বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এপ্রিল ফুল এর ইতিহাস

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মেহেদী হাছান (ইভন) (০ পয়েন্ট)

X এপ্রিল ফুল এর দিন মানুষ একে অন্যকে বোকা বানায়। এপ্রিল ফুল এর ইতিহাস, ফারজানার বয়স ১১ বছর। তাদের বাসায় হামলা হলে মা তাকে বাথরুমে লুকিয়ে রাখে। হামলাকারীরা বাসায় ঢুকেই মারিয়ার মা সহ বাকি দুই ভাইকে হত্যা করে। বাসা থেকে বের হতে যেয়ে কি যেন মনে করে একজন বাথরুমের ছিটকানি খুললে মারিয়াকে পেয়ে যায়..... . দশজনের দলটি তাকে পালাক্রমে ধর্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়। দলটির দুর্ভাগ্য যে, তিনজনের ধর্ষন শেষেই মারিয়া পরপারে চলে যায়! সেদিন অনেক মারিয়ার জীবনে এই ঘটনা ঘটেছিল... . মারিয়ার বাবা আরবীয় বংশদ্ভূত সিদ্দিক তখন যুদ্ধ ক্ষেত্রে ছিল। স্পেনের মুসলিম বাহিনী পরাজিত হলে সে ছুটে বাসার দিকে আসতে থাকে। তখন প্রতিটা মুসলিম জনবসতিতে আগুন জ্বলছে। খৃষ্টান বাহিনী ঘোষনা দিয়েছে যারা মসজিদে আশ্রয় নিবে তাদের হত্যা করা হবেনা। বাকিদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করা হবে। যতদ্রুত সম্ভব সিদ্দিক তার পরিবার নিয়ে কাছাকাছি কোন মসজিদে আশ্রয় নিতে চায়.. . বাসার সামনে এসেই দেখতে পায় দাও দাও করে আগুন জ্বলছে। নির্বাক হয়ে যায় সে। আগুনে পুড়া ধ্বংস স্তুপের মাঝে সে কাওকে আবিস্কার করতে পারে না। তারপর ছুটে যেতে থাকে পাশের মসজিদের দিকে। ক্ষীন আশা নিয়ে সে মসজিদে যেতে থাকে, যদি পরিবার সেখানে গিয়ে থাকে....! . মসজিদ নারী পুরুষ শিশু দিয়ে ভরে গেছে। পা রাখার জায়গা নেই কোথাও। তার মারিয়ার মত অনেক মেয়েকেই দেখতে পায় কিন্তু মারিয়াকে খুঁজে পায়না। পাগলের মত একপাশ থেকে অন্যপাশে যেতে থাকে কিন্তু তার পরিবারের কাওকে খুজে পায়না... . এর মাঝেই বাহিরে হট্টগোল হতে থাকে। শিশুরা ভয়ে নতুনভাবে আবার কান্না শুরু করে দেয়। দেখা যায় খৃষ্টান বাহিনী মসজিদের সামনে এসে বাহিরে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মুসলিমকে মেরে ফেলে। সবাইকে মসজিদের দরজা জানালা বন্ধ করে দিতে বলে। জীবন বাঁচাতে মসজিদে আশ্রয় নেওয়া মুসলমানরা সব দরজা জানালা ভিতর থেকে আটকে দেয়। আর খৃষ্টান বাহিনী বাহির থেকে দরজা আটকে দিতে থাকে.. . মুসলিমরা প্রথম ভেবেছিল কেউ যেন বাহিরে যেতে না পারে সেটা নিশ্চিত হতে বাহির থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হলো! কিন্তু একটু পরেই তারা নিজেদের বোকামী বুঝতে পারে। বেঈমান জাতি খৃষ্টানদের বিশ্বাস করাই জীবনের সবচেয়ে বড় বোকামী... . ততক্ষনে মসজিদের চারিদিকে দাও দাও করে আগুন জ্বলা শুরু হয়ে গেছে। খ্রিষ্টান বাহিনী দরজা জানালা আটকে দিয়ে মসজিদে আশ্রয় নেওয়া অসহায় নারী পুরুষ শিশুদের পুড়িয়ে মারতে বাহির থেকে আগুন লাগিয়ে দেয়। মসজিদের ভিতর চলতে থাকে বাতাস ভারী করা আত্মচিৎকার.... আর বাইরে চলে খ্রিষ্টানদের উল্লাস করা অট্টহাসি। তারা মুসলমদের বোকা বোকা (Fool Fool) বলে হাসতে হাসতে আনন্দ করতে থাকে.... . এইদিনটা ছিল এপ্রিল মাসের ১ তারিখ। স্পেনের বুকে মানবজাতির ইতিহাসে ঘটে যায় এক জঘন্য ঘটনা। এটাই পৃথিবীর ইতিহাসে এপ্রিলফুল (April Fool) নামে স্থান করে নেয়। এটা খৃষ্টানদের আনন্দ মজা করার দিন। আজকাল কিছু মুসলিম নামধারী মূর্খ এইদিনে খ্রিস্টানদের সাথে মজা করতে দেখা যায়! তারা ভাবে, এটা একটি আনন্দ তামাশা করার দিন। কিন্তু কিভাবে সেই তামাশা আনন্দ আসলো সেটা জানতে চায়না... . এই দিনটি খ্রিস্টানদের জন্য আনন্দের,,, মুসলিমদের জন্য কস্টের!!! তাই আমরা সেই নির্যাতিত স্পেনের মুসলিম ভাই বোনদের জন্য দোয়া করবো; আনন্দ উৎসব করবো না। আল্লাহ তা'আলা সেইসব ভাইবোনদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুক। আমীন। (ফেসবুক হতে নেওয়া) ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন।৫ স্টার দেভেন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৪৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এপ্রিল ফুল এর ইতিহাস
→ এপ্রিল ফুলের ইতিহাস
→ এপ্রিলফুল এর ইতিহাস

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now