বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প নয়, জীবনের অংশ!

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Tayaba Islam (০ পয়েন্ট)

X বাড়ি থেকে দূরে থাকি বিধায় আম্মা খুব কাঁদেন। সেবার রোজার শুরু হওয়ার সপ্তাহখানেক পর বাড়ি গেলাম। ঘাটে নেমে দেখলাম একটাই নৌকা দাঁড়ানো, সন্ধ্যাও প্রায় হয়ে এসেছে। মাঝ নদীতেই আযান পরে গেলো। আযান পরার সাথে সাথেই একটা মানুষ আমার হাতে এক গ্লাস পানি, দুইটা খেজুর দিয়ে বললেন, “বাবা, রোজা ভাঙো।” ঐ সময় আমি আর কথা বাড়াইনি, তিনিও চলে গেলেন অন্য যাত্রীদের কাছে। একে একে সবাইকে তিনি পানি আর খেজুর দিলেন। এরপর আমি তার কাছে গেলাম, বসলাম। উনি হাসলেন আমাকে দেখে। আমি জানতে চাইলাম তার গল্প, তিনি বললেন- “বাবা, আমি গরীব এবং বৃদ্ধ! যখন আমি যুবক ছিলাম একবার এমন এক রোজায় আমি হাট থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। সন্ধ্যা হয়ে গেলো নৌকাতেই। সাথে পানি নাই। নৌকায় কেঊ রোজা ভাঙছে, কেউ ভাঙতে পারছেনা। আমি কি করবো বুঝতে না পেরে বসে আছি চুপচাপ। এক হিন্দু বৌ উঠে আমরা যারা রোজা ভাঙতে পারিনি তাদের সবাইকে পানি আর চিড়া দিয়ে বলেছিল “দাদা, রোজা ভাঙ্গি ফেলেন।” আমি জানি কত মানুষ প্রতিদিন এই রোজায় চলাফেরা করে এই পথ ধরে, যারা সারাদিন রোজা রেখে রোজা ঠিকমতো ভাঙার সুযোগ পায় না। তাই সেদিনের পর থেকে আমি এই সময়টায় শেষ নৌকায় কিছু খেজুর আর পানি নিয়ে উঠি। মানুষকে রোজা ভাঙাতে সাহায্য করি, বাবা। এইটা কোন গল্প না, এটা আমার জীবনের একটা অংশমাত্র!!gjgj Collected ছবিওয়ালার ডায়েরী...gjgj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প নয়, জীবনের অংশ!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now