বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাবা মাছ নিয়ে আসার পর তার বন্ধু তাকে এক জায়গায় নিয়ে গেলো।
সেখানে একটা বড় গাছের কাছে গিয়ে দাড়াল,ঠিক কি গাছ মনে নেই।গাছটা খুবী বড় ছিলো।
সব চেয়ে বড় কথা হল যে ওই গাছের নিচে মানে একটু পাশেই ছিলো বাবার ওই নানার কবরস্থান!
অতঃপর বাবার বন্ধু বাবাকে গাছে উঠতে বলছে। বাবা তার কথা মতো গাছে ওঠার চেষ্টা করছে কিন্তু উঠতে পারছে না।
বাবার বন্ধু এক লাফ মেরে গাছের মাথায় উঠে বসেছে।
তখন থেকে বাবার মনে একটু ক্ষটকা লাগা শুরু হল যে আমি জার সাথে এরকম করছি সে কি মানুষ? নাকি অন্ন কিছু।
কিছুক্ষণ পর বাবা অনেক কষ্ট করে গাছের মাথায় উঠে গেছে।বাবাকে একদম গাছের মাথায় নিয়ে বসিয়েছে।
তোঁ দুজন এখন বসে বসে মাছ খাচ্ছে, কিন্তু বাবা কিছুটা হলেও বুঝে উঠতে পেরেছিলেন যে এটা মানুষ না।
বাবা বসা ছিলো তার বন্ধুর সামনে আর তার বন্ধু বসা ছিলো বাবার পেছনে।
হঠাত বাবা খেয়াল করল যে তার বন্ধুর মুখ থেকে কোন আওয়াজ বের হচ্ছে না।
বাবা পেছন ফিরে তাকাতেনা তাকাতে বাবাকে দিলো একটা জোড়ে ধাক্কা।।!
নিচে ছিলো ছোট ছোট গাছের ঠাল কাটা।
বাবা নিচে পরার সাথে সাথে একটা ঠাল বাবার দাড়ি ফুটো হয়ে একদম মুখে ঢুকে জায়,আর বাবা পুরাপুরি অজ্ঞান হয়ে সেখানে পরে থাকেন।
তারপর জ্ঞান ফেরার পর সবাই বাবাকে জিজ্ঞাসা করে যে কি হয়েছিলো।
আজব বেপার হল,বাবা জখন অজ্ঞান হয়ে ওখানে পরেছিল তখন নাকি বাবার নানা বাবাকে এসে ধরে ওখান থেকে উঠিয়ে বাড়ির সামনে এনে রেখে গিয়েছে।
সবাইকে বলার পর সবাই অবাক হয়ে বলে যে,যে মানুষটা এতো বছর হল মাড়া গেছে সে কিভাবে তোমাকে ওখান থেকে এনে এখানে রখে যেতে পারে?
বাবা আর কিছুই বলল না।
পরে আস্তে আস্তে বাবা সুস্থ হয়ে উঠে।
কিন্তু বাবার দাড়িতে আজও সেই দাগটা রয়েগেছে।
এটা একটা সত্যি কাহিনী তাই আমি কষ্ট হলেও আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now