বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি কর্পোরেট ফেসবুকিয় ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X একটি কর্পোরেট ফেসবুকিয় ভালোবাসা --হিমু অমি ----ওপেনিং--- -মাম্মা লিঙ্ক খুলসোস? -হুম -তোর এই হুম আমার একদম ভালো লাগেনা। তর লেখার মাঝেও হুম। কাহিনী কি? ক তো? -কিছুনা, বাজে বকিস না, অফ যা! - মাম্মা মালডা খাসা না? চখাম প্রকৃতির কিন্তুক।। -আগে চাইখা লই। পটবে তো তোর মনে হয়? -ঝুইলাই আছে, হের এক্সে হেরে ছাইড়া চইলা গেছে। এইডাই তো চান্স তর। মেসির মত অত ড্রিব্লিং করা লাগবে না কাউরে। সহজেই গোল দিতে পারবি। এক মেগাবাইট ডেডিকেটেড স্পিড এর নেট চালায় অনিক আর রাসেল। জিগরী দোস্ত বলতে যা বোঝায় দুজন তাই-ই। এতক্ষণ যে কথপোকথন শুনলেন তা কোনো অস্পৃর্শ ফোনালাপ নয়; তা মূলত দুই জিগরী দোস্ত এর মধ্যের ফেসবুকীয় কথোপকথন। আবার বলা যায় একটা কর্পোরেট ফেসবুক প্রেম কাহিনীর শুরু এখান থেকেই। ---মিডল অর্ডার--- মাসখানেক পর... -এই তুমি রিকশার হুড তুললা কেন? চোখ মুখ লাল করে প্রশ্ন করে নোভা। -না, ইয়ে মানে সামনের রাস্তার ধারে তো আমার ফজিলা খালার বাসা। খালা একটা মেয়ের সাথে আমাকে দেখলে বিষয়টা একটু কেমন জট পাকিয়ে যাবেনা? -জট পাকানোর সম্ভাবনা থাকলে প্রয়োজনে তুমি রিকশা থেকে নেমে যাবা, তবুও রিকশার হুড তুলা যাবেনা, আমি ওইসব পছন্দ করিনা। ফিচলে মার্কা হাসি মুখে এনে অনিক জিজ্ঞেস করে, কোন সব হুম?? অনিকের হাসির সাথে তাল মিলিয়েই যেনো নোভা বলে, ‘কোন সব, বোঝোনা তাইনা??’ -নাহ... বুঝতে আর দিলে কই... ---লোয়ার মিডল অর্ডার--- -ভ্যালেনটাইন্সডেতে কি করবা জানু? প্রশ্ন করে অনিক... -কিছুনা, -ওমা আমার সাথে ঘুরতে যাবা না সোনা? -নাহ, এই দিন এত্ত এত্ত গ্যানজাম থাকে বাইরে, বোঝোই তো- বলে নোভা। -তুমি না এত্তগুলো পচা। গ্যাঞ্জাম থাকলে কি হইসে। তবুও আমরা ঘুরবো ওকে? - নাআআআআ বলসি না। ভ্যালেনটাইন্স ডে তে একেকজনের হাটা-চলাফেরা দেখলে মনে হয় যেনো ভালোবাসা উথলিয়ে পড়ছে। আরে বাবা এত্ত ভালোবাসা থাকলে বালতিতে ধইরা রাখতে হবে। নয়তো বাসায় বসে প্রেম পিরিতি করতে হবে। এইভাবে অন্য কাপোলদের ডিস্টার্ব করা তো মিনিংলেস, তাইনা? -হুম জান, আচ্ছা শোনো লিটনদের ফ্ল্যাটটা কিন্তু ফাঁকাই আছে। ওইখানে যেয়ে ডেটিং দিই কি বল... অভ্যেসমত ফিচলে হাসি দিয়ে নোভাকে বলে অনিক। -যাহ দুষ্ট্‌...। ---এন্ড অফ ব্যাটিং...দি রেজাল্ট অফ দি ইনিংস--- -নোভা শুনো আমার একটু ইমপোরটেন্ট কাজ আছে। আমার জন্যে দুয়া কইরো তো। -যাও পচা, তোমার সাথে কথা নাই নাই নাই। তুমি আসলেই এত্তগুলো পচা। তুমি আমার কাছে তোমার জন্যে দোয়া চাইছ।। তোমার জন্যে আবার আলাদা ভাবে দোয়া করা লাগবে? আরে পাগল তোমার জন্যেই তো আমার সব -হুম বুঝছি, এ্যাই তুমি খাইস? -আবারও অনিক? তোমারে ছাড়া কখনো খাইসি জান?আর তুমিই বা কেমন? না খেয়ে বসে আস? যাও এক্ষুনি খেতে যাও। খেয়ে সকালে কাজে যাবা, বুঝসো? -হুম তুমিও...। মেয়েটা ইদানিং বড্ড পেইন দিচ্ছে। সিগেরেটটা মুখে ধরিয়ে টান দিতে দিতে ভাবে সে। খাওয়ার পর সিগারেট খাওয়া বহু পুরোনো অভ্যেস। মিনিট চল্লিশেক আগেই খেয়েছে সে। অথচ কি নির্লিপ্ত ভাবে বললো, এখনও খাইনি। ----পুরস্কার বিতরণী---- নদীর ধারের এই দিকটা নিরব। প্রথম দিন তো আর লিটনের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া যায়না... এই সব কাজে সময় দিলে পুরষ্কার ভালো পাওয়া যাবে। যাই হোক, সে জন্যে আফসানাকে প্রথম ডেটিং এ এই দিকটাতেই এনেছে সে... নিরিবিলিতে ডেটিং এর মজাই আলাদা... ঠিক যে জায়গাটাই বসবে বলে বাসা থেকে ভেবে বের হয়েছিল অনিক, সেই জায়গাটিতেই খুব পরিচিত এক মেয়ে বসে আছে মনে হচ্ছে অনিকের। কিন্তু পেছন থেকে ঠিক ঠাহর করতে পারছেনা।। কিন্তু পাশের ছেলেটা যে রাসেল সেই বিষয়ে কোনোই সন্দেহ নেই। ‘রাসেল আমারে না জানাইয়া কারে নিয়া ডেটিং এ আইসে’ এই চিন্তা থেকেই সেদিকে পা বাড়াই সে। গজ খানেক দূর থেকেই চেনা হাসির শব্দটা আরও কাছে আসতে থাকে। কন্ঠটা আর কারও নয়, নোভার। রাসেলে বাহুডোরে আবদ্ধ নোভার। এরপর কি হয়েছিল আর জানা যায়নি। হয়ত কর্পোরেট ফেসবুকিয় ভালোবাসার এই যুগে কোনো প্রেম কাহিনীর-ই সমাপ্ত হয়না। তবুও প্রেম অবিনশ্বর... April 3, 2014 at 6:15pm · Public Save · More Like React Comment Share Like34 Write a comment... Attach a Photo · Mention Friends Md Habibur Rahman মিথিলার সাথে আমার সুখস্মৃতি বলতে এখনতেমন কিছুই মনে নেই, দু একটা ছাড়া। তারমধ্যে একটা বলি, প্রেম হওয়ার প্রায় একমাসপর ঈদ উদযাপন করে গ্রামেরবাড়ী থেকে ফিরে আসার পর গেলাম তারসাথে দেখা করতে... দুজনে সেদিন দূরে কোথাওগিয়েছিলাম... । সেদিনই প্রথম তার হাতধরেছিলাম...প্রথমবারের মতো প্রেমিকার হাত ধরারঅনুভুতি যারা প্রেম করেছেন তাদের বলারকিছু নেই... তবে আমার বেশ লজ্জাই লেগেছিল। মিথিলারও সম্ভবত লজ্জা লেগেছিল...বারবার হাত এগিয়ে দিয়ে আবারফিরিয়ে নিচ্ছিল... লুকুচুরির মতন অবস্থা...তারপর হঠাত ধরে ফেললাম তার হাত। কয়েকসেকেন্ড পর সে বলে, "এই আমার লজ্জা করছে...ছেড়ে দাও" ... পাশেই একটা লোকহেঁটে যাচ্ছিলদেখে ছেড়ে দিলাম ........................... আমারজানামতে ২০১১ সালের শেষ পর্যন্ত আমারপরেও তার জীবনে দুজন নতুন প্রেমিক আসে...তাদেরও কি সে একই কথা বলেছে, "এই আমারলজ্জা করছে, হাত ছেড়ে দাও"...আচ্ছা, তার নতুন প্রেমিকরা কি জানে যে এইমেয়েটা একই কথা অন্য কাউকে বলেছিল...নাকি তারা ভেবে নিয়েছে সে ই তারজীবনে প্রথম!! তিন বছর আগে এই কথাটা যখনমাথায় আসত তখন ঘৃণায় গা গুলিয়ে উঠত...।২০১১'র পর আমি আর কিছু জানিনা... হয়তো আরওনতুন প্রেমিক এসেছে... গিয়েছে...এটা মিথিলাদের জীবনে নতুন কিছু না... ওদেরপ্রেমিক পুরুষ বদলাতে সময় লাগেনা... ।সংকলিত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি কর্পোরেট ফেসবুকিয় ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now