বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হায়! ভ্যালেনটাইন

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X ভালোবাসা মানুষের জীবনে স্বপ্ন, ভালোবাসা মানুষের জীবনে আকাংঙ্খা। ভালবাসা একটি চিরন্তন সত্য, যা যুগে যুগে বাহমান মানুষে, মানুষে ও অন্য জীবে। ইংরেজীতে ৪টি অক্ষর “খড়াব” বাংলায় ৬টি অক্ষর “ভালোবাসা” অনেক কথার জন্ম দিয়েছে। আমরা দেখি ভালবাসার প্রকারভেদ আছে। সন্তানের প্রতি ¯েœহজড়িত, সন্তানের ভালবাসা মা বা বাবার প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধার নিদর্শন। প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসা তীব্র আকর্ষণ ও মোহ। স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা একে অপরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস ও দায়িত্ব পালন। স্বামী-স্ত্রী একাতœ হয়ে ভালোবাসার গভীরতায় প্রবেশ করে। অপর একটি ভালোবাসা আছে, তা হল মানব প্রেম। খ্রীষ্ট যীশু বা প্রভু যীশু বলেছেন- তুমি তোমার প্রতিবেশিকে আপনার মত ভালোবাসবে। এই ঐশ্বরিক ভালোবাসায় নিহিত আছে সৃষ্টিকর্তা পিতা ঈশ্বরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দেখানো। আমরা আমাদের গৃহপালিত পশু, পাখিকেও ভালোবাসি। কুকুর, বিড়াল, পাখি, হাঁস, মুরগী, গরু-ছাগল আমাদের ¯েœহ-ভালোবাসা পায়। অনেক সময় এ সকল পশু-পাখি তার ভালোবাসার মনিবকে রক্ষা করে। বিশেষভাবে কুকুর তার মনিবকে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে রক্ষা করে। কুকুরের ভালোবাসা জীবন উৎসর্গ। ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আছে। তার বহিঃপ্রকাশ হয় প্রেমে, ¯েœহে ও দায়িত্ব পালনে। বর্তমানে পালিত হচ্ছে ভালোবাসা দিবস। ফেব্রুয়ারি মাসের ১৪ তারিখে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী পালিত হবে ভ্যালেন্টাইনস ডে। বর্তমান প্রজন্ম দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করে থাকে। বর্তমানে আকাশ সংস্কৃতির যুগে ভালোবাসা দিবসটি ব্যাপক প্রচার পেয়েছে। সাথে উঠে এসেছে সাধু ভ্যালেন্টাাইনের নাম। ডিশ, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ভালোভাবে জানে বিষয়টি। লেখালেখি আদান-প্রদানের মাধ্যম, ই-মেইল, ফেইসবুক, এসএমএস ও কথা হয় ল্যান্ড ফোন, স্কাইপে ও মোবাইলে। প্রতিটি মানুষের জীবনে ভালোবাসা বা প্রেম এসেছে জানান দিয়ে বা অগোচরে। তাইতো আমরা হারানো দিনের গানটি গাই ‘প্রেম একবার এসেছিল নীরবে, আমার ...... মনেরও .. অজান্তে। সবার জীবনে সরবে/নীরবে প্রেমের পদচারণা হয়েছে। কেউ টের পেয়েছে- কেউ টের পায়নি। খ্রীষ্ট ধর্মের ক্যাথলিক ম-লীতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বিশ্বব্যাপী অগনিত যুবক-যুবতীর ভালোবাসার প্রতীক হয়ে আছেন। সেখানে তিনি কোন প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে নয়- একজন সাধু হিসেবে ভালোবাসা বা স্বর্গীয় প্রেমের জন্য তিনি প্রার্থনা করেছেন। নির্যাতন সহ্য করেছেন। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কুপে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন এবং সেখানে যুবক-যুবতীদের ভালোবাসাকে মর্যাদা, সম্মান ও ঈশ্বরের অপূর্ব সৃষ্টির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য অবিরাম প্রার্থনা করেছিলেন। আমরা আরো জানি লাইলী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, রাধা-কৃষ্ণ, রোমিও-জুলিয়েট এদের প্রেম-ভালোবাসার কাহিনী অমর হয়ে আছে। ভালোবাসা জীবনের বাস্তব গল্প, যে যেভাবে নেয়। ভালোবাসার জন্য শত্রু মিত্র হয়, মিত্র শত্রু হয়। ভালোবাসার প্রকৃত ব্যাথা এখনও রহস্যবৃত। ভালোবাসা হৃদয় ঘটিত ব্যাপার। ভালবাসা মাপার কোন যন্ত্র আবিস্কৃত হয়নি। ভালবাসা অন্তর দিয়ে উপলব্ধি, আকর্ষণ ও মোহের জালে আবদ্ধ। ভালবাসা কোন বাঁধা মানতে চায় না, ভালবাসা দূরন্ত, যে কোন শৃংঙ্খল ডিঙ্গিয়ে যায়। ভালবাসা অমর। ভালবাসা একটি আকাংঙ্খা, জীবনের স্বপ্ন। ভালবাসা মনের বাসনা, হৃদয়ের অনুভূতি, মনের ইচ্ছা ও ঐশ্ব প্রেম। ভালবাসা এমন আবেগ, মানুষের মাঝে অনেক সময় আনে পরিবর্তন। একজন মানুষ ভালবাসার টানে তার স্বীয় বৈশিষ্ট পরিবর্তন করে। ভালবাসার যাদুতে যে মজেছে, সে তা বুঝেছে। তাই ভালবাসা, প্রেম জীবনে একেকবার বয়ে এনেছে একেক রকম ঘটনা, গল্প। হাজার কোটি বছর ধরে মানুষের বিচরণ এ পৃথিবীতে। ভালোবাসার চিত্র যুগে যুগে পরিবর্তিত হয়েছে। যখন সেল ফোন ছিল না তখন ভালোবাসার রূপ ছিল একরকম। এখন ফেইস বুকের যুগে ভালোবাসার রূপ ভিন্নতর হচ্ছে দিনকে দিন। একজন পুরুষ, একজন মহিলা যতদিন একাত্ম না হয়, ততোদিন তার রূপ, ভাব, অনুভব থাকে ভিন্নতর। মিলনের পর ভালোবাসার ভাব অন্যরূপে প্রকাশ পায়। সাধুবাদ জানাই সাধু ভ্যালেনটাইনকে। কারণ তিনি মানুষের প্রেম, ভালোবাসাকে জাগ্রত করেছেন, দিয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। ভালোবাসার মধ্যেই নিহিত আছে জীবনের গল্প। ভালোবাসা বিষয়ে পবিত্র বাইবেল বলে- সবকিছুর উপর ভালোবাসা। ভালোবাসা নিত্য- সহিষ্ণু, ভালোবাসা ¯েœহ-কোমল। তার মধ্যে নেই কোন ঈর্ষা। ভালোবাসা কখনো বড়াই করে না, উদ্ধতও হয় না, রুক্ষ্মও হয় না। সে স্বার্থপর নয়, বদমেজাজীও নয়। পরের অপরাধ সে কখনো ধরেই না। অধর্ম সে আনন্দ পায় না বরং সত্যকে নিয়েই তার আনন্দ। ভালোবাসা সমস্তই ক্ষমার চোখে দেখে; তার বিশ্বাস সীমাহীন, সীমাহীন তার আশা ও ধৈর্য। ভালোবাসার মৃত্যু নেই। বিশ্বাস, আশা ও ভালোবাসা, এই তিনটিই থেকে যাচ্ছে বটে, কিন্তু ভালোবাসা-ই সর্বশ্রেষ্ঠ। পবিত্র বাইবেল (নতুন নিয়ম) ১ করিন্থীয় ১৩:৪-৮, ১৩ পদ। ভালোবাসার রূপ প্রকাশ পায় গানে, কবিতায়, গল্পে, প্রবন্ধে, চলচিত্রে, নাটকে। যতদিন মানুষের জীবন চলমান থাকবে, ভালোবাসাও থাকবে। মানুষের মত রোবট একসময় ব্যাপক ভাবে মানুষের সাথে মিশে যাবে, কিন্তু হৃদয়হীন রোবটের কাছে মানুষই হবে হৃদয়বান। জীবন চলার পথে থাকবে সবসময় ‘ভালোবাসা’।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হায়! ভ্যালেনটাইন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now