বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একটি ঝরা গোলাপ
_______ হৃদয় মাহমুদ
:
:
:
( দুই পর্বের ১ম পর্ব)
¤¤ সময়টা ছিল ২০০৮ সাল । তপু যেই বাড়িতে লজিংয়ে থাকতো সরোয়ার সেই একই বাড়িতে মেস লজিং করত । দুজনেই একই কলেজে একই ইয়ারে পড়তো ।সেই সুবাদে তাদের মধ্যে মোটামুটি একটা বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক গড়ে উঠে । লজিং বাড়িতে তপুর খুবই একটা সুনাম ছিল । তাকে সকলে স্যার বলে সম্বোধন করত একসাথে বসে গল্প করত আড্ডা দিত।
.
লজিং ঘরে ছাত্র/ছাত্রী তিনজন সকাল ও সন্ধ্যা বেলায় পড়াতো আর দিনের অন্য সময় নিজের পড়া পড়তো । তাই কলেজে খুব কম যাওয়া হতো ।
ক্লাশ নিয়মিত করতোনা।
.
তপুর পড়ার ঘরটি ছিল রাস্তার সাথে জানালার পাশে । ঐ বাড়িতে আসমা -খালেদা নামে জমজ দুটি সুন্দরী মেয়ে ছিলো । তাদের সাথে তপুর ভাল একটা রিলেশন তৈরি হয়েছিল । গল্প আর আড্ডা দেওয়ার সহপাঠী পেলো। অলস সময়গুলো তাদেরকে সাথে নিয়ে কাটাতো। তপু সারাক্ষন জানালার পাশে থাকতো আর ঐ দুবোন সময় পেলেই এসে নানা বিষয়ে গল্প শুরু করতো । এ নিয়ে তাদের ফ্যামিলি কিংবা বাড়ির কেউই মাইন্ড করতোনা । একারনে তপু সেখান থেকে বিদায় হয়ে আসার সময় তারা খুব কেঁদেছিল ।
.
বেশ কিছুদিন পর তাদের সাথে আরো একটি মেয়ে যোগ দিল । তবে সে নিশ্চুপ থেকে হাসতো । সরাসরি কথা বলতে আসতো না। প্রায় আসতো ঐ দুবোন না'থাকলে, তখন একা তপুর সামনে দিয়ে চক্কর মেরে যেতো ।এক সময় লজিং ঘরের মামির সাথে আড্ডা জমাতে শুরু করল । তপুকে শুনিয়ে শুনিয়ে কথা বলতো। তপুর কেনো জানি মনে হতো মেয়েটি তাকে আঁড়ালে থেকে ফলো করছে।
.
তপু খোঁজ নিয়ে দেখল যে মেয়েটি পাশের বাড়ির । কারিগরিতে পড়ে । মেয়েটি প্রায় সামনা সামনি পড়তো আর চোখে চোখে তাকিয়ে কিছু বলতে চাইতো। চোখের ভাষায় অনেক কিছুই বুঝাতে চাইতো কিন্তু তপু সেদিকে কর্নপাতও করতোনা ।
.
একদিন সরোয়ার আর তপু সিঁড়িতে বসে কথা বলছিলো । হঠাৎ মেয়েটির সাথে দেখা ; তাদেরকে ক্রশ করে সামনের বাড়ির দিকে যাচ্ছিল । সরোয়ারকে দেখলো মেয়েটিকে দেখে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ।
তখন সরোয়ার আনমনা হয়ে গেলো। আলোচিত প্রসংগ ভুলে নির্বাকে মেয়েটির চলে যাওয়া পথের দিকে চেয়ে থাকলো।
.
নিশ্চুপে মেয়েটির আসার অপেক্ষায় চেয়ে আছে তপু বুঝতে পারলো । তখন গুড়িগুড়ি বৃষ্টি পড়ছিলো । মেয়েটিকে আবার আসতে দেখে সরোয়ার উঠে তার দিকে এগিয়ে গেলো । সামনে দাঁড়ালে সেও দাঁড়িয়ে গেল । আমি চেয়েই
রইলাম ।
.
সরোয়ার__তোমার সাথে কিছু কথা আছে ।
মেয়েটি তার দিকে একবার চেয়ে কোন কথা বললোনা নির্বিকারে দৌঁড়ে চলে গেল ।
সরোয়ার আবার তপুর দিকে ফিরে এলো ।
তপু__ তুই কী ওরে চিনিস । তোদের কি পূর্বের কোন পরিচয় আছে ?
সরোয়ার__হ্যা দোস্ত ওর সাথে আমার প্রায় কথা হয় ।ওরে আমার খুব ভাল লাগে ।
তপু__সে কি তোকে ভালো লাগে বলেছে ?
সরোয়ার__ ধুর ! মেয়েরা বলতে হয়না তাদের চোখ দেখে বুঝে নিতে হয় ।
তপু__ও আচ্ছা ! আমার তো এরকম হয়নি তাই বুঝিনা ।
তখন সরোয়ার একটা চিঠি পকেট থেকে বের করে তপুর হাতে দিলো আর বলল," দোস্ত তুইতো সব সময় থাকিস তোর সাথে সব সময়য় দেখা হয় । চিঠিটা তাকে দিয়ে দিস ।এই বলে সে তপুর হাত চেপে ধরলো;
__ যে কোন প্রকারেই হোক এটা দিয়ে আমার উপকারটা করিস প্লিজ ।
তপু তাকে শান্তনা দিলো;
__ঠিক আছে দেবো তুই কোন চিন্তা করিসনা ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now