বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নিয়ে তাতে পানি দিয়ে গরম
করতে
শুরু
করুন । দেখবেন পানির
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটি তার
শরীরের
তাপমাত্রার সামঞ্জস্য করতে শুরু
করবে ।
যতই তাপমাত্রা বাড়বে ততোই
পানির তাপমাত্রার সাথে নিজের
শরীরের
তাপমাত্রার সামঞ্জস্য
করতে থাকবে সে । ঠিক যখন
পানি ফোটার তাপমাত্রায়
পৌঁছবে তখন
আর সে ওই তাপমাত্রার
সাথে মানিয়ে নিতে পারবে না
।
ওই তাপমাত্রায় সে লাফ দিয়ে
পাত্রের বাইরে আসার জন্য চেষ্টা করবে
। কিন্তু
সে তা আর পারবে না, কারণ সে
তার
সকল শক্তি পানির তাপমাত্রার
সাথে মানিয়ে নিতে ব্যয় করে ফেলেছে ।
এর খুব অল্প সময়ের
মধ্যে ব্যাঙটি মারা যাবে ।
ব্যাঙটি কেন মারা গেল ?
অনেকেই
উত্তর দিবেন পানির উচ্চ তাপমাত্রার
জন্য । কিন্তু
আসলে ব্যাঙটি মারা গিয়েছে এই
কারণে যে, কখন লাফ দিয়ে বের
হতে হবে সঠিক সময়ে এই
সিদ্ধান্ত সে নিতে পারে নি ।
চাতুর্যপূণ, বিভ্রান্তিকর ও
প্রচন্ড
শক্তিশালী শয়তান আমাদের
অবস্তা এই
ব্যাঙের মতো করে ফেলে । মানুষ এবং ব্যাঙের
রয়েছে অসাধারণ
মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা ।
একজন মানুষ
সকল পাপানুকুল পরিবেশের
সাথে মানিয়ে নিতে পারে ।
একটা শিশুর সেন্স আসার পর থেকেই
শয়তান তাকে ধোঁকা দিতে শুরু
করে ।
তাকে ইবাদত থেকে গাফিল করার
চেষ্টা করে ।
আল্লাহ্ মানুষকে শয়তানের সাথে মোকাবেলা করার
শক্তি
দিয়েছেন
।
সেই শক্তি সে শয়তানকে প্রতিহত
করার
কাজে ব্যয় না করে তার সাথে মানিয়ে নিতে ব্যয়
করে এবং চিন্তা করে আর
কয়েকদিন পর
ভালো হব, নামাজ পড়ব ।
এভাবে ধীরে ধীরে শয়তানের
প্ররোচনা বাড়তে থাকে, মানুষও সেই
পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে
চায় ।
এভাবে ধীরে ধীরে শয়তানকে
প্রতিহত
করার সকল শক্তি সে শয়তানের সাথে আপোষ
করার কাজে ব্যয়
করে ফেলে । ফলশ্রুতিতে তার
সকল
চারিত্রিক গুণ এবং মানবিকতা
নষ্ট
হয়ে যায় এবং আর ইসলামের পথে আসা সম্ভব হয়
না ।
হালালকে হারাম এবং হারামকে
হালাল
মনে করতে শুরু করে ।
প্রথম ক্ষেত্রে ব্যাঙের জন্য
সবচেয়ে করুন এবং মর্মান্তিক পরিণতি হল তার
মৃত্যু কারন সে
একটু
সচেতন হলেই সেটা ঠেকাতে
পারত ।
আর
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে একজন মানুষের জন্য
সবচেয়ে করুন পরিণতি হল তার
ঈমান
আমলের ধ্বংস । তাই একটা ক্ষুদ্র
অন্যায় থেকে নিজেদেরকে বিরত
রাখার সামর্থ্য থাকলে সেটারবিরুদ্ধে
প্রতিরোধ
গড়ে তোলা আবশ্যক। কেননা
শয়তান মৃত্যু
অপেক্ষাও ভয়ংকরপ্রতিপক্ষ । ‘শয়তান তো এটাই
চায়, মদ ও
জুয়া দ্বারা তোমাদের পরস্পরের
মধ্যে শত্রুতা ও হিংসা সৃষ্টি
করে এবং
আল্লাহ্র স্মরণ ও নামাজ থেকে
তোমাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখে । সুতরাং এখনও কি
তোমরা ফিরে
আসবে?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now