বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
ফরীদুন বাদশাহর বালাখানার উপর খোদাইকৃত ছিল , গল্প থেকে শিক্ষা :
X
ফরীদুন বাদশাহর বালাখানার উপর খোদাইকৃত ছিল-
হে ভাই! পৃথিবী কারো জন্য চিরস্থায়ী বাসবাসের জায়গা নয়, এখানে সকলেই মুসাফির। অতএব, তোমার অন্তর সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিবদ্ধ কর এবং তা যথেষ্ট অনুধাবন কর। এ সুন্দর পৃথিবীর বুকে কোন কিছুর ভরসা করো না। কেননা প্রাণ যখন চলে যাবার জন্য প্রস্তুত হবে, তখন বালাখানায় মৃত্যু হওয়া আর মাটিতে মৃত্যু হওয়া তো একই কথা।
খোরাসান রাজ্যের এক বাদশাহ সুলতান মাহমুদ ইবনে সবুক্তগীনকে স্বপ্নে দেখলেন, তার সারা শরীর টুকরো টুকরো হয়ে পঁচে গলে মাটির সাথে মিশে গেছে। কিন্তু শুধু চোখ দুটি কোটরের মধ্যে ঘুরছে এবং তিনি চারদিকে নজর করে দেখছেন। এ স্বপ্নের তাবির বর্ণনা করতে পারলেন না। কিন্তু একজন দরবেশ সেখানে গিয়ে উক্ত স্বপ্নের তাবির বলে দিলেন, সুলতান মাহমুদ কবরে বসে দেখছেন, তাঁর রাজ্য অন্যের হাতে পরিচালিত হচ্ছে।
শিক্ষা : সুতরাং এই দুনিয়ার ধন সম্পদ, রাজত্যের পিছনে নিজের জীবন ব্যায় না করে আখেরাতের সম্ভল অর্জন করে পাঠানোই উত্তম।
গল্প থেকে শিক্ষা
আলতামাশ বাদশাহর ঘটনা
কবি শেখ সাদী রহ. বলেছেন, আলতামাশ বাদশাহর দরবারে এক পেয়াদার পুত্রকে দেখলাম, ছেলেটি খুবই বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী বলে মনে হল। তার সম্মান ও জ্ঞানের তীক্ষèতা সকলের চেয়ে বেশি। শৈশবকাল থেকে মহৎ ও বড় হওয়ার নমুনা তার চেহারায় ফুটে উঠেছিল।
তার মাথায় বিচক্ষণ জ্ঞানের নমুনা ফুটে উঠেছিল। উচ্চ সম্মানের উজ্জ্বল তারকা ঝিকমিক করছিল।
অবশেষে বাদশাহর দৃষ্টি পড়ল তার ওপর। যেহেতু তার বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য ফুটে উঠেছিল। জ্ঞানী লোকেরা মন্তব্য করেছেন, মানুষ অন্তঃকরণের কারণে ধনী হয়, টাকা পয়সা দিয়ে ধনী হওয়া যায় না এবং কামালিয়াত জ্ঞান দিয়ে অর্জিত হয়, বয়স দিয়ে নয়।
যদি আল্লাহর নেক নজর থাকে, তাহলে শত্র“ কি করতে পারে? বাদশাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “ তোমার ওপর তাদের শত্র“তা করার কারণ কি?” সে বলল, জনাবের সাম্রাজ্যের ছায়ায় যারা আছেন, তারা সকলকে সন্তুষ্ট। কিন্তু হিংসুকগণ কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারল না; যতক্ষণ আমার নেয়ামত সমূহ দূর না হবে; ততক্ষণ পর্যন্ত তারা আমার ওপর সন্তুষ্ট হতে পারবে না।
আমি কারো মনে কষ্ট দিতে চাই না। হিংসুকদেরকে আমি কি করব? তারা নিজেরাই দুঃখ কষ্টে পুড়ে যায়। হে হিংসুকগণ! মৃত্যুবরণ কর, তাহলে তোমাদের হিংসার আগুন থেকে মুক্তি পাবে। কেননা, তোমাদের দুঃখ কষ্ট মৃত্যু ছাড়া দূর হব না।
হিংসুকেরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে, সৌভাগ্যবানদের নিয়ামত ও সম্মান দূর হয়ে যাক। যদি দিনে চামচিকা অথবা বাদুর চোখে না দেখে, তাতে সূর্যের আলোর কি দোষ? তুমি যদি সত্য চাও, তাহলে সূর্য অন্ধকার হওয়ার চেয়ে ঐ রকম হাজার হাজার চোখ অন্ধ হয়ে যাওয়া উত্তম। শিক্ষা : হিংসা ধ্বংসের মূল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now