বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এসএস ওয়াটারটাউন ভূত
•কালের কণ্ঠ
…
বিশ্বের নানা দেশে বিভিন্ন
সময় অনেকের ক্যামেরায় উঠে
এসেছে ভূতের প্রমাণ, যার
কোনো ব্যাখ্যা নেই। এসব
ছবির সত্যাসত্য নিয়ে বিতর্ক
থাকলেও বহু মানুষেরই
শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল স্রোত
বয়ে যায় এ ছবি দেখে। এ
লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন
এক প্রমাণ। ধারাবাহিকভাবে
এ ধরনের বেশ কয়েকটি ছবি
প্রকাশিত হবে কালের কণ্ঠে।
আজ পাচ্ছেন তার ষষ্ঠ পর্ব।
এসএস ওয়াটারটাউন ভূত
ছবিতে যে ভূতের অস্তিত্ব
দেখা যায় তার একটি নিশ্চিত
প্রমাণ এ এসএস ওয়াটারটাউনের
ঘটনাটি। ঘটনাটি বেশ আগের।
১৯২৪ সালের ডিসেম্বরে এসএস
ওয়াটারটাউন নামে একটি
জাহাজে এ ঘটনা ঘটে।
জাহাজটি নিউ ইয়র্ক শহর
থেকে পানামা খালের
দিকে যাচ্ছিল। এ সময়
জাহাজের ক্রু জেমস কোর্টনি
ও মাইকেল মিহানকে কার্গো
ট্যাংক পরিষ্কার করার
দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সে
ট্যাংকে প্রচুর গ্যাস জমেছিল।
অসাবধানতাবশত সেখানে
প্রবেশ করে মৃত্যুমুখে পতিত হন
সেই দুজন কর্মী। কোনো
সাহায্যকারী আসার আগেই
তারা মারা যান।
রীতি অনুযায়ী নাবিক দুজনকে
সাগরেই সমাহিত করা হয়
ডিসেম্বরের ৪ তারিখে। এর
পরের দিন ঠিক সন্ধ্যার আগে
আগে সাগরে এ দুজন নাবিকের
মুখ ভেসে ওঠে। তবে সেগুলো
তাদের মৃতদেহ ছিল না। কারণ
তাদের মৃতদেহ আগেই সাগরে
সমাহিত করা হয়েছে। তাহলে
কী ছিল সেই মুখ? এ বিষয়টি
রহস্যই রয়ে যায়।
জাহাজের নাবিকরা শুধু সে
সময়েই নয়, আরও কয়েকদিন ধরে
সাগরে তাদের জাহাজের
পাশে পাশে দেখতে থাকেন
সেই দুই নাবিকের মুখ। আর
এভাবে আতংকও গ্রাস করতে
থাকে তাদের।
জাহাজের ক্যাপ্টেন এ দৃশ্য
ছয়টি ছবিতে তুলে রেখেছেন।
তাদের মধ্যে পাঁচটিতে
সেভাবে কিছু আলাদা করা
সম্ভব হয়নি। তবে একটি ছবিতে
রয়ে গেছে তাদের মুখচ্ছবি। এ
রহস্যের কোনোদিনই কিনারা
হয়নি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now