বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ফার্স্ট বয়!

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ফার্স্ট বয়! লেখকঃ- এইচ এম মারুফ নয় নং অংশের পর থেকে। ১, ২ , ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ও ৯ নং অংশ গ্রুপে দেয়া হয়েছে। গ্রুপে খুজে না পেলে আমার টাইমলাইনে দেখুন অথবা মেসেজ করুন। ১০. ডিটেকটিভ সামির ও অফিসার রাজিব কিছুক্ষণ আগে রুম্মানের মা-বাবার সাথে কথা বলে আসলো। তাদের কাছ থেকে ডিটেকটিভ সামির খুব-ই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন। যা তাদের কেস ৫০ শতাংশ সল্ভ করে দিয়েছে। তাদের কথার উপর ভিত্তি করে যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তা আরো ২০ শতাংশ সল্ভ করে দিয়েছে। এখন শুধু আসল কাহিনিটা ও মূল অপরাধী কে তা জানা বাকি। ডিটেকটিভ সামির বললেন, কি অফিসার রাজিব! এখন কেমন ফিল হচ্ছে? -স্যার! মনে হচ্ছে মাথা থেকে একশ কেজি ভরের একটা ভোজা নামানো হলো। -তো এই খুশিতে ছোট-খাটো খাবার-দাবারের ব্যাবস্থা করুন। -ওকে স্যার! চলুন। আজ আমি আপনাকে খাওয়াবো। -তো গাড়ি থামান! খেয়ে নেয়। ক্ষিদায় পেট চোঁ চোঁ করছে। অফিসার রাজিব একটা রেষ্টুরেন্টের সামনে গাড়ি থামালেন। রেষ্টুরেন্টে ঢুকে খাবার খেয়ে বললেন, অফিসার রাজিব চলুন! এবার আমাদের বাকি কাজটা করে ফেলি। ডিটেকটিভ সামির ও অফিসার রাজিব রুম্মানের সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। এক ঘন্টার মধ্যে তারা গন্তব্যে পৌছে গেলেন। ১১. সিয়াম গেটে নক করলো। এক বার, দু-বার করে তিন বার নক করলো। তিনবার গেট নক করা সিয়ামের এসেছে। তার সংকেত। সিয়াম রুম্মানকে বলে রেখেছে যে ও আসলে গেটে তিনবার নক করবে। তখন যেন সে বুঝে নেয় যে সিয়াম এসেছে। রুম্মান অবাক হয়ে গেল। এই সময় সিয়াম কেন আসলো। তার ত আসার কথা না। সে গেট খুলেই জিজ্ঞাসা করলো, কিরে তুই এখন এখানে? কোন সমস্যা হয়েছে নাকি? তোর তো আজ আসার কথা না। -হুম। বিরাট সমস্যা হয়ে গেছে। মেবি আমরা ধরা পরা গেছি। দ্রুত ব্যাগ গুছিয়ে নে। আমাদের এখনি বের হতে হবে। -এসব কি বলছিস? আর আমরা কার কাছে ধরা খেয়েছি? -এখন এতো কিছু বলার সময় নেই। যা বলছি তাই কর? দ্রুত কর। রুম্মান কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না যে কি হয়েছে। তবুও সে দ্রুত ব্যাগ গুছিয়ে নিল। তারা যে এখানে ছিল দুজন মিলে তার চিহ্নগুলোও মুছে দিল। এখন বুঝার কোন উপায় নেই যে এখানে তারা ছিল। রুম্মান তড়িগড়ি করে বের হওয়ার জন্য গেট খুলতেই ক্যাপ পড়া একজন লোক বলে উঠলো, কেমন আছো? থ্রি এন্টি কারাপশন বয়েজ? সরি সরি এখন থ্রি নয় টু এন্টি কারাপশন বয়েজ। রুম্মান থতমত খেয়ে গেল। সে কি করবে বুঝতে পারছে না। এখানে দাঁড়িয়ে থাকবে না দৌড় দিবে? নেনো সেকেন্ডে-ই সে ভেবে নিল যে দৌড় দেয়া উচিৎ হবে না। সে জিজ্ঞাসা করলো, কে আপনি? -সময় হলে আমাকে চিনতে পারবে। এরই মধ্যে সিয়াম এসে গেছে। ক্যাপ পরা লোকটাকে দেখে সিয়াম বলল, মামা! তুমি? রুম্মান বলল, অহ এটা তোর মামা? বেঁচে গেলাম। আমি তো ভয়-ই পেয়ে গিয়েছিলাম। সিয়াম বলল, তোর ভয় পাওয়াটা ঠিক আছে। বলছিনা আমরা ধরা পরা গেছি। রুম্মান বলল, মানে কি? তুই কি বলতে চাচ্ছিস? ডিটেকটিভ সামির বলল, ও কিছুই বলতে চাচ্ছে না। এখন যা বলতে চাওয়ার আমরা বলবো। সিয়াম! তুই ভালো-ই করেছিস? আমাকে খবর দিয়ে। না হলে তো জানতে-ই পারতাম না যে আমার ভাগ্নে এত্তো অল্প দিনে এত্তো বড় হয়ে গিয়েছে। সিয়াম বলল, না মামা! আসলে কি! ডিটেকটিভ সামির ধমক দিয়ে বললেন, আসলে কি বলতে হবে না। আমি সব জানি। এখন চল! আমাদের সঙ্গে। ধরা তো খেয়ে-ই ফেলেছিস। এখন আর লুকোচুরি করে লাভ কি? রুম্মান ও সিয়ামকে নিয়ে ডিটেকটিভ সামির গাড়িতে উঠে বললেন, অফিসার রাজিব। চলুন যাই। আমাদের কেস সল্ভড। আমরা সাক্সেস। অফিসার রাজিব বললেন, ধন্যবাদ স্যার! আমার এই প্রথম এতো বড় কোন কেস সল্ভ হলো। অবদানটা আপনার-ই। কিন্তু এখানে আমি ছিলাম তো! ডিটেকটিভ সামির বললেন, হয়েছে! হয়েছে! এবার চলুন। কেস সল্ভ হয়নি। এখনো অনেক বাকি! গাড়ি একটা রেষ্টুরেন্টের সামনে যেতেই ডিটেকটিভ সামির বললেন, অফিসার রাজিব! গাড়ি থামান। হাজার হলেও তো সিয়াম আমার ভাগ্নে। একটু পর তো শশুর বাড়ি গিয়ে কত রকম কত কিছু-ই খাবে। এর আগে রেষ্টুরেন্ট থেকে কিছু খায়িয়ে নেই। চলবে..................


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ফার্স্ট বয়!
→ ফার্স্ট বয়!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now