বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
রেল-স্টেশন এর পথটা ধরে হাটছিলো নীহারিকা।
হটাৎই একটা ধাক্কা অনুভব করলো সে। পিছে ফিরে
দেখে অয়ন।
.
অয়ন কিরে নিহা তুই এখানে ?
.
নীহারিকা : এমনেই । হাটছিলাম।
.
অয়ন : কতক্ষন হতে ডাকছি। কোনো সারা দিচ্ছিস না যে ?
.
নীহারিকা: সরি। শুনতে পাইনি।
.
নীহারিকার মনটা আজ অনেক খারাপ। প্রান্ত
এর সাথে আজ ওর ব্রেকাপ হয়ে গেছে।
.
কত করে বলেছি তুমি অয়নের সাথে কথা বলব না।
.
দেখো প্রান্ত , অয়ন আমার ছোট বেলার ফ্রেন্ড। ছোট
হতে আমরা এক সাথে বড় হয়েছি।
ও জাস্ট আমার ফ্রেন্ড। অন্য কিছু না।
.
তোমাকে বলেছি আর ওর সাথে কথা বলব না।
ব্যাস বলবা না। আমি আর কিছু শুনতে চাই না।
.
ঠিক আছে বলবো না।
.
অয়ন নীহারিকার ছোটবেলার বন্ধু। সুখে
দুঃখে সব সময় ২ জন দু জনের পাশে ছিল।
কিন্তু আজ সব কিছু ভুলে দূরে সরে যেতে হবে ?
নীহারিকা তা মেনে নিতে পারছে না।
.
আর একটু হলেই ট্রেইনের নিচে কাটা পড়তে হতো
নিহা কে। আজ ও অয়ন ই বাঁচিয়েছে ।
.
আসলে ছোট বেলা হতে এভাবেই সব কিছুতে অয়ন ই
নিহা কে হেল্প করে আসছে।
.
নিহা যানে অয়ন নিহাকে অনেক ভালোবাসে।
কিন্তু নিহা অয়নকে শুধু বন্ধু ই ভাবে। বন্ধুত্ব নষ্টের
ভয়ে অয়ন আজ নিহাকে জানায়নি তার ভালোবাসার
কথা।
.
প্রান্তর সাথে নীহারিকার রিলেশান তা হয় একটু অদ্ভুত ভাবে।
একদিন নিস্তব্ধ দুপুর এ নীহারিকা হাটছিলো নীরব এক
রাস্তা ধরে। হটাৎ করে একটা ছেলের আগমন থমকে
দেয় নিহাকে। নিহাকে কইছে বলার সুযোগ না দিয়ে
নিজেই বলতে শুরু করে " দেখো
বালিকা , প্রথম দেখায় তোমাকে আমার ভালো লেগে যায়।
এটা কি ভালোবাসা
কিনা আমি বলতে পারছিনা। আমি সাতদিন সময় নিচ্ছি তোমার কাছ থাকে।
সাতদিন পর আসে তোমাকে যানাবো , তোমাকে আমি ভালোবাসি কিনা। "
.
এর আগেও নিহা অনেক প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছে। কিন্তু এমন অদ্ভুত ভাবে কেও ই
তাকে প্রস্তাব দেয় নি।
.
ছেলেটার জন্য এক অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করে নীহারিকার।
তাই আর সে না করতে পারে নি।
.
রিলেশানের এক বছর ভালোই কাটে তাদের। বছর পেরুতেই
না পেরুতে প্রান্তর পরিবর্তন ধরা দেয় নিহার চোখ এ।
.
প্রথম প্রথম অয়নের সাথে বন্ধুত্বটা প্রান্ত মেনে নিলেও
ইদানিং তা মানতে পারে না প্রান্ত। তাই নিহাকে অনেক মানুষিক
চাপে রাখে।
.
প্রান্তকে ভালোবাসে নিহা। তাই বলে অয়নকে ছেড়ে দিয়া
সম্ভবনা নিহার দ্বারা।
.
নাহ। নিহা আর ভাবতে পারছে না। কি করবে সে ? অয়নের সাথে
বন্ধুত্ব নষ্ট করে দিবে নাকি প্রান্তর সাথে। যে করেই হোক আজ নিহাকে
একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। এভাবে করে বাঁচা যায়
না। তাই আর আগে পিছে না ভেবে
প্রান্তর সাথে ফাইনালি ব্রেকাপটা করে নেয়।
.
আর একটু হলেই তো ট্রেইনের নিচে কাটা পড়তি। কি হয়েছে তোর ?? (অয়ন)
.
আমাকে ভালোবাসিস ? (নিহা)
.
হটাৎ নীহারিকার মুখ এ এমন কোথায় অয়ন চমকে উঠে।
.
হটাৎ এই কথা ? (অয়ন)
.
ভালোবাসবি আমাকে ? (নিহা)
.
প্রান্ত ভাইয়ার সাথে প্রব্লেম হয়েছে ?
.
আমি ওর সাথে ব্রেকাপ নিয়েছি।
.
কিন্তু কেন?
.
তোকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো না।
.
কিন্তু তুই তো প্রান্তকে ভালোবাসিস।
হুম বাসি। কিন্তু ও আমাকে বাসে না। যদি
আমাকে ভালোইবসতো তাহলে তোর থাকে আমাকে
দূরে সরিয়ে রাখতে চাইতো না। ভালোবাসবি আমাকে? রাখবি সারাজীবন
তোর পাশে ?
.
রাখতে পারি। যদি তুই চাস।
.
কখনো যদি চলে যেতে চাস না তাহলে ঘুষি দিয়ে তোর
নাক ফাটিয়ে দিবো।
.
কক্ষনো যাবো না এই পাগলিটাকে ছেড়ে।
.
ভালো থাকুক এমন ভালোবাসা গুলো আর ভালো থাকুক
ভালোবাসার মানুষ গুলো।
Happy ending
>
Writter :tanjib britto
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now