঝ ভাবির কেমন লেগেছে,,,
আর ভাবি সত্যি অনেক ভালো,,,
ওনাকে হারবি না,,, আমি ওনাকে তোর করে দিবোই.,,, বন্ধ হিসেবে বলে দিচ্ছি।
চল বাসায়।
.
সবাই যে যার মতো চলা গেল,,,
রাতে নিঝুমের কাছে উপমা …….
.
উপমা :আসতে পারি,,,
দরজা সামনে দাড়িয়ে নক করে।
নিঝুম :বলার কি আছে আয়,,,
উপমা :আর কতো কান্না করবি,,,
কান্না করতে করতে চোখ লাল হয়ে গেছে (দু গালে হাত দিয়ে)
নিঝুম :আমি কীভাবে ওকে কথা গুলো বলেছি, কীভাবে কতোটা কষ্ট পেয়েছে ও জানিস,,
উপমা :হুহ জানি,,
বুঝিনা ভালোবাসা কেনো এতো কষ্টের হয়!
কিছু একটা না একটা নিয়ে ভুল বুঝা বুঝি হয়ই,,, এটাই কি ভালোবাসার নিয়ম,,,
আর যাই হোক তোকে অন্তর ভাইয়া খুব ভালোবাসে তা দেখেছি আমি,,,
তুই কথাগুলো বলে চলে যাওয়ার পর,,,
ওনার চোখে পানি টলমল করছিল কিন্তু আমাদের সামনে পেলেনি চোখের পানি ,,
হয়তো এখন গিয়ে দেখ কতো কান্না করছে,,,
একটা কথা বলি ভাইয়া ওই দিন রাগের চোটে কথাগুলো বলে পেলছে ওই গুলো ভুলে যা,
ভুলে গিয়ে নিজের করে নে ভাইয়াকে, ভালোবাসার মানুষকে কাছে পেয়েও হারাস না।
ভালোবাসা পাওয়াটা খুবই কঠিন জানিস তো।
বল তুই অন্তর ভাইয়াকে ভালোবাসিস?
.
নিঝুম :নিজের জিবনের থেকেও বেশি বাসি,,,,
এই কয়টা দিনে খুব ভালোবেসে পেলছি,,,
আচ্ছা, আমি ও তো জেদ করে বলে পেলছি,,, বিয়ে টা ভেঙে দিতে ও কি সত্যি ভেঙে দিবে।
উপমা :বিয়ে ভাঙবে এটা মুখের কথা নাকি।
ভাইয়া ওতো সহজে ভাঙবে না,,, বিয়ে যদি ভাঙতো তাহলে কালকেই ভেঙে দিতো,,,
নিঝুম :ঠিকই তো।
কিন্তু এখন কি করবো আমি,,,
.
উপমা :সেটা পরে দেখা যাবে,,, এখন নে খেয়ে নে, কতো রাত হয়েছে,, ঘুমাতে হবে তো,,,
নিঝুম :খাবার আমার গলা দিয়ে নামবে না,,,
আমি খেতে পারবো না।
উপমা :হা করতে বলছি হা কর,,,
না হলে একটা কিল মারবো,,,
নিঝুম :তুই মার আর যাই কর আমি খাবো না,,,
উপমা :তুই খাবি তোর চোদ্দ গোষ্ঠী খাবে,,,
এই দুইটা দিনে কেমন শুকাই গেছোছ,,
.
উপমা জোর করে নিঝুম কে খাইয়ে,,, নিজের রুমে চলে গেল।
কাল সারা দিন ঘুরা ঘুরি আড্ডা দেওয়া, এইনিয়ে গেল।
রাতে,,
উপমা :এই নিঝুম এই ড্রেস টা ধর আর রেডি হয়ে আয় আমার কাছে,,,
নিঝুম :কেনো, এটা দিয়ে আমি কি করবো,,,
উপমা :আমি আর তুই ঘুরতে বের হবো।
নিঝুম :সারাদিন ঘুরলি তাও হলো না, তোর,,,
উপমা :এই তোকে যা বলছি তা কর যা,,,
নিঝুম :এমন করে বলছিস কেন,,, ভয় করে তো,,,
যাচ্ছি তো।
উপমা :এতোক্ষন লাগে যেতে, ড্রেসটা পরে আমার কাছে আসবি,,, আমি সুন্দর করে সাজিয়ে দিবো।
.
কি আর উপমার দমক শুনে নিঝুম ড্রেসটা পরে ওর রুমে আসলো,,,
উপমা খুব সুন্দর করে সাজিয়ে দিচ্ছে নিঝুমকে,,
নিলা :এই নিঝুমকে এতো সাজাচ্ছিস কেনো,,, কেউ দেখতে আসবে নাকি,,,
উপমা :আসলে তাতে তোর কি ভাগ এখান থেকে,,
নিঝুম :ওহহ আর কতো সাজাবি এতো সাজ ভাল লাগেনা আমার কাছে,,,
উপমা :চুপ, এখনো বাকি আছে,,,
নিঝুম :আমাকে সাজিয়ে যাচ্ছিস তুই কখন রেডি হবি,,,,
উপমা :হবো কথা বলিস না,,, আমার রেডি হতে দুই মিনিট লাগে না বুঝেছিস,,,
.
নিঝুমকে সাজিয়ে সামনে দাড় করালো,,
উপমা :Wow, Just Wow,,
কি সুন্দর লাগছে আমার বাবুটাকে,,,
নিঝুম :যাহ এভাবে বলছিস কেনো লজ্জা লাগে,,,
নিঝুমকে একটা নেবি ব্লু আর লাল কালারের মধ্য ড্রেস পরিয়েছে,,, উপরের বুকের অংশ লাল আর নিচের সম্পূর্ণ অংশ নেবি ব্লু,, বেশ লাগছে নিঝুম কে তার ফর্সা গায়ে অনেক মানিয়েছে,,, চুল গুলো স্টাইলিশ খোপা, গলায় সিম্পল একটা গয়না,,, কানে মেস করা দুল।
যে কেউ দেখলে পাগল হয়ে যাবে।
উপমা সাধারণ একটা ড্রেস পরে মানে মেয়েদের শার্ট আর জিন্স পেন্ট,,,
.
নিঝুম কে নিয়ে উপমা বেরিয়ে পরেছে,,,
আদি :এই শুন অন্তর আমি কিন্তু তোর জন্য মেয়ে দেখতে যাচ্ছি,,, সেহেতু তোকে সুন্দর করে সাজতে হবে,,,
অন্তর :এই একজনের সাথে এমনিতেই আড়মরা বিয়ে ঠিক হয়ে আছে, তুই আবার মেয়ে দেখতে যাবি,,,
আদি :আরে ভাই নিঝুম ভাবির থেকেও মেয়েটা অনেক সুন্দর,,, দেখলে তুই হা করে থাকবি,
অন্তর :এই বললাম না আমি কোনো মেয়ে দেখতে যাবো না, তোর শখ হইছে তুই যা,,,
আদি :আমি এখন তো কলোনী বিয়ে করবো না, তাহলে আমার জন্য মেয়ে দেখে লাভ নাই,,
অন্তর :ভাই তোর জন্য তাহলে মেয়েটা ঠিক করে রাখ পরে এসে বিয়ে করে নিস,,
আদি :এই আমার তিনি তাহলে রাগ করবে বুঝিস না,,,
আবার মেয়ে দেখতে যাবো।
আচ্ছা, যা আমরা একটা যায়গায় ঘুরতে যাবো, সেই জন্য রেডি হো।
অন্তর :ওকে,,,
আদি ও সেম অন্তরকে একটা নেবি ব্লু সুট পরিয়ে বেড়িয়ে পরলো।
.
নিঝুম :এই আমরা এটা কোথায় আসছি,,,
উপমা :মনে নেই তোর ওই চা বাগানের কাছে একটা বাড়ি দেখলি না ওইখানে,,
নিঝুম :কিন্তু আমরা তো অন্য যায়গায় যাইতেছিলাম,,,
উপমা :একটা কথাও না বেরিয়ে আয় গাড়ি থেকে,,
উপমা ও নিঝুম বাড়িটার ভেতরে ডুকলো,,,
নিঝুম :ওয়াও এখানে কি কোনো অনুষ্ঠান আছে নাকি তাই আমাদের আসা,,,
কি সুন্দর করে বেলুন আর কেন্ডি লাইট দিয়ে সাজানো,,,
আর ওই সোফার সামনের টেবিলটায় কিছু মোমবাতি।
.
নিঝুম :আচ্ছা, এখানে তো মানুষ নেই সব সুনসান,,
উপমা :আছে ভেতরে চল।
.
আদি আর অন্তর ও তাৎখনিক চলে এসেছে,,,
অন্তর :আমাকে কই আনচোছ বলবি তো।
আদি :সার্প্রাইজ,,,
অন্তর সামনে তাকাতেই হা করে গেলো।
আদি :কিরে বললাম না যে মেয়েটাকে দেখতে আসবো দেখলে তুই পুরো হা হয়ে যাবি,,,
অন্তর :এটা তি কোনো পরী মামা।
.
নিঝুম ও পুরো অভাক অন্তরকে নেবি ব্লু সুটে দারুণ লাগছে।
উপমা :সো জিজু এবাবে আর নো হা,,,
এখানে সামনে আসেন,,,
আদি :হ্যাঁ চল।
.
অন্তর :নি…নিঝুম,,,
নিঝুম :আপনি এখানে,,,
অন্তর :আমারও একই প্রশ্ন,,,
নিঝুম :উপমা তুই এইসব করেছিস,,,
আদি :হুহ ভাবি উপমাই এইসব করেছে,,,
অন্তর :নিঝুম সরি, সরি ওইদিন আমি রাগের চোটে বলে পেলছি,,
নিঝুম :আমি ও সেম কালকের জন্য সরি,,,
.
আদি :আচ্ছা, ওই লোকটা কেনো ওইসব বললো,,, কিছুই তো বুঝলাম না।
উপমা :আমি বলছি,,,
আসলে নিঝুমের এর আগে একবার ওই লোকটার সাথে বিয়ের কথা চলছিলো,,, আর দেখা করতে রেস্টুরেন্টে যেতে বলছে নিঝুমকে নিঝুম বিয়ে করবে না,,, আমি ও একটা বুদ্ধি খাটিয়ে,, একটা ছেলে ভাড়া করে ওর বিএফ বানাই,,, আর ওকে দুমাসের প্রেগন্যান্ট করে দেই,,, এটা করলে লোকটা ওকে ছারতোই না,,,
ওই লোকটার সাথে কিছু বেজাল হয় আমার কথা নিয়ে তাই আমি রাগের চোটে ওর মাথায়টেটেবিলে উপর থেকে সসের বোতলটা নিয়ে মাথায় ঠেলে দিই,,, ওখানে এটা দেখে লোকে হাসাহাসি করতে শুরু করে,,, ওখান থেকেই ওই লোকটা আমাকে ভয় পায়,, আর ওই দিন রেস্টুরেন্টে আমি গেলেই ও দৌড়ে পালায়,,, আর প্রেগন্যান্ট নিঝুম লোতটা জানতো তাই আপনাদের ওইদিন লোকটা এটাই বলছিল,,,
ওনেক অভিনয় করে কথা বলে ওই লোকটার থেকে পরিএান পায় নিঝুম বুঝলেন তো,,,
.
আদি :হাহাহা,,,
উপমা ইউ ইজ দা গ্রেট,,,
অন্তর দেখতে হবে তো কার সালি,,,
.
অন্তর একটা রিং নিয়ে হাটু গেড়ে বসে নিঝুমেরসাসামনে,,
অন্তর :Will You marry me Nijum,
নিঝুম :ইয়া সোর,,, হাতটা সামনের দিকে দিয়ে।
নিঝুমকে অন্তর রিংটা পরিয়ে দিয়ে,, জরিয়ে ধরতে গেলেই,,
নিঝুম :আরে কি করছো কি,, ওরা এখানে,,
উপমা :ওকে আমরা এখানে সরি সরি,,,
চলে যাচ্ছি,,, আপনারা থাকেন,,
নিঝুম :কোথাও না সমুদ্রের কাছেই,,,
আদি :আমিও যাই হে,,,
অন্তর :আচ্ছা, যা।
.
আদি আর উপমা দুজনে নিরলে সমুদ্রের কিছুটা হালকা পানিতে পা ভিজিয়ে হাটছে,,,
দুজনেই চুপ,,
কেউ কথা বলছে না।
তখনই আদি বলে উঠলো…………..
.
চলবে……………
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now