বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটু হাসুন।

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাবেক স্যার আইন্সটাইন ম্যাক্স(guest) (০ পয়েন্ট)

X ট্রেনের কামরায় গাদাগাদি ভিড়। এক ভদ্রলোক একটি অ্যাটাচি নিয়ে উঠলেন। তিনি হকার নন। অধ্যাপক টাইপ চেহারা। প্রশ্ন করলেন -- আচ্ছা পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজদৌলার পরাজয়ের কারণ কি? সকলেই চুপ করে শুনতে থাকলেন তার কথা। কেউ কোনও কথা বলছেন না দেখে তিনি আবার শুরু করলেন -- পলাশীর প্রান্তরে সেদিন নবাব সিরাজদৌলার সৈন্য ছিল অনেক। লর্ড ক্লাইভের সৈন্য অল্পসংখ্যক থাকা সত্বেও নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। আপনারা বলবেন যে জগৎ শেঠ, মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস সবটাই সত্য নয়। সত্য ইতিহাস জানতে হবে। একজন কৌতূহলী যাত্রী জানতে চাইলেন -- তবে সত্য ইতিহাসটা কি? সত্য ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। ক্লাইভ দূরবীন দিয়ে নবাবের সৈন্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করলেন। পলাশীর আমবাগান তখন শূন্য। মীর জাফর তার আয়ত্তাধীন সৈন্য নিয়ে কেটে পড়েছে। ক্লাইভ তো অবাক। নবাবের সৈন্যরা তবে গেলো কোথায়? নিশ্চয়ই কোনও চাল খেলেছে। হঠাৎই নজর পড়লো আমগাছের দিকে। একটি ডাল নড়ে উঠল। ক্লাইভ এবার দেখল যে নবাবের সৈন্যরা আমগাছের ডালে ডালে বসে আছে। নিচ দিয়ে যেতে গেলেই তারা গেরিলা আক্রমণ করবে বলে প্রস্তুত। ক্লাইভ কাছাকাছি না গিয়ে দূর থেকে কামান আর বন্দুক তাক করলো। ফলন্ত গাছ থেকে আমের সাথে সাথে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল নবাবের সৈন্য। আহ! ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিতে যাদু ছিল। সকলেই মন দিয়ে শুনছিলেন তার কথা। তিনি আবার বলে উঠলেন -- নবাবের সৈন্যরা সকলেই ইংরেজদের হাতে মারা পড়লেন, কিন্তু আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আমগাছের ডাল সেদিন নড়ে উঠল কেন? কি ছিল ষড়যন্ত্র? যাত্রীদের সকলের মনে প্রশ্ন জেগে উঠল। তাই তো, আমগাছের ডাল নড়ে উঠল কেন? গাছের ডাল না নড়লে তো ক্লাইভের নজরে আসত না সৈন্যদের অবস্থান! ভদ্রলোক বললেন -- কেন নড়ে উঠেছিল গাছের ডাল? কে বলতে পারবেন? যথারীতি সকলেই চুপ করে থাকলেন। ভাবগতিক এমন যে; আমরা জানি না, আপনিই বরং বলে দিন। তিনি তখন এটার্চি খুললেন। একটি জিনিস বার করে সকলকে দেখিয়ে বললেন -- ডাল নড়ে ওঠার কারণ ছিল -- চুলকানি। দাদ। চর্মরোগ। বড় মারাত্মক এই রোগ, বুঝলেন? নবাবের এক সৈন্যের ছিল চুলকানি। এই চুলকানির জন্যই সেদিন ডাল নড়ে উঠেছিল। ডাল না নড়লে ক্লাইভ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। আমি এনেছি চুলকানির মলম। মাত্র ত্রিশ টাকা দাম। ত্রিশ টাকা,ত্রিশ টাকা,ত্রিশ টাকা!!!!! (২) বাসর রাতে স্বামী - স্ত্রীর কথপোকথন. *স্ত্রী -আফনি বিড়ি কাইন.? *স্বামী - হুম কাই.! *স্ত্রী -কয়ডা কাইন.? *স্বমী-০৫টা কাই.! *স্ত্রী - কয় টেয়া কইরা.? *স্বামী -১২ টেয়া.! *স্ত্রী - কয় বছর দইরা কাইন.? *স্বামী -০৭ বছর দইরা.! *স্ত্রী - আফনি পতিদিন ০৫ টা বিড়ি কাইন ১২ টেয়া দামের তাইলে অয় ১২×০৫=৬০ টেয়া,মাসে অয় ৬০×৩০=১৮০০ টেয়া, বছরে অয় ১৮০০×১২=২১৬০০ টেয়া, আর ০৭ বছরে অয় ২১৬০০×০৭=১৫১২০০ টেয়া, দেখছেন কতলা টেয়া.? এই টেয়ার বিড়ি না কাইয়া টেয়া জমাইলে আজগা আফনের একটা হোন্ডা তাকতো বুজ্জেন.! *স্বামী - তুমি বিড়ি কাও.? *স্ত্রী - না কাই না.! *স্বামী - তাইলে তোমার হোন্ডাটা একটু দেও, আমি ইট্টু গুইরা আয়ী আর একটা বিড়ি কাইয়া আয়ী। সংগৃহীত!!!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটু হাসুন।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now