বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কৃষ্ণনগরে এক খুব চালাক লোক ঠকানো স্যাকরা ছিল। কিন্তু লোকটিকে দেখাত ভিজে বেড়ালের মত। যেন র্ধামিক গোবেচারী। দোকানে বসে মাঝে মাঝেই বলত হরি হর, হরি হর্ আসলে ওই স্যাকরার হরিহর নামে এক কর্মচারী ছিল। কেউ সোনা গলাতে দিলেই স্যাকরাটি লোকটাকে কেমন দেখে খানিকটা বুঝে নিয়েই কর্মচারীর উদ্দেশ্যে সংকেতে বলত….। হরি-হর। অর্থাৎ ওরে হরি, এখন সোনা হয় অর্থাৎ হরণ কর ভাল মত। লোক দেখে শুনে বেশি কম সোনা চুরি করত। ভাল বোকা লোক দেখলে বেশি চুরি করত। হরিহর একবার বললে কম, হরিহর দুবার বললে ডবল চুরি করতে শেখান চিল।
মেয়ের বিয়ের সময় গোপাল পুরনো গয়নার বদলে নতুন গয়না বানাতে দিয়েছিল। গয়না গলাবার সময় যেই স্যাকরা বলে উঠল হরিহর, হরিহর এবার ডবল হরণ কর। কারণ স্যাকরা মনে মনে গোপালকে খুব বোকা লোক ভেবেছিল। গোপাল অমনি বলে উঠল, কথাটা সম্পূর্ণ করুন স্যাকরা মশাই আনন্দে নেচে নেচে বলুন- হরিহর। হরিহর সোনা মেরে বাক্স ভর। সোনা মেরে বাক্স ভর। আগে থেকে গোপাল স্যাকরার চালাকির খবর খানিকটা লোক পরস্পরায় শুনেছিল সেজন্য সে নিজে পরীক্ষা করবার জন্য বিশেষ করে সেই দোকানে গেছিল খবরটা সঠিক কিনা তা যাচাই করতে।
গোপালের মুখে ওই কথা শোনার পর স্যাকরার পো এর মুখে আর একবারও হরিণাম শোনা গেল না। তখন স্যাকরা বেশ বুঝতে পেরেছে যে, সে যা তা লোকের পাল্লায় পড়েনি। এ ব্যাটা ভারি ঘোড়েল। গোপাল যাতে মহারাজের কানে কথাটা না তোলে সেজন্য কাতর অনুরোধ করে স্যাকরা গোপালকে বেশ কিছু টাকা পয়সা দিল এবং বলল, যে আমি আর এমন কাজ করব না।
.
ভাই-বোনেরা যদি ভালো লাগে তবে 1+ Star দিয়ো...&...কেমন লাগলো কমেন্ট কইরো... (আর.এম.রকি মাহমুদ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now