বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন-৩

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X "ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন" মেরি শেলি অনুবাদ: সুনীলকুমার গঙ্গোপাধ্যায় ---------------------------- তিন ☆☆☆অদ্ভুত এক সৃষ্টি☆☆☆ সমস্ত দেহটা যেন হঠাৎ একসময়ে কেঁপে উঠল। চোখদুটো যেন ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইছে! তবে কি মড়া বাঁচল? তার সাধনা কি সফল হল? না, চোখের দৃষ্টি নিম্প্রভ। চোখ দেখে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। সে জীবিত না মৃত। তিনি অধীর আগ্রহে সেই মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে রইলেন। হাতটা একবার যেন নড়ে উঠল। পরীক্ষণেই মৃতদেহটি তার হাত তুলতে চেষ্টা করল। হাতটি কিছুদূর উঠে আবার পড়ে গেল! তিনি আনন্দে চিৎকার করে উঠলেন! যুগ যুগ ধরে সমগ্র মানবের যে কামনা ছিল-মানুষের প্রাণদান—তাই আজ তিনি সফল করেছেন। মড়া বেঁচেছে!!! চোখদুটো কিন্তু এখনো তেমন পীতাভ, তেমন স্থির, জ্যোতিহীন, নিম্প্রভ। হাত-পা—সবই অসাড়। যেন যোগাবিষ্ট হয়ে শুয়ে আছেন এক মহামানব। আর কত সময় লাগবে? বাঁচবে কখন, জাগবে কখন তাঁর সৃষ্ট এই মানুষ? গাঁ...গাঁ...গাঁ… গাঁ...গাঁ...গাঁ... অস্ফুট এক শব্দে তিনি চমকে ওঠেন। সেই মড়াটির গলার ভিতর ঘড়ঘড় করে ওঠে। তারপর আস্তে আস্তে তার হাত নড়ে উঠল। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন তার হাত এগিয়ে দিলেন তার দিকে। সে তার দুটি আঙুল দিয়ে সজোরে ধরল তাঁর হাত। তিনি অসহ্য যন্ত্রণায় হাত ছাড়িয়ে নিলেন। হাতে তার কালশিরা পড়ে গেছে। কী অমানুষিক শক্তি তার হাতে! এত শক্তি তিনি তার দেহে সঞ্চারিত করতে পেরেছেন? একবার তাঁর ভয় হল—যে এখনো ভালোভাবে বাঁচেনি, তারই যখন এত শক্তি যে সামান্য দুটি আঙুলের জোরে সে তার হাতে কালশিরা ফেলে দিতে পারে—সে যখন বাঁচবে তখন সে তো অজেয় হয়ে উঠে যেখানে-সেখানে যা-খুশি তাই করে বেড়াবে, তাকে কেউ বাধা দিতে পারবে না—এমনকি নরহত্যাও করে বেড়াতে পারবে। কিন্তু তারপর মনে হল: শক্তি তার হবেই, কিন্তু সে বেঁচে উঠলে মানুষই হবে। —তার শক্তির অপপ্রয়োগ সে তো না করতেও পারে। তার সাধনাও তো এক শক্তিশালী অতিমানুষ তৈরি করা! গাঁ...গাঁ...গাঁ... গাঁ...গাঁ...গাঁ... তীক্ষ্ণ চিৎকারে চমকিয়ে ওঠেন তিনি। টেবিলের উপর শুয়ে শুয়ে সেই মড়াটি ছটফট করছে। চোখদুটো তার ঠেলে যেন বেরিয়ে আসছে—নাক দিয়ে তার ফোঁস ফোঁস শব্দ হচ্ছে। মড়া জাগে-মড়া জাগে!— মড়াটি আবার চিৎকার করে উঠল। তারপর ধীরে ধীরে মড়াটি হাত তুলল, আবার টেবিলের উপর রাখল। হাঁ করে দাঁত বের করতে লাগল-তারপর ধীরে ধীরে পা তুলল। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন একদৃষ্টি তার দিকে নীরব বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন। মড়াটি এবার আস্তে আস্তে উঠে টেবিলের উপর বসল। একবার চারপাশে ভালোভাবে তাকিয়ে দেখল। এ সে কোথায় এসেছে? এই ঘর, এই বাড়ি—এর মধ্যেই কি সে মানুষ হয়েছে? চারদিক অন্ধকার, বাইরে সারা আকাশ কান্নায় ভেঙে পড়ছে। দিকচক্রবালরেখা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে কুয়াশায়। মড়টি একবার পরিপূর্ণভাবে শীতল বাতাস অনুভব করল। তারপর টেবিলের উঠে দাঁড়াল। তার দৃষ্টি পড়ল ডক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের ওপর। চোখদুটো তার আনন্দে জুলে উঠল। তার স্রষ্টা!! তাঁর ভগবান! তার মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠল, কিন্তু তার স্রষ্টার মুখ ওরকম পাণ্ডুর কেন? চোখেমুখে ভয়ার্তা বিহ্বলতা কেন? সে টলতে টলতে এগিয়ে গেল ডক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন, তার স্রষ্টার দিকে। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন আর থাকতে পারলেন না। দুহাত দিয়ে চোখ ঢেকে দরজাটা জোরে ভেজিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। মড়াটি তখন দরজার ওপর প্ৰচণ্ডবেগে ধাক্কা দিচ্ছিল। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন ক্ষোভে দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে তাঁর শোবার ঘরে এসে বিছানায় শুয়ে পড়লেন। এ কী হল? প্রাণসঞ্চারের সঙ্গে সঙ্গে এত সুন্দর মূর্তি এত কুৎসিত হয়ে গেল কী করে? এত সুন্দর চোখে তার ওই বীভৎস দৃষ্টি সে পেল কী করে? তাঁর আজীবন সাধনার ব্যর্থতার কথা মনে করে তিনি কাঁদতে লাগলেন। হল না, কিছুতেই মানুষ হল না—শেষপর্যন্ত কি না তিনি এক পিশাচ গড়ে ফেললেন! তাঁর ভয় হতে লাগল, যখনই মড়াটি এক পা এক পা করে টলতে টলতে হাঁটবে, তখনই তার শরীর থেকে গলিত মাংসখণ্ড এপাশে ওপাশে ছড়িয়ে পড়বে—আর ওর পোশাকের মধ্যে যে শবকীট কিলবিল করছে, সমস্ত পৃথিবী জুড়ে সেগুলো ছড়িয়ে পড়বে। বিছানায় শুয়ে শুয়ে তিনি ভাবতে লাগলেন তাঁর এই শোচনীয় ব্যর্থতার কথা। মাঝে মাঝে মনে করেন, ও-কথা আর ভাববেন না। তাই জোর করে ভারতে বসেন বাড়ির কথা-তাঁর বাবা তাঁকে বারবার করে বাড়িতে ফিরতে লিখেছেন। ছোটভাই আর্নেস্ট তাঁর আঁকাবাঁকা হস্তাক্ষরে একই কথা লিখেছে। উইলিয়ম লেখেনি, লিখতে পারলে নিশ্চয়ই ওই একই কথা লিখত। আর এলিজাবেথ! এলিজাবেথ লিখেছে— শবরীর প্রতীক্ষা করছে সে। হঠাৎ তাঁর মনে হল এলিজাবেথ যেন তাঁর সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। তিনি তাকে কাছে টেনে নিয়ে আদর করছেন।—কিন্তু এ কী! এ তো অনিন্দ্যসুন্দরী এলিজাবেথ নয়, এ যেন এক বহুদিনের মৃত কুশ্ৰী শব। আতঙ্কে তাঁর সমস্ত শরীর আড়ষ্ট হয়ে উঠল। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে উঠল। ▪▪▪▪▪▪▪ টেবিলের উপর রাখা বাতির অল্প আলো ঘরটাকে আবছায়া করে তুলেছে। হঠাৎ তিনি দেখেন জানলা ভেঙে তাঁর জীবন-ভোর সাধনার ফল, তাঁরই অতুলনীয় সৃষ্টি সেই মড়টি সেই ঘরে প্রবেশ করল, তারপর তার অস্থি-সর্বস্ব আঙুল দিয়ে তার মশারি তুলে ধরল। ভয়ে তখন তাঁর দিকে একদৃষ্টি তাকিয়ে রয়েছে। কী নিম্প্রভ তার চোখ-যদি তাকে চোখ বলা যায়! তার চোয়ালদুটো খুলল, আস্তে আস্তে মুখ হাঁ করল, কালো ঠোঁটের মাঝখান দিয়ে সাদা দাঁতগুলো ঝকঝক করে উঠল। তারপর সে যেন কী বলার চেষ্টা করল—কিছুই তিনি বুঝতে পারলেন না। সেই জীবন্ত কঙ্কালের মুখ দিয়ে শুধু বের হল খটু খটু করে কতগুলো শব্দ, যেন সমস্ত হাড়গুলো তার প্রচণ্ড বাতাসে নড়ে উঠল। কোনো মানুষই এইরকম এক অপার্থিব জানোয়ারকে সহ্য করতে পারে না, ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনও আর সহ্য করতে পারলেন না। ভয়ে ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে তাড়াতাড়ি লেপ দিয়ে সর্বাঙ্গ ঢাকা দিলেন। কী বিভীষিকা সৃষ্টি করেছেন তিনি! লেপে একটু টান পড়াতে তিনি বুঝতে পারলেন যে সেই দৈত্যটা তা টেনে খুলতে চাইছে। তাই তিনি জোর করে সেটি টেনে ধরে থাকলেন। ধীরে ধীরে লেপের ওপর টান চলে গেল। চারদিক নিস্তব্ধ রইল কিছুক্ষণ। তারপর খটখট শব্দে তিনি বুঝতে পারলেন সেই কঙ্কালটি চলে গেছে। তবু ভয়ে তিনি স্থির থাকতে পারলেন না-কখন আবার সেই পিশাচ এসে পড়বে! কান পেতে তিনি সজাগ হয়ে রইলেন, কিন্তু কোনো শব্দই আর পেলেন না। ভয়ে তাঁর বুক ধুকধুক করতে লাগল। মানুষের বদলে এ তিনি কী সৃষ্টি করেছেন? সৃষ্টির এ কী বিজাতীয় পরিহাস! ▪▪▪▪▪▪▪ কখন একসময় ক্লাস্তিতে ও আতঙ্কে তার ঘুম এসেছে, কিন্তু সেই ঘুমে কী যন্ত্রণা! মনে হল যেন লক্ষ লক্ষ নরকঙ্কাল হঠাৎ জীবন্ত হয়ে উঠে সমস্ত পৃথিবী মাড়িয়ে, ভেঙেচুরে খানখান করে দিচ্ছে। মানুষের রক্তে এই শ্যামল পৃথিবী রাঙা হয়ে উঠছে, তিনি একা সেই রক্তসাগরে দাড়িয়ে এই তাণ্ডবলীলা দেখছেন, আর তারা তার দিকে তাকিয়ে বলছে-হে প্ৰভু, হে স্রষ্টা! তুমি দ্যাখো, তুমি দ্যাখো—তোমার সৃষ্টি পৃথিবীর কী সৌন্দর্য এনে দিয়েছে! তুমি যা চেয়েছিলে তা পেলে কি না! হঠাৎ তীক্ষ্ণ আৰ্তনাদে তাঁর ঘুম ভেঙে গেল। ধড়মড় করে তিনি উঠে বসলেন তাঁর বিছানায়। পাগলের মতো ছুটতে ছুটতে এলেন ডক্টর নীল-চোখদুটো আতঙ্কে ফ্যাকাশে হয়ে উঠেছে, মুখের সমস্ত রক্ত ব্লটিং দিয়ে কে যেন নিঃশেষ করে মুছে নিয়েছে। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনকে দেখে তিনি বললেন—ভূত,ভূত! ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন বালিশে মুখ গুজে কাঁদতে লাগলেন—ভূত নয়, ভূত নয়, ডক্টর নীল! আমার সৃষ্টি অতিমানব। উহ, আমি কী করেছি! মানুষ গড়তে গিয়ে আমি এক পিশাচ গড়েছি! ভয়ে বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে গেলেন ডক্টর নীল। বললেন—এ সেই—সেই— ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন উঠে বসলেন, বললেন—হ্যাঁ, সেই। এতদিনের প্ৰচেষ্টা, এতদিনের সাধনা—সব মিথ্যা, সব ব্যর্থ হয়ে গেল। কী নিদারুণ পরাজয়, ডক্টর নীল। কিছুক্ষণ দুজনেই নীরব। হঠাৎ সোজা হয়ে উঠে বসে। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন বললেন—চলুন। দেখা যাক আমরা ওকে কী করতে পারি। দুজনে ধীরপায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। দেখেন সেই পিশাচটা টলতে টলতে একটা ঘরে পায়চারি করে বেড়াচ্ছে। তার পায়ের নিচের সমস্ত মেঝে যেন মটমট করে উঠছে। পিশাচটা তাদের দেখে থামল। সেই বিবৰ্ণ পীতাভ চোখদুটো যেন কেমন হয়ে উঠল! সে আস্তে আস্তে দুটো হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের দিকে এগিয়ে আসতে লাগল। অস্থিসার মুখটা বোবা কথায় শুধু খটখট করে উঠল। তারা বিপদ গণলেন। ওই পিশাচের শক্তি- পরীক্ষা আগেই হয়ে গেছে। পিশাচটাকে এগিয়ে আসতে দেখে তারা পিছু হটতে লাগলেন। ডক্টর নীল আর পারলেন না, একটা চেয়ার তুলে নিয়ে সজোরে ছুড়ে মারলেন ওই দৈত্যটাকে। এই হঠাৎ-আঘাতে দৈত্যটা থমকে দাঁড়াল। মুখ দিয়ে বের হল এক তীক্ষ্ণ আর্তনাদ, তারপর দুহাত বাড়িয়ে সে দুজনের দিকে তেড়ে এল। চোখের দৃষ্টি তার যেন আরো নিম্প্রভ, আরো করুণ হয়ে এসেছে। বাইরে বেরিয়ে এসে তাঁরা দরজা বন্ধ করে দিলেন। দৈত্যটা দরজা খোলার জন্য সজোরে ধাক্কা দিচ্ছে। ঘরের ভেতর রাগ ও ক্ষোভের চাপা গর্জন শোনা যাচ্ছে। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন ছুটলেন দুটো হান্টার আনতে। ডক্টর নীল গেলেন তার কুকুর স্পার্কিকে আনতে। হান্টার আর কুকুর এনে তাঁরা দরজা খুলেই দরজার দুদিকে লুকিয়ে পড়লেন। দানবটা দরজা খুলে বাইরে এল। স্পার্কি সঙ্গে সঙ্গে তার ঘাড়ের উপর লাফিয়ে পড়ল; কিন্তু দৈত্যটা তাকে ঘাড় ধরে সজোরে আছড়িয়ে ফেলল। মাটির উপর। তার আর নড়বার সামর্থ্য রইল না। সে আতঙ্কে ও বেদনায় কেউ কেউ করে করুণ নয়নে ওই অদ্ভুত জীবটির দিকে তাকিয়ে রইল। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন এবং ডক্টর নীল হান্টার দিয়ে তাকে সপাং-সপাং করে মারতে লাগলেন। যন্ত্রণায় এবং রাগে সে আর্তনাদ করে উঠে দুহাত বাড়িয়ে দিল তাদের ধরবার জন্য—কিংবা হয়তো সে আকুল মিনতি জানাতে চাইল। এই অত্যাচারের হাত থেকে নিস্কৃতি লাভের! কিন্তু হান্টারের অসহ্য পিটুনিতে সে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠল। কোথায় যাবে সে? কোথায় গিয়ে সে লুকোবে? তাঁরা দুজন নিষ্ঠুর করালের মতো হান্টার চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আর সে বেশিক্ষণ এই হান্টারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারল না—টলতে লাগল। তার হাত কাঁপছে, পা কাঁপছে। অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করে সে পড়ে গেল। পাশেই কুকুরটা ভয়ে কেউ কেউ করছিল। জ্ঞান হারাবার আগে দানবটা একবার তার হাত বাড়িয়ে কুকুরের গলা টিপে ধরল। স্পার্কি আর চিৎকার করতেও পারল না। তাঁরা দুজন নির্বাক হয়ে দাঁড়ির্য়ে রইলেন। (পরবর্তী পর্ব সন্ধ্যা ৭-৮ এর মধ্যে) ------------------------------ ।। একাকী কন্যা ।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন-৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now