বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ফেইক গার্ল

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Tuhin (গ্যাংস্টার) (০ পয়েন্ট)

X এক জায়গায় বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এমন সময় ইমন এসে সবাইকে চুপ করতে বলল। তারপর আমাকে দাঁড় করিয়ে বলল ' এতদিন কি মাথার ফেসবুক চালাইছস একটাও প্রেম করতে পারিস নাই। আর আমি মাত্র তিনমাসে করে ফেলছি। ' আমাকে খোঁচা দিয়ে আবার বলল ' রাতে পার্টি হবে মন খারাপ করিস না। ' আমি চুপ করেই থাকলাম আর সবাই হাসাহাসি করছে। . ইমন পড়ালেখা ছাড়া কিচ্ছু বুঝেনা। তিন মাস হল ফেসবুক আইডি খুলল। দেখতে মাশাল্লাহ বাপের টাকাও আছে। আসলে মনে মনে একটু ঈর্ষাও হচ্ছিল। যাহোক রাতে পার্টি হল। ইমন সারাক্ষণই ফোনে চ্যাটিং নিয়ে ব্যাস্ত। . পরেরদিন বললাম ' ভাই তুই তো আমার ভাই। তুই তো আমার বন্ধু। আমাকে একটা কথা বল। মেয়ের ফোন নাম্বার আছে তোর কাছে? মেয়ের সাথে ফোনে কথা হইছে? ' বললাম না মরলাম। এমন ঝাড়ি দিল আমার কান ফেটে গেল মনে হচ্ছে। এরপর আর কি বলার থাকে? . তার পরেরদিন থেকে সে মেয়েকে একটার পর আরেকটা জিনিষ দিয়েই যাচ্ছে। না মানে জিনিষ দিচ্ছেনা। বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছে আরকি। আমি অনেকবার বলেছি মেয়ের পিক দেখাতে। সে সেটাও দেখাতে অনিচ্ছুক। প্রত্যেকদিন ইমনকে পীড়াপীড়ি করার পর একদিন পিক দেখাল। দেখলাম ভালই তো দেখতে মাথায় কাপড়ও আছে! . পরেরদিন আবার মেয়ের সাথে ফোনে বলতেছে! ফোনে কথা কয় আর আমাকে খোঁচায়। ধরুন সকালে মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলবে। আমাকে তখন ফোন দিয়ে বলবে জরুরী কাজ আছে। আমি গেলে পরে আমাকে পাশে বসিয়ে সে মেয়ের সাথে কথা বলে। কেমন লাগে চিন্তা করেন! . তো ভালই যাচ্ছে নুসরাত জাহান আর ইমন চৌধুরীর প্রেম। আর মাঝে মাঝে পার্টি। এভাবে ছয় মাস পেরিয়ে গেল। পহেলা বৈশাখ আসল। বৈশাখে তারা দেখা করবে প্ল্যান করল। আমি বললাম ' ভাই আমারেও নিয়া লসনা তোর লগে আমি একাএকা বাড়িতে বইসা কি করব? ' না সে আমাকে নিলনা। . আমাকে তো না'ই অন্য কাউকেও নেয়নি। আম্মা সেমাই রান্না করল খেয়ে আড্ডাখানায় চলে গেলাম। সাড়ে ছয়টা বাজে মনে হয়। হঠাৎ ইমন এসে কান্নাকাটি আরম্ভ করল। ইমনের চোখে এমন কান্না আর কোনদিন আমরা দেখিনি! প্রায় বিশ মিনিট ধরে কেঁদেই যাচ্ছে আমরা কখন থেকে বলেই যাচ্ছি ' কি হইছে কি হইছে? ' বলছেই না কেঁদেই যাচ্ছে। অনেক্ষণ পর মহারাজ মুখ খুলে বলল ' নুসরাত যে জায়গায় যেতে বলছিল সেখানে গেলাম। . ' এটুকু বলে থেমে গেল। বললাম ' যেখানে বলছে সেখানেই তো যাবি। তারপর কি বল? ' বলল ' কিছুক্ষণ পর এক ছেলে এসে আমার হাতে ধরে বলল " ভাই আমাকে মাফ করে দেন! আমিই এদতিন আপনার সাথে ফেইক আইডি দিয়ে কথা বলছি! আমিই এদতিন মেয়ের কণ্ঠ করে আপনার সাথে কথা বলছি " '। কথা শুনে আমরা সবাই হাসতে হাসতে শেষ। আমি ইমনকে দাঁড় করিয়ে বললাম ' বাবু মন খারাপ করিস না রাতে পার্টি হবে ' ||


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ফেইক গার্ল

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now