বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : #বেয়াদ্দপ_দুইটা !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- গরুর মতো শুয়ে আছি... লুঙ্গির
তো কোন খোঁজ নাই....
এমন সময় ফোনটা বেঁজে উঠলো,
কানে ধরতেই.....
- মাম্মায়য়য়য়..... পাইয়া গেছি.... (আবির)।
- ফোনটা কানে নিয়েই এমন জোরে
মাম্মা পাইয়া গেছি শুনে তো...
পায়ের রক্ত গুলা সব মাথাই উইঠা
গেছে.....।
- ঐ সালা কিছু কস না ক্যান....।
- কুত্তা, হারামি, কী এমন রত্ন পাইছিস
তাই এমন সকালে ভেড়ার মতো
চিল্লানি দিয়ে বলা লাগবে...
কী আরামে ঘুমাইতেছিলাম।
- একবার কলেজে আইসাই দেখ
না.......।
- ফোন রাখ হারামি....... কী দেখমু
সেটা আমার জানা আছে....।
- নারে ভাই... সেই একটা মাইয়া
দেখছি পুরাই ঝাক্কাস .... একবার
আইসাই দেখ না।
- সালা ছেঁচড়া.. জীবনে কী ভালো
হবি না হুমমমমমম।
- তুই সালা যে কোন লেভেল এর
ছেঁচড়া সেটা জানি আমি...
এবার কলেজে আয়....।
- ঠিক আছে যাইতেছি.... দাঁড়াই
থাক......।
- দাঁড়াই থাকতে পাড়মু না...।
- ঠিকআছে তাইলে হুইয়া থাক।
আমি আসতেছি।
- হুমমমমমমম... এবার বল কী
এমন মাইয়া দেখছিস।
- ওহহহহহহহহহ মাম্মা কী যে
কমু... না দেখলে বিশ্বাস করবি
না.....।
- তো দেখা.. কই সেই হুরপরী...।
- মাম্মা ঐ যে সামনে দেখ...
কী সু্ন্দর চুল গুলো উঁড়তেছে ...।
- সামনে দেখেই তো আমি পুরাই
অবাক.. সালা আবির হারামির
এমন সুন্দর চয়েজ কেবে থেকে হইলো।
আমিই তো পুরাই 'থ' হয়ে গেছি...
মেয়ে তো না যেনো আগুনের গোলা।
- ঐ সালা এমন হা করে কী দেখছি।
- ভাই তুই তো সত্যি একটা হুরপরী সিলেক্ট করছিস...।
- দেখলি হারামি... আর তুই আসতে
চাইলি না...।
- হুমমমমম ভাই.. কতো সুন্দর আমার পছন্দের রংয়ের শাড়িটা
পড়ছে.....দেখছি... ওহহহহ।
কিন্তুু দুঃখের কপাল আমার..
পছন্দ তুই আগেই করে ফেলছিস
ভাই...তোর জীবনে আর কী লাগে।
- ওই.. তুই কার কথা বলতেছিস...।
- ঐ যে সামনে শাড়ি পড়া মেয়েটার
কথা, যারে তোর ঝাক্কাস লাগছে..
দেখছিস ভাই চুল গুলা ও ঝাক্কাস।
- ঐ সালা... ঐ মেয়ে হতে যাবে
কেনো.. তার সাইটের মেয়েটার
কথা বলতেছি।
- কী ঐ মেয়েটা না....।
- দূর না....।
- ওহহহহহ বন্দু আই লাব ইউ..
আমি জানতাম তুই এমন নিষ্ঠুর হতেই
পাড়িস না।
- কেনো তোর আবার কী হলো।
- ঐ যে সাইটে শাড়ি পড়া যেই
মেয়েটা আছে না.. সে তো আমার দিল চুরি করে নিয়েছে ভাই।
- সত্যি....।
- হুমমমমমমমমমম।
- হে আল্লাহ্ তোমার জবাব নেই....।
দুই ঢিলে দুই পাখি....।
- এমন লাফানোর কোন দরকার
নাই মনু... হেই মেয়ে কে
তুই সেটা জানিস....।
- নাতো কে।
- আমাদের এলাকার সব থেকে
দাঙ্গাল মানুষ কে বল দেখি।
- এইটা আমার কে না জানে....
রফিক সাহেব।
- বাহ্ কী সুন্দর মনের মধ্যে নাম
খান আছে.....
হেতি তাঁর মাইয়া জানিস কিছু।
আর যাই বল আমার তো লাইন ক্লিয়ার।
- তুই কেমনে জানলি ওটা রফিক
সাহেবের মেয়ে।
- এই সাহরিয়া কাছে না সব খবর
থাকে।
- ওলে বাবা... খুঁশিতে তো একদম গদগদ হয়ে আছোস... তুই সাহরিয়া
হইলে ও ভুলে যাস না আমি
আবির... আমার কাছে ও কিছু খবর
থাকে।
- কী খবর আছে বল দেখিনি।
- তোর যেই শাড়ি পড়া হুরপরীটা
আছে না... ওটা ও বিখ্যাত
একটা মানুষের মেয়ে....।
- ওয়াও সত্যি....।
- হুমমমমমমমমমমমমমম।
- সেটা কে বলনা ভাই...।
- আরে ওই যে রাজু চৌধুরী
আছে না তাঁর এক মাত্র মেয়ে..।
- ভাই তাইলে তো মোরা একদম
জমিদার হয়ে গেছি....।
- কীইই .... কেমনে।
- আরে সালা তোর আছে পাওয়ার আর আমার আছে টাকা....।
- এমন হা করে সপ্ন দেখা বাদ
দিয়ে ভাব যে কেমনে কী করমু।
- শোন একটা বুদ্ধি পেয়ে গেছি...
আমার টার কাছে তুই গিয়ে বলবি
যে সাহরিয়া তোমারে হেব্বি ভালোবাসে... আর তোরটার কাছে গিয়ে আমি বলমু।
- ঠিকআছে... কিন্তুু শোন না ভাই..
ভুলে ও যেনো কিছু করিস না আমি
তাইলে মরেই যামু।
- ঐ সালা আমারে দেখে কী তোর ছেঁচড়া মনে হয়।
- হুমমমমম সেই জন্যই তো বলছি।
- কী হারামি রে.... ঠিকআছে
এবার যা কাজে লেগে পড়....।
এক্সকিউজ মি আপু.... একটা
কথা ছিলো... একটা মিনিট টাইম
হবে।
- জ্বী বলেন।
- আসলে মানে যেটা বলতে আসছি।
- হুমমমমমমমম।
- এই যে ছবিটা দেখেন....
এই ছেলেটা না আপনাকে
আজকে দেখে আজকেই ভালোবেসে
ফেলছে হি হি হি.....।
বলা মাত্রই দুই গালে দুইটা
কষে থাপ্পড় দিয়ে চলে গেলো।
কী পাওয়ার ভাই. আগা টু গোড়া..।
আমি বলতেই এমন ও কইলে কী
কইতো।
গিয়ে দেখি আবির চুপসে বসে আছে ব্রেঞ্চে.....।
- কীরে ভাই কী হইছে...।
- আগে বল তোর কী হইছে...।
- না আগে তুই বল।
- না তুই বল।
- ওমনি দিলাম দুই গালে দুইটা...
এই গুলাই দিছে আমারে।
বলা মাত্রই আমার নিচের বাচ্চাটারে
একটা লাথি দিলো।
- ঐ লাথি দিলি ক্যান.. ওই খানটা
চেঁপে ধরে।
- আমারে ও ঠিক এমনেই দিছিলো।
- ভাই প্রথমে ভাবছিলাম তোরটার
পাওয়ার বেশি ... এখন তো মনে হচ্ছে.. তোরটা থেকে আমারটার
দ্বিগুণ পাওয়ার.... শাড়ি পড়েই
যদি এমন লাথি দেই... প্যান্ট
পড়লে কী করবো আল্লাহ্ জানে........।
-ঠিক বলছিস ভাই... আর একটু স্পিড বেশি হইলে.. আমার
বাবা হওয়ার মেশিনটা গেছিলো।
- চেনটা খোল দেখি ভাই... একটু
দেখমু... কেমন দেখতে মেশিনটা।
- হারামি এখন তোর মজা করার সময় তাই না।
- ঠিকআছে ঠিকআছে....
ক্লাসে চল.....।
- হুমমমমমমমমম সেটাই ভালো চল।
- ভাই ঐ যে সামনে দেখ.....।
- কেনো...।
- যে তোর ভাবি হবে সে তো আমাদের ম্যাডাম...।
- মনে হয় আজকে গেছিরে...।
- তুই কী তাঁকে আমার ছবি দেখাইছিস...।
- নাতো...।
- বুকে আয় ভাই বুকে আয়... ওহহহহ
বাঁচলাম।
- তবে একটা ফটো দেখাই ছিলাম
যেটা আমার পকেটে ছিলো।
- হারামি কুত্তা.. আর কিছু দেখানোর
ছিলো না তোর।
- হ্যালো স্টুডেন্ট আমি তোমাদের
নতুন ম্যাডাম... আমার
নাম নীলা ।
এই যে তুমি সেই ছেলে না...।
নামটা যেনো কী।
- ইয়ে মানে ভাবি আবির।
- সাবাস....এই না হলে বাঘের বন্ধু।
- হোয়াট.... ভাবি মানে কী?
- না মানে ম্যাডাম সরি.. আমার
একটা ভাবির মতো দেখতে তো আপনি তাই...।
- এই যে তুমি এমন করে হাঁসছো
ক্যান।
- না মানে ম্যাডাম ভাবছি।
- কী ভাবছো শুনি।
- আসলে ওর কোন ভাবি আপনার
মতো দেখতে সেটাই।
- চুপ বেয়াদব... নাম কী তোমার।
- সাহরিয়া হি হি হি...
হায় হায় নাম তো বলে দিছি...।
- ওহহহহহ এবার মনে পড়ছে..
তুমিই সে...
ক্লাসের পড় দেখা করবে।
একটু পরে ক্লাস শেষ।
- ভাই তুই যেমনে ভাবি ডাকটা
দিছিলি... পরানডা একদম
জুরাই গেছিলো... এই খানে
দাঁড়া আমি কথা বলে আসছি..
তোরে আজকে বিরিয়ানি
খাওয়ামু...।
- সত্যি...।
- হুমমমমমমমমমম.. ঐ যে পিছনে
দেখ তোর ঝাক্কাস...।
- হি হি হি ওকে যা।
সামনে দেখি ম্যাডাম দাঁড়ানো...
দূর ম্যাডাম কী নীলা দাঁড়ানো।
- হাই নীলা...।
- ঘুরেই ঠাসসসসসস।
- ঐ নীলা কী হুমমমমম।
- না মানে ম্যাডাম... দুই গালে
হাত দিয়ে।
- হুমমমমম ম্যাডাম বলবা।
- ওকে।
- আবির যা বলছে সেটা কী
সত্যি...।
- হুমমমমমমমম মানে না না।
- যাই হোক ওসব চিন্তা মাথা থেকে
বাদ দাও... আমি তোমাদের ফিজিক্স
পাবো..
একটু দুষ্টুমি করছো তো পুরো
খাতাই লাড্ডু মনে থাকে যেনো..
বাই।
- কেমন ভরকে দিয়ে চলে গেলো।
- গালে হাত দিয়ে হা করে
আসছি....।
- কী হইছে ভাই...।
- ভাইরে ওটাতো মাইয়া না যেনো
আগুনের গোলা...।
- কপাল ভালো আমার ঐটা পছন্দ
হই নাই ... তুই যদি এমন বলিস
তা হলে তো আমি হলে কী করতাম।
- তো তোরে এমন খুঁশি খুঁশি দেখাচ্ছে
কেনো।
- নাম্বার পাইয়া গেছি মাম্মা... আমার
টা ওমন তোরটার মতো না...
আমি না গিয়ে তুই গেছিস
তাই তো তোরে মাইর দিছে।
- কী কপাল ভাই তোর....।
যাই হোক ভালো জিনিস পাইতে
একটু দাম দিতে হয়রে পাগলা।
- এটা দিয়ে কী বুঝাইলি।
- কিছু না... রাতে থাকিস
নীলা ম্যাডামের নাম্বার নিতে যামু।
- ঐ বিরিয়ানি খাওয়াবি না...।
- ওহহহহ মনেই তো নাই... চল.. বাট
আগে ২০ টাকা দে।
- কেনো।
- আরে দেনা রিক্সা ভাড়া... নাম্বার
পাইলি আর ২০ টাকা দিতে পারবি
না।
- আরে দূর না না ভাই এই নে ধর।
- থ্যাংকু.....।
রিক্সা নিয়ে... যাইতেছি...।
- রাস্তাটা কেমন চেনা চেনা লাগছে।
- হুমমমমমমমম... একটু পড়ে সব
চিনতে পারবি।
মামা দাঁড়ান.....।
- ঐ হারামি এটা তো আমাদের বাসা।
- হুমমমমমম... তোদের বাসাই
তো...।
- তোর না বিরিয়ানি খাওয়ানোর কথা।
- খাওয়ামু তো ভিতরে চল.....
সকালে আসার সময় আন্টি ফোন
করে বলছিলো যে আজকে
বিরিয়ানি করবে....... হি হি।
- আগেই জানতাম... হঠাৎ করে
তোর এমন উদারতা আসলো কই থেকে..... ছেঁচড়া....।
- হুমমমমমমমমম উপরে চল।
- আন্টি মে আগেয়া....।
- তোর অপেক্ষাই করছিলাম
যা ঐ রুমে যা..............।
- ওকে ঠিক আছে সুন্দরী ।
- চুপ শয়তার যাতো।
- মা সাহরিয়া আসলেই তুমি
আমাকে এমন ভুলে যাও কেনো।
- ভুলে যাই নারে..... সাহরিয়া
আর তুই যখন খুব ছোট ছিলি,
তখন আমার খুব বড় একটা
অসোখ হয়েছিলো....
পুরো মৃত্যুর মুখে ছিলাম...
তখন ওর মা ওকে নিজের
বুকের দুধ না খাইয়ে তোকে খাওয়াতো...
আমাকে বলতো ছাবিনা
তোর কিচ্ছু হবে নারে....
তোর ছেলে মানে আমার ছেলে,
আমার ছেলের ও যদি কিছু
হয়ে যায় তোর ছেলেকে আমার
বুকেই রাখবো।
কিন্তুু দেখ নিয়তির কী খেলা..
আজ আমরা সবাই আছি.. কিন্তুু সাহরিয়া একা.... আমি না
থেকে যদি ওর মা থাকতো
তাহলে দেখতি কতো ভালো ছিলো
ওর মা....।
এবার বল ওর মা যেমন তোকে
আগলিয়ে রাখতো তার কিছু
অংশ ও কী আমি সাহরিয়া খালি।
- সত্যিই মা ঐ সালাদের সবার মনটাই অনেক বড়ো... আর আমাদের কত ছোট দেখো... সামান্য এই টুকুতেই হিংসে করতেছি।
- হয়েছে হয়েছে এবার যা.....।
- সাহরিয়া বাহিরে আয় ।
- পারমু না দেখছিস না আমি আর আংকেল টিভিতে কার্টুন দেখছি ....।
- আয় বলতেছি.....।
- ঐ সালা কী হয়েছে.....।
ঐ জরাই ধরলি ক্যান.... আমাকে
তোর ঐ ঝাক্কাস সুন্দরী পাইছিস
হুমমমম লাত্তি দিমু কুত্তা।
- ঝাক্কাস সুন্দরীর থেকে ও
বেশিরে.......... আমার যাই হোক
না কেনো তোর কিছু হতে দিমু না।
- ডাইলগটা মনে হয় কই জানি শুনছি।
- চুপ হারামি...।
- ঠিকআছে... তোর যদি কিছু হয়
তাইলে তোর বউডা আমার নামে
করে দিসসসসস হু হা হা হা।
- সত্যিই তুই সালা একটা হারামি...
যা আমি ফ্রেস হয়ে আসছি।
রুমে এসে দেখি আংকেল সানি
লিওন এর গান শুনছে ...।
- কী আংকেল বেবি ডল তাই না।
আরে আরে লজ্জা পাবার কিছু নেই
এই বয়সে একটু আকটু জোয়ার
ভাঁটা আসে।
- তুই কী জীবনে ভালো হবি না।
- কেনো আমার মতো আর একটা ভালো পোলা পাবেন কোন হানে।
- হুমমমমমম বস...।
আচ্ছা বলতো তোর কোন
ঐটা আছে নাকি।
- হি হি হুমমম আছে তো আজকে
রাতেই ওর বাড়িতে যামু।
আর আপনার পোলার ও আছে আজকেই নাম্বার পাইছে।
- কীইইইই... প্রথম দিনেই বাড়িতে
যাবি...।
- আরে আমারটার একটু পাওয়ার
বেশি তো.... সামনা সামনি দেখা না করলে হয় না।।
এর মধ্যেই আন্টি খেতে ডাক
দিলো....।
- আহা... কী টেষ্টি... রান্না করতে
খুব কষ্ট হয় না আন্টি।
- হুমমমমম তা তো একটু হবেই।
- চিন্তা কইরেন না ... কষ্ট কমানোর ব্যবস্থা মোটামুটি কমপ্লিট..
আপনারা খালি হ্যা বললেই হবে..
নারে আবির।
- চুপচাপ খা... আবার স্যারের বাড়িতে যেতে হবে রাতে।
- স্যারের বাড়ি মানে (আংকেল)।
- আরে আংকেল ঐ যে বললাম
না আমার জন্য।
- ঐ তোর জন্য মানে (আন্টি)।
- ঐ একটা কাজ আছে.. আংকেল সব
জানে.. তাই না আংকেল।
- আরে হ্যা হ্যা...তোরা যা।
- এমন হা করে না থেকে,, তাঁড়াতাড়ি
খেয়ে চল আবার যেতে হবে।
- হুমমমমমমমমম।
রাস্তাই দুই জন হাঁটতেছি, উদ্দেশ্য
নীলা ম্যাডামের বাড়ি।
- হারামি তুই আব্বু কে ও
সব বলে দিছিস।
- তোর বাপ হইতে পারে, আমার বাপ
না যে লজ্জা পামু....।
- তাই বলে আব্বুকে বলবি... আম্মুকে বললে তাও একটা কথা ছিলো...
- তারে ও ইঙ্গিতে বুঝাই দিছি..
বাঁকিটা আংকেল বলবে।
তো তোর ঐটার নাম কী?
- নিধি ...।
- বাহ্ বেশ চমেৎকার চমেৎকার নাম,
নিধি, নীলা.... নীলা, নিধি।
- ওই যে বাড়িতে আইসে গেছি... তুই
এখানেই থাকবি... এদিক ওদিক
গেছিস তো..... তখন দেখবি।
- ভাই নিধি ফোন দিছে।
- তাইলে তো হয়েই গেলো...
এখানেই বসে বসে কথা বল।
আর আমি আসতেছি কেমন।।
- হুমমমমমমম যা....।
দেওয়াল টপকে নিচে নামলাম...
ভাবতেছি এখন কোন জানালাই
টোকা দিমু..
যা কপালে আছে দিয়া দেই একটাই...
- টোকা দেওয়ার একটু পড়েই জানালা খুলে গেলো....
ওয়াও আসল জানালাই তো টোকা
দিছি।
- হাই..... নীলা... থুক্কু নীলা ম্যাডাম।
- সাহরিয়া তুমি এখানে কেনো।
- আপনার কথা মনে পড়ছিলো
তো তাই।
- মানে কী?
- ঐ যে সকালে বললেন না যে...
মাথা থেকে আজে বাঁজে চিন্তা
বাদ না দিলে... ফিজিক্স এ
লাড্ডু দিবেন।
- হুমমমম বলছিতো।
- হি হি সেটাই তে আমি চাই..
যত ফেল করে দিবেন ততো
আপনার সাথে দুষ্টুমি করা হবে।
আর প্রতিদিন ক্লাসে দেখা হবে
তোমাকে....
আর একটা ভালো দিক আছে
আমার।
- সেটা কী শুনি...।
- আমি ফিজিক্স এ এমনিতে ও লাড্ডু।
তাই বলছিলাম যে যদি নাম্বারটা
দেন... আর একটু ফিজিক্স এর
সাথে কেমিস্ট্রি ও করাতে তাহলে
আমি ও টপকে যাই আর.........
সব তো বললাম।
- ওহহহহহহহহহহ এই ছেলে তো
আমাকে পাগল করে দিবে।
- নাম্বারটা দেন না।
- হুমমমমম নাও।
- হাতে লিখে দাও .....।
আহা কী নরম হাত ওহহহহুু....।
- যাও ফাজিল।
- ওকে টাটা... বসাই গিয়ে
এস এম এস করবো।
নিচে নেমেই মাথাই দুষ্টুমি বুদ্ধি
আটলো .....
শ্বশুর মশাই... আই আম হেয়ার
বাট এখন যাইতেছি.... হি হি হি।
- ঐ কেরে কে ওখানে।
- পাঁচিল টপকে দিলাম দৌঁড়...
আবির ভাগ...ধরা খাইলে কিন্তুু
আমার কোন দোষ নাই।
এর মধ্যে তো আমি আর নীলা সেট... আবির আর নিধি ও সেট হয়ে গেছে।
কিন্তুু সুখের সময়ে... ভিলেন
হয়ে আসলো.... নিধির বাবা..
আবির তো কেঁদে শেষ।
- ভাই নিধিরে ছাঁড়া তো আমি বাঁচমু না।
- আরে আমি আছি কী করতে...
কবে বিয়ে বল...।
- কালকে বিয়ে।
- ঠিক আছে সব হয়ে যাবে, তুই বাড়িতে
রেডি থাকিস।
- হুমমমমমমমম।
এর মধ্যে শুনি নীলার ও বিয়ে
কালকে.. কিন্তুু আমি তো ওরে
ভালবাসি কইতেই পারি নাই ..
ওত শত ভেঁবে লাভ নাই
বিয়ের পড়ে ভালবাসি বলমু।
আসল কথা হচ্ছে আবির কে
কিছুই বলা যাবে না... সব প্লান
আমাকে একাই করতে হবে।
নিধির বাবা যে হেতু দাঙ্গাল সেহেতু
ওকে এমন টাইমে তুলে আনতে
হবে যাতে কেউ কিছু না বুঝে...
আর একবার বিয়ে হলে তো কেল্লাফতে।
যেই ভাঁবা সেই কাজ প্রথমে নীলার
বাড়িতে গেলা....
ওর রুমে ঢুকলাম...
- সাহরিয়া তুমি।
- আমাকে ছেঁড়ে চলে যাচ্ছিলে
হুমমমম।
- আরে আমি কী করবো।
- আমি তো আছি... যাবে আমার
সাথে।
- হুমমমমমমমমমমম, চলো।
- আর একটা কাজ আছে....
- কী কাজ...।
- নিধির ও আজকে
বিয়ে .. আবির তো ওই দিকে শেষ।
- আরে নিধির বাবা আমার আংকেল
হয়... তুমি বাইরে বাইক নিয়ে থেকো
আমি নিধিকে বাইরে নিয়ে আসবো।
- হি হি এই না হলে আমার বউ...
জানতাম তোমারে তুললে একটা
বুদ্ধি বের হবেই...
এমনি এমনি তো আর ফিজিক্স এর
ম্যাডাম হও নাই....।
- চুপ ফাজিল...।
- চলো তাহলে......।
এর পড়ে নিধিকে ও তুলে নিলাম...
এক বাইক একটা হিরো আর দুইটা
নাইকা....
পুরাই হিরোর মতো এন্ট্রি মারলাম...
ঐ ভালো করে ধরো... আমি
আবার কিন্তুু অনেক ভালো চালক।
আবির এর বাসাই চলে গেলাম...
- মাম্মা এই দেখ সবাইরে
নিয়া আসছি....।
- আমি জানতাম তুই পারবি।
কী হারামি রে ভাবিরে ও নিয়ে
আসছিস...।
- তো কী করমু.... তুই বিয়া করবি
আর আমি আঙ্গুল চোষমু....।
আংকেল.... কাজিরে নিয়ে
আসেন তাঁড়াতাড়ি ....।
- এটা ও আব্বুরে বলছিস।
- হুমমমমমমম তোরে বলে লাভ
নাই তো।
- আরে দাঁড়া একটু নিয়া আসছি।
- দাদু তাঁড়াতাড়ি বিয়েটা সাইরা
দিন... কী যে বলি না আমি.. কাজী
সাহেব বিয়েটা সেরে ফেলুন।
এর মধ্যেই নিধির দাঙ্গাল বাবা হাজির....।
- ঐ কে আমার মেয়েকে তুলে
নিয়ে আসছিস।
- এক মিনিট দাঁড়ান....।
- হ্যালো আব্বা কই তুমি...
এই দিকে তো নিধির বাবা
দল বল নিয়ে চলে আসছে...
- একটু দাঁড়া আমি চলে আসছি।
আমার বাপ ও হাজির....
- কোন রফিক.. আমার ছেলের
বিয়ে আটকাইতে আসছে।
- বাবা ঐ যে সামনে...।
- হুমমমম আমি দেখতেছি...
বাহিনি অ্যাটাক....।
- আরে হাবিবুর ভাই তুমি....।
- হুমমমমমমম।
- সাহরিয়া তোমার ছেলে বলবা না।
- আমি কী জানি, তোর মেয়েকে
আমার ছেলে পছন্দ করে।
- আরে বাবা ওনার মেয়ে না...
এইটা আমার।
- আরে আবির ও তো আমার ছেলেই।
একটু পড়ে নিলার বাবা ও হাজির..।
- কই আমার মেয়ে কই...।
- আরে মশাই আমিই আটকাতে
পারি নাই আর আপনি (রফিক সাহেব)।
- তাহলে.... সবাই যখন রাজি..
আমি আর কী করমু.....।
- সালা তোর নিজের বাপরে ও
কইছিস.... আস্তে আস্তে।
- আমি তোর মতো বালিস
জরিরে ধরা পোলা না বুঝলি।
কাজী সাহেব তাহলে বিয়ে
শুরু করে দিন.... (আবির এর বাবা)
বিয়ে হয়ে গেলে।
রাতে ছাঁদে আমি আর নীলা দাঁড়াই
আছি।
- বউ... কী ঝামেলার পড়ে
তোমারে পেলাম ওহহহহহহহ
এবার তো পাপ্পি দিয়া একটু ক্লান্তি
দূর কইরা দাও।
একটা পাপ্পি দেওয়া শেষ...
এমন সময় আবির আর নিধি
হাজির....।
- কীরে ভাই শান্তি মতো কী একটু
পাপ্পি ও খাইতে দিবি না হুমমমমমমম।
সবাই তো এক সাথে হেঁসে
উঠলামমমমমম হি হি হি।।।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now