বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটা গিফট (1)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X একটা গিফট কিনে তারাতারি বাস টাতে উঠলাম চাপাচাপি করে। ভাগ্যক্রমে সাথে সাথে বসার সিট ও পেয়ে গেলাম। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি সবাই যে যার মনের মানুষটার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে,আমিও আলাদা নই।মেয়েটার সাথে আমার পরিচয়টা ফেসবুকেই।আজ এমন একটা দিনে ও আমায় দেখা করতে বলবে ভাবতেও পারিনি। এইসব কথা ভাবতে ভাবতে হঠাত খেয়াল করলাম আমার পাশে বসে আছে একটামেয়ে।এতক্ষন একটা মেয়ের পাশে বসে আছি বুঝতেই পারিনি।মেয়েদের পাশে বসলে বরাবরই নিজেকে খুব অসহায় লাগে।আজকেও এর ব্যতিক্রম হল না,বরং আজ অসহায়ের মাত্রা একটু বেশিই হচ্ছে। ইচ্ছে করছে চলন্ত বাসটা থেকেই লাফ মেরে পড়ে যাই।আমার অসহায় টাইপ মুখটা দেখে মেয়েটা মিটিমিটি করে হেসেই যাচ্ছে। আমিও ওকে পাত্তা না দেওয়ার ভাব নিয়ে কানে হেডফোন গুজে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলাম।তার আগে আড় চোখে মেয়েটাকে খুব নিঁখুত ভাবে দেখে নিলাম। গায়ের রং শ্যামলা,চোখে চশমা কিন্তু মেয়েটাকে দেখতে বেশ সুন্দরী। প্রথম দেখাতেই চোখ বন্ধ করে যাদের প্রেম নিবেদন করা যায়। আমি আবার আড়চোখে দেখলাম মেয়েটি আশেপাশের কোন কিছুর দিকে খেয়াল না করে এক মনে মোবাইলএ কি করে যাচ্ছে। লেখার স্টাইল দেখে অনুমান করলাম ফেসবুকে হয়তো কারো সাথে চ্যাট করছে।আমিও ফেসবুক করি এটা দেখানোর জন্য মোবাইল টা হাতে নিয়ে আলোর বেগে ফেসবুক খুললাম।আড় চোখে আবার দেখতে গিয়ে দেখলাম মেয়েটিও আমার কান্ড কারখানা আড় চোখে দেখছে।তবে কেন জানি মনে হল এতো লুকোচুরির মাঝেও মেয়েটির চোখের কোনে মন খারাপের একটা চিহ্ন রয়েছে। এদিকে আমি ফেসবুকে ঢুকেই দেখি তানিয়ার মেসেজ।একসাথে ৭টা মেসেজ পাঠিয়েছে,পর পর এত মেসেজ মানে ভীষণ রেগে আছে।মেয়েটা যখন তখন রেগে যায় আমার উপর।আজ দেখা করবো বলে সকাল থেকে তেমন কোনো খবর নেওয়া হয়নি সেই কারণেই হয়তো হবে। মেয়েটা অদ্ভুত ভাবে কথায় কথায় রাগ করে।কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা এখনো কেউ কাউকে দেখিনি।এমনকি কেউ কারো ফোন নাম্বার টাও জানি না। তবে আমরা একই শহরেই থাকি।আমি অনেক বার ওর সাথে দেখা করার কথা বলেছিলাম কিন্তু ও দেখা করার আগ্রহ দেখাই নি। শুধু চ্যাট করেই মেয়েটার প্রেমে পড়ে গিয়েছি। পরপর অনেক গুলো মেসেজ দিলাম কিন্তু তানিয়ার রাগটা কিছুতেই ভাঙ্গছে না।হঠাত্ আমার মোটা মাথায় এক বুদ্ধি আসল।মেয়েরা মেয়েদেরকেই হিংসে করে সব থেকে বেশি তাও যদি পছন্দের মানুষ নিয়ে হয়। তাই এই সুত্রটা কাজে লাগিয়ে রাগ ভাঙ্গানোর জন্য ওকে এগারো নম্বর মেসেজ দিলাম-জানো, এখন আমি একটা সুন্দরী মেয়ের পাশে বসে আছি গাড়িতে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটা গিফট (1)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now