বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
♥হৃদয়ের মাঝখানে♥
.
পার্ট-১২
.
রাহুল ওদের এভাবে দেখে হো হো করে হেসে দিল,,,,
বাসের বাকি সবাই ও রাহুলের হাসি দেখে ওদের দিকে তাকায় এবং তারাও হেসে দিলো এক গাল,,,
উপমা আর আদি ওদের এভাবে হাসতে দেখে কিছুটা লজ্জা পায় এবং উপমা উঠে দাড়িয়ে পাশের সিটে বসতে নিলেই আবার ঠাস করে আদির কোলে পড়ে যায়,,,
সবাই এখনো হাসছে,,,
আদি :আস্তে উঠো,,,
এবার উপমাকে আদি উঠাতে সাহায্যে করলো,,,
উপমার এক হাত ধরে অন্য সিটে বসিয়ে নিজে এই সিটে বসে পড়ে,,,
রাহুল :কি জটিল রে তোদের প্রেম,,,
বাসে ও শুরু করলি নাকি …….
আদি :এক থাপ্পড়ে তোর সবগুলো দাত পেলে দিবো অসভ্য ছেলে কোথাকার,,
চোখে যখন এতোই কম দেখিস ডাক্তারের কাছে গিয়ে একটা চশমা কিনে এনে পড়লেই তো হয়।
অন্তর :এই তোর কোনো কাজ নাই অন্যদের দিকে চোখ তুলে তাকাছ কেন,,,,
নিজে বসে বসে প্রেম করতে পারিস না।
রাহুল :কেউ নাই তো কার সাথে করবো?
আদি :তোর যখন এতোই প্রেম করার ইচ্ছে তো পাশের জনের সাথে কর না আমাদের দিকে তাকাছ কেন,,,,
“পাশের জন “বলাতে রাহুল নিলার দিকে তাকালো। দুজনে দুজনের দিকে তাকিয়ে লজ্জা পেয়ে অন্যদিকে মুখ পিরিয়ে নিলো।
.
উপমা ওদের এইসব প্রেম ট্রেমের কথা শুনে লজ্জা পেয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে লাগলো। যেনো তারা কি বলে তা শুনা না যায়। উপমা গান শুনতে শুনতে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলো।
কি সুন্দর আমাদের এই দেশ, আসলে কোনো তুলনা হয়না অন্য দেশের সাথে আমাদের এইদেশের। কতো শত পাখিরা উড়ে বেড়াচ্ছে, কতো রং মাখানো তাদের ডানায়। আবার কি সুন্দর আকাশটা নীল হয়ে আছে মাঝে মাঝে সাদা মেঘগুলো রয়েছে। যেনো পুকুরে খুদিপানা ভাসছে দল বেধে।
জানালা দিয়ে বাসের বাইরে তাকিয়েই আছে,,
আদি তার কথা আর কি বলবো। পায়ের উপর পা তুলে সিটের সাথে হেলান দিয়ে বসে আছে আর মোবাইল আছে সাথে মেয়েদের সাথে চেটিং করার জন্য তা নিয়েই বিজি আর ঠিক হলো না এই আদি।
উপমার হঠাৎ চোখ যায় কিছু ফুলের উপর,,
উপমা দুহাত দিয়ে ধরে আদির এক হাত টানতে টানতে,,,,
উপমা :এই যে দেখুন না দেখুন,,,,,
আদি :কি দেখবো?
উপমা :দেখুন না গাছের ফুলগুলো কি সুন্দর না।
আদি :ওয়েট, এই ড্রাইভার বাস থামাও ……..
বলেই দৌড়ে বাস থেকে নেমে গেলো।
উপমা :আরে কি হলো এটা আমি এতো সুন্দর ফুল গুলো দেখালাম আর ওনি না দেখেই নেমে গেলো। এটা কি হলো (মন খারাপ করে)
.
কিছুক্ষণ পর আদি দৌড়ে এসে উপমার পাশে বসে হাপাতে হাপাতে লাগলো আর বাস ও ছেড়ে দিলো।
উপমা :আচ্ছা আমি তো আপনাকে ফুলগুলো দেখালাম শুধু। আপনি এভাবে দৌড়ে গেলেন কেনো,,,
আদি :আরো দাড়া ও একটু দম পেলতে দেও তো। তারপর বলছি………..
হুম চোখ বন্ধ করো,,
উপমা :কেনো,,
আদি :আহা বন্ধ করো না,,,
উপমা :ওকে ওকে করছি,,
উপমা দু হাত দিয়ে হালকা ভাবে চোখগুলো ধরলো বন্ধ করে,,,,
আদি পিছন থেকে ফুলগুলো বের করে উপমার সামনে ধরে,,,,
আদি :এই নেও,, এবার চোখ খোলো………..
উপমা চোখ থেকে হাত সরিয়ে ……..
উপমা :ওয়াও ওই ফুলগুলো ……..
আদি :হুম তোমার জন্য,,
নেও…..
উপমা ফুলগুলো হাতে নিলো আর ফুলগুলোর উপর হাত ভুলাতে লাগলো……..
আদি :এই ফুলগুলোর নাম কি জানো ………
উপমা :কি আপনি জানেন,,,
আদি :হুম, কৃষ্ণচূড়া।
.
তারপর কিছুক্ষণ পর তারা ওই ধানমন্ডিতে বুক করা বাড়িটায় পৌছে গেল,,,,
যে যার মতো রুম বুক করে ঘুমিয়ে পড়লো রাতে ডিনার করে,,
সকালে সবাই একসাথে বড় টেবিলটায় নাস্তা করতে বসলো বড়রা পড়ে করবে। আগে ছোটদের করিয়ে নেক,,
ছোট সবাই একসাথে নাস্তা করতে বসলো। সবাই একসাথে বসে নাস্তা করার মজাই আলাদা কতো ভালো লাগে।
সবাই নাস্তা করে বাইরে বিশাল বাগানটার কাছে গেল,,
ওখানে খালি যায়গা ছিলো খেলার জন্য,,,
উপমা আর আদি বলে দিলো ক্রিকেট খেলবে তারা প্লেন করে রাখলো,,
ছেলেরা একদল আর মেয়েরা একদল,,
বড়রা দর্শক হিসেবে থাকবে,,
আদির বাবা রেপারি হিসেবে রইলো,,
উপমা :শুনেন আঙ্কেল,
আপনার ছেলে ওই দলে মানে আপনিও তো ছেলে তাই ছেলেদের সাপোর্ট করে কোনো চিটিংবাজি করতে পারবেন না বলে দিলাম….
আদির বাবা :ঠিক আছে,
আপনি যা বলবেন তাই হবে মামুনি।
উপমা :ওকে আঙ্কেল,,
.
কিছুক্ষণ পর খেলার স্থান ঠিক করে ময়দা দিয়ে টেনে বাউন্ডারি করা হলো,,
টস হলো মেয়েরা পাস্ট নামবে মাঠে………
প্রথম নামলো আদির বোন আদিরা আর ইলফা …….
২০ ওভারে তাদের খেলা,,,
প্রথম ওভারে ইলফা আইট পরপর এভাবে অনেক আইট হয়ে যায় মেয়েদের দলের,,
উপমার রাগ চরম সীমানার বাইরে ১৫ ওভারে মাএ ৮০রান। আর ওইদিকে তো ছেলেরা খুশির চোটে সিস বাজাচ্ছে …………………….
উপমা আগুন দৃষ্টিতে আইট হওয়া মেয়েগুলোর দিকে তাকালো তারা উপমাকে এভাবে দেখে ভয়ে বড়দের পিছনে গিয়ে লুকালো,,,,
এবার উপমার নামার পালা,,
সবকয়টা ছেলের দিকে এক নজর ভালো করে তাকিয়ে নিলো। আদি বলিং করছে,,,
উপমা অনেক বার ক্রিকেট খেলেছে তাই সে এই খেলাতে অনেক এক্সপার্ট,,,,
নেমেই প্রথম মারলো একটা ছয়। উপমার ছয় মারা দেখে আদিরা সিস বাজানো শুরু করলো দু আঙুল মুখের সামনে দিয়ে,,
উপমা এভাবে চার ছয় মেরে ১২০ রান করলো।
উপমা দশ ওভারের সময় নেমে বলিং করলো আর ২ওভারেই ৪টা উইকেট করলো,,,
এভাবে চলতে চলতে খেলা শেষ পর্যায়ে চলে এলো ছেলেরা যদি একটা ছয় মারে তাহলে তারা পাস্ট আর ৪মারলে ম্যাস ড্র………
সবাই অধির আগ্রহে চেয়ে আছে কে হবে পাস্ট নাকি ম্যাস ড্র হবে ……………
ইলফা বলিং করতেই আদি মেরে দিলো চার ম্যাস ড্র …………….
হার জিত কারোই হলোনা বরংচ সমান সমান,,,
.
রাতে সবাই মিলে আড্ডায় বসলো,,,,,,
সবাই আদির কণ্ঠে গান শুনার জন্য অনুরোধ করলো কিন্তু তার একই উওর না সে গাইবে না।
আদিরা:প্লিজ ভাইয়া একটা গানই তো। গা না প্লিজ …………
আদি :আমি বললাম না। না ………
আরোহী :দোস্ত প্লিজ গা না সেই ভার্সিটিতে গান গাইছিলি আর গাস নাই প্লিজ একটা গান……..
উপমা :এতো করে সবাই অনুরোধ করছে। একটা গান গাইলে কি আপনার মুখ নষ্ট হয়ে যাবে নাকি,,,,
আদি :তা না আমার ভয়েস সুন্দর না তাই গাইবো না।
আদির মা :বাবু কি বললে তুমি। তোমার গানের ভয়েস সুন্দর না।যদি সুন্দর নাই হতো তাহলে ওরা তোমার গান শুনতে এমন উঠে পড়ে লাগতো……..
মায়ের অনুরোধ একটা গা বাবু,,
আদি :ঠিক আছে, রাহুল গিটারটা নিয়ে আয়তো ……
আদিরা তার মাকে জরিয়ে ধরে,,
আদিরা :থেন্কু মামুনি,,
আদির মা :ইউ আরএ মোস্ট ওয়েলকাম বেবি,,,,
.
রাহুল গিটার আনতে গেলো,,
উপমা বসে বসে মোবাইল টিপছে ………….
রাহুল গিটার এনে আদির হাতে দিলো,,,
আদি প্রথমে গিটারের সুর দিলো তারপর মুখ দিয়ে,,
♬♬ আমার সকল অভিযোগে তুমি, তোমার মিষ্টি হাসির ডাকে আমি, আমার না বলা কথার বাজে, তোমার গানের কতো সুর ভাসে।
তোমায় নিয়ে আমার লেখা গানে,
অযথা কতো স্বপ্ন বোনা আছে।
আমার হাতের আঙুলের বাজে,
তোমাকে নিয়ে কতো কাব্য রটে।
হে ভুলিনিতো আমি তোমার মুখের হাসি আমার গাওয়া গানে তোমাকে ভালোবাসি।
আসো আবারও কাছে হাতটা ধরে পাশে,
তোমায় নিয়ে যাবো আমার পৃথিবীতে।
হেহেহেএহেএ……..এই পৃথিবীতে হেএএএএএ………
উপমা আদির এতো সুন্দর কণ্ঠ শুনে তার দিকে না তাকালেই নয়। আদি গানের সাথে উপমাকে সেই প্রথম দিন থেকে দেখা সিনগুলো মনে পড়তে লাগলো,,,,,,
সবাই উপমাকে ইশারা দিয়ে বলছে তাকেও সাথে গাইতে। উপমাও না বলা শুরু করলো পরে সুর দিলো ………..
হাআায়া………………..হা….আ…য়া♬
হুম তোমার পথে পা মিলিয়ে চলা …..তোমার হাতটি ধরে বসে থাকে। আমার আকাশে তোমার নামটি লিখা, আমার আকাশে কালো আবছা বোনা।
.
♬তোমায় নিয়ে আমার লেখা গানে অযথা কতো স্বপ্ন বোনা আছে, আমার হাতের আঙুলের ভাজে, তোমাকে নিয়ে কতো কাব্য রটে।
দুলিনিতো আমি তোমার মুখের হাসি আমার গাওয়া গানে তোমাকে ভালোবাসি। আসো আবারো কাছে, হাতটা ধরে পাশে তোমায় নিয়ে যাবো আমার পৃথিবীতে।
♩হেএএএএ……..হেএ…….এই পৃথিবীতে ……এ…..
উপমা :ভুলিনিতো আমি তোমার মুখের হাসি,
আমার গাওয়া গানে তোমাকে ভালোবাসি।
আসি তোমার কাছে আবার হাতটা ধরে পাশে।
আমায় নিয়ে চলো তোমার পৃথিবীতে ……..
আদি গিটারের সুর আস্তে আস্তে বাজাতে এবার বন্ধ করেই নিলো। ওদের গান শুনে সবাই হাসি মুখে জোরে জোরে হাত তালি দিতে লাগলো,,,,
আদির মা :বাহ উপমা,
তোমার কণ্ঠটা তো বেশ সুন্দর।
তুমি আগেও অনেকে বার গান করছো না,
আর তুমি তো ভবিষ্যতে সিঙ্গার হতে পারবে,,,,
উপমা :জ্বি আন্টি,,,
আমি আগেও অনেক গান করেছি …….
আর আমার কণ্ঠ তো ওতোটা সুন্দর না যে সিঙ্গার হতে যাবো ………..
আদি :মম তুমি মোটেও বিশ্বাস করবে না ওর কথা। ওর কণ্ঠ সুন্দর হলেও বলবে সুন্দর না এটাই ওর অভ্যাস,,,
.
উপমা :এটা আমার অভ্যাস না এটাই আমার অভ্যাস তবে রে বেটা তোকে দাড়া………
বলেই সোফা থেকে বালিশটা নিয়ে দৌড়ে মাড়তে গেলো…….
আদি দৌড়ে তার মায়ের পিছে লুকালো,,,,,,
আদি :তুমি যেমন তেমনিই তো বললাম এতে আমাকে মারার কি হল,,,
উপমা :আবার কথা বলে,,,
আদির মা :আরে আরে তোমরা থামো,,,
যেভাবে দুজন আমাকে ঘিরে ধরছো আমি তো মরেই যাবো,,,,
উপমা :আপনাকে আজকের মতো ছেড়ে দিলাম এরপর আমার অভ্যাস নিয়ে কথা বলবেন না না হলে একদম মেরেই পেলবো ……..
আদি :মম দেখছো তোমার সামনে তোমার ছেলেকে হুমকি দিচ্ছে মারার………
উপমা :হুমকি না ওয়ার্নিং ……….
বলেই মুখ বাকা করে ভেঙিয়ে চলে গেল,,,,
একে একে সবাই চলে গেল,,,,
আদি আর তার মা ড্রয়িংরুমে ছিল,,,,
আদির মা :মেয়েটা বারি মিষ্টি টাইনা রে বাবু,,,
আদি :হ্যাঁ মম …….
আমাদের ঘরে এমন একটা বউ নিলে কি সুন্দর হতো না ……..(সিড়ির দিকে তাকিয়ে)
আদির মা :কি বললি?
আদি :ক…কই কি বললাম আমি,,,
আদির মা :আমাদের ঘরে এমন একটা বউ নিলে কি সুন্দর হতো এটা কে বলছে তাহলে,,,
আমাদের বাড়িতে তুই ছাড়া আর কোনো ছেলে আছে,,,
.
আদি :না কেনো,,,,
আদির মা :তোর বিয়ে করার খুব সাধ জাগছে ওটা বল এতো কিছু বলার দরকার নেই,,,,
আর মেয়ে ও রেডি আছে অন্তরের বিয়ের পর তোকে দিবো তারপর,,,
আদি :কে সেই মেয়ে মম,,,
আর আমি এখন বিয়ে করবো না,
ওটা তো আমি এমনিই বললাম,,,,
আদির মা :আর কথা বলতে হবে না,
আপনি যে লজ্জা পেয়েছেন এখন বিয়ের কথা শুনে ওটা আমি বুঝতে পেরেছি।
থাইল্যান্ড পিরে আমি আপনার বাবাকে বিয়ের ব্যবস্থা করতে বলবো,,,,
আদির মা বলেই চলে গেল।
আদি :হায় হায় মুখ পসকে কেন যে বের হয়ে গেল এই কথাটা,,,,
বিয়ে এখন আমি ইয়াম পসিবল…….
তাও আবার কোন মেয়েকে……
আমি ভাবছি এই বিয়ের মাঝেই উপমাকে প্রপোজ করে দিবো আর হলো না তা।
এখন মমকে যে করেই হোক আমার বিয়েটা বন্ধ করবো। আগে এটা হয়ে যাক তারপর ………
সকালে বাড়ি সাজতে লোক আসছে,,,,
ওনারা বাড়ি সাজাচ্ছে সাথে বাড়ির ছেলেরা হেল্প করছে,,,,
আজ উভয়ের একটা পার্টির প্লেন করা আছে,,
রাত ১০ বাজে মেয়েরা সবাই লেহেঙ্গা আর ছেলেরা সেরোয়ানী এবং চুরিদার পায়জামা পড়েছে ………..
.
একেক জনকে বেশ সুন্দর লাগছে,,,
আদি :আরে ভাই খেতে এতো ভয় পাচ্ছিস কেনো,,
অন্তর :তোর ভাবি একবার যদি জানে তো আমাকে আর আস্তো রাখবে না।
তোরাই কর ড্রিংকস আমি না………………
রাহুল :এখনি বউকে এতো ভয় পাচ্ছিস,,
হায়রে কি যে হবে সামনে তোর,,,
আদি :ব্রো এটা সফট ড্রিং খেলে ওতো নেশা হবেনা।
পার্টিতে যদি একটু ড্রিং না হয় তাহলে তো মজাই নেই,,
একটু কর …………….
আদি জোর করে অন্তরকে খাওয়াতে গেলে উপমা টেনে অন্তরকে নিয়ে যায় ওইদিকে কেউ একজন গানও ছেড়ে দিয়েছে,,,,
নিঝুমের কাছে এনে অন্তরকে দাড় করিয়ে বলে তারা পাস্ট যেনো ডান্স করে,,,
সবার কথা মতো অন্তর নিঝুমের হাতটা ধরে টেনে ডান্স করতে চলে যায়। পরপর সবাই তাদের পার্টনারদের নিয়ে যায়। রাহুল ও নিলাকে নিয়ে যায়।
আদি বসে বসে ড্রিং করছে তারপর চোখ পড়ে উপমার উপর সে সবার ডান্স দেখছে দাড়িয়ে,,,
আদি গিয়ে উপমার পাশে দাড়ায়………
আদি :তুমি এখানে দাড়িয়ে,,,,
উপমা :হুম, কোনো সমস্যা ……..
আদি :No,
Thou If Some Think None Tax So The What We Dance Conferes…………
উপমা আদির দিকে এক হাত বাড়িয়ে,,
উপমা :Yeah Sure Why Not ………..
আদি key………
.
আদি আর উপমাও ডান্সে জয়েন করলো,,,
সবাই (Mone Ba Lage) এই গানটা দিয়ে নাচলো ………..
উপমা টায়ার্ড হয়ে চলে আসলো……………..
আদি অন্য আরেকটা মেয়ের সাথে নাচতে লাগলো…………………
উপমা নাচ দেখছিল সবার, তখন অন্য একজন ড্রিংকস অডার দিয়ে ছিল। সে পাশের লোকটির সাথে কথা বলতে বলতে ওয়েটার টেবিলের উপর রাখলো উপমা ও পাশে না তাকিয়ে জুস মনে করে নিয়ে খেয়ে পেললো।
তার কিছুক্ষণ পর উপমার উপর ড্রিংকসের প্রভাব পড়ে মিউজিসিয়ানদের কাছে গিয়ে তাদের ঠেলে বার করে দিলাবার গানটা লাগিয়ে দেয়,,,
তারপর স্টেজে গিয়ে সে একলাই ডান্স করতে থাকে নেশার তালে সে নিজেকে কনট্রোল করতে পারেনি লেহেঙ্গার উপরের ওরনাটা পড়ে যায় তার গা থেকে,,,
অন্য ছেলেরা তাকে খারাপ নজরে দেখছে যা আদির মোটেও সহ্য হচ্ছে না।
সবার ডান্স অফ শুধু উপমাই করছে ডান্স।
সবাই ওর দিকে তাকিয়ে আছে………..
আদি এপাশ ওপাশ না ভেবে উপমার হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে আসে,,
উপমা :আমাকে ছাড়ুন, ছাড়ুন আমাকে আমি ডান্স করবো………….(মাতালদের মতো কণ্ঠে)
দিলবার………দিলবার…………
আদির রাগ উঠে যায় আর উপমাকে জোরে এক দমক দেয়।বড়রা এখানে নেই তাই ওরা উপমাকে এই অবস্থায় দেখতে পারেনি।
উপমা যায়নি বলে আদি কোলে নিতে বাদ্য হয়, কোলে তুলেই ওর রুমে নিয়ে যায়………….
.
উপমা :আপনি খুব পচা, আমাকে দমক দিলেন কেনো। আমি কেদে দিবো এখন, আর পাপার কাছে বিচার দিবো তখন আপনাকে পাপা বকে দিবে………………..
আদি বিচানায় নিয়ে শুইয়ে দিলো,,
দিয়েই উঠে আসতে নিলে উপমা আদির সেরোয়ানীর কলার ধরে একটান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসে……………
উপমা :আবির এই আবির,
কোথায় যাচ্ছো আমাকে রেখে তুমি,,,
আদির মুখটা উপমার মুখের একদম কাছাকাছি,, দুজনের প্রতিটি নিশ্বাস দুজনের মুখে এসে পড়ছে. ……………….
উপমা :এই আবির শুননা. ……..
আদি নিজেকে এই মায়া সুরে আটকে রাখতে না পেরে. ……………
আদি :হ্যাঁ বলো?
উপমা :তুমি আগে প্রতিদিন কপালে কিস্সি করতে। কিন্তু আমার ঠোঁটে একদিন ও করোনি, এই করোনা একটু …….
আদি ভেবে পাচ্ছে না কি করবে,,,,,
উপমা অনেক জোর করছে, আদি মায়া ভরা মুখটার দিকেই তাকিয়ে রইলো,, ,
আদি করছে না দেখে উপমা নিজেই আদিকে টান দিয়ে আরো কাছে আনলো,
.
চলবে…………………..
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now