বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কোচিং কিংবা টিউশনি করিয়ে নিজের খরচ যখন
নিজেকেই মেটাতে হয় তখন এমবি কিনে ফেসবুক
চালানোর সাহস মিলিয়ে যায় বাষ্পের মতই।
.
ছাত্রের বড় বোনের বিয়ে টাইপের অনুষ্ঠান গুলো
আমাদের মত মধ্যবিত্ত ছেলেদের কপালে ভাজের
সৃষ্টি করে।
গিফট্ দিতে গিয়ে বেশ কয়টা টাকা খসে যাবার পর
মন খারাপের পরো মুখে কৃত্রিম হাসি টেনে ঐ
অনুষ্ঠান গুলোতে সেলফি তুলে তা ফ্রি ফেসবুকে
আপলোড করা ছাড়া বিকল্প কোন উপায় থাকেনা।
.
ব্লেড দিয়ে শেভ করার পর ব্লেডের সার্পনেস্ ভোঁতা
হয়ে যাবার পরো পুনরায় ঐ ব্লেড দিয়ে শেভ করাটা
আমাদের মধ্যবিত্তের অভ্যাস।
ফ্রি ফেসবুক চালানোটাও ঠিক তেমনি এক অভ্যাসে
পরিনত হয়েছে।
জ্বালা আছে মাগার করার কিচ্ছু নাই।
.
একটা গার্লফ্রেন্ড পোষা আমাদের কাছে একটা
হাতি পোষার সমতুল্য।
সেখানে এমবি কিনে ফেসবুক চালানোটা তো
হাতির উপর লবনের বোঁঝা স্বরুপ।
.
আমাদের কাছে পাঁচ টাকা বাঁচানোর অর্থ হলো
টংয়ের চাস্টলে এক কাপ চা খাওয়া আর তার
বিনিময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলা দেখা।
ফ্রি ফেসবুক চালিয়ে আর যাই হোক নূন্যতম পাঁচটা
টাকা তো ডেইলি বেঁচে যায়।
.
লিখি আর লেখা পড়ি, কারো সুরত দেখার জন্য
ফেসবুকে আসি না তার চেয়ে বড় কথা হলো আমি ভাই
মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।
.
আমরা মধ্যবিত্ত!
পায়ের চটি স্যান্ডেলেই মোদের সুখ,
মোরা চালাই ফ্রি ফেসবুক।
.......
লিখা:
Ashraful islam
(নাটোরের কাঁচাগোল্লা)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now