বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একদিন সময় আসবে
.
১ ) বৃত্তের মৃত্যুর পর বিন্দু অনেকটা আসহায় হয়ে
পরে । ২টা মেয়ে নিয়ে কোথায় যাবে , কি করবে , কিভাবে
তার সংসার চলবে , কিছুই জেন বুঝে উঠতে পারছিল না
।আর ২ মাস পর বড় মেয়ের এস , এস,সি পরক্ষা ।ফর্ম ফিলাপ
করতে হবে । স্কুল হতে খুব চাপ দিচ্ছে । আর ২ দিনের
ভিতরে টাকা জমা দিতে না পাড়লে মেয়ের আর
এস,এস,সি দেওয়া হবে না । বাধ্য হয়ে বিন্দু চলে যায়
বৃত্তের এক নিকটস্থ বন্ধু আবিদের কাছে ।হাত পাতে সাহায্যের
জন্য ।সাহায্যের প্রতিশ্রুতি ও দিয়েছিল ।বিনিময়ে কিছু
অনৈতিক ইচ্ছার পুরন ।
.
২) বিন্দুর বাসার পাশেই ছিলো বৃত্তের বাসা ।প্রতিনিয়তই
বিন্দুর কলেজ যাত্রার সঙ্গি হতে চাইতো । বিন্দু যখন কলেজ
যাত্রার উদ্দেশ্যে পা বাড়াত , বৃত্ত তখন তার সকল কর্মকাণ্ডে
ব্যাঘাত ঘটিয়ে পিছ নিতো বিন্দুর । প্রথম অবস্থায় বিন্দুর
কাছে বিষয়টা খারাপ লাগলেও , সময়ের পরিবর্তনে সব
কিছু ঠিক হয়ে যায় । বৃত্তের জন্যে বিন্দুর মনে ভালবাসার
উদয় হয় ।শুরু হয় দুজনের একসাথে পথ চলার নতুন দিগন্ত ।
.
৩) বৃত্ত একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র । ভাল ছাত্র
হওয়ার সুবাদে আকিটেকচার নিয়ে পড়াশুনা করে ।খুব
ছোট বেলায় বৃত্তের বাবা মা মারা যায় গাড়ি এক্সিডেন্টে ।
এর পর হয়েই বড় চাচার কাছে । ছোট ভাইয়ের অঢেল
সম্পত্তির লোভে কাছে তেনে নেয় ছোট ভাইয়ের ছেলেকে ।
জীবন বৃত্তান্তে বৃত্তের ভাল থাকার কথা কেও কোনদিনও
শুনতে পায় নি । বৃত্তের ইন্টার পরিক্ষার পরে বৃত্তের চাচা
বৃত্তের পড়াশুনার জন্য অর্থ প্রদানে দ্বিমত পোষণ করে ।
হয়তো বৃত্তের পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ দেখে তার মনে একটু
ভালবাসার জন্ম নেয় । তাই তাকে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করায় ।
.
৪) বিন্দু যখন অনাস ২য় বর্ষে , তখন তার বাসা থেকে
জোর করে বিয়ে দিয়ার তোর-ঘোর চলতে থাকে । বৃত্ত
সবে মাত্র এম,এস,সি শেষ করলো । এখন কোন চাকুরীর
সন্ধান পায় নি । বিন্দুর বাসার থেকেও এমন একটা বেকার
ছেলের হাতে বিয়ে দিবে না । তাই তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় ,
যে তারা পালিয়ে যাবে । দিন তারিখ ঠিক করে ফেলে ।
পালানোর সময় তাদের সাথে সর্বক্ষণ সঙ্গ দিয়েছে বৃত্তের
সব থেকে আপন বন্ধু আবিদ । আবিদ দাড়িয়ে থেকে বৃত্ত
আর বিন্দুর বিয়ে দেয় ।
.
৫ ) বৃত্ত একটা প্রাইভেট কম্পানিতে ভালো সেলারিতে জব
করে । তাদের ২টা মেয়ে হয়েছে । আজো বৃত্ত আর বিন্দুর
বিয়ে তাদের ফেমিলি থেকে মেনে নেয় নি । ফেমিলি থেকে সব
কিছু মেনে না নিলেও আজ তারা খারাপ নেই । অনেক
শান্তিতে কাটছিল তাদের জীবন । হঠাথ বৃত্তের বৃত্তের ব্লাড
ক্যান্সার ধরা পরেছে । কোথায় আছে
না “ শরীরে সুখ বেশি দিন সয় না ’’ । ওদের বেলায়ও ঠিক
তাই হয়েছে ।
.
৬) আজ বিন্দুর আর কোন কষ্ট নেই । তার মেয়ে দুটা
আজ অনেক বড় হয়েছে । অনেক ভালো জব করছে । মাকে
এখন আর কোন কষ্ট করতে দেয় না । বৃত্তের মারা যাওয়ার
পর বিন্দু মানুষের বাসায় কাজ করে তার মেয়ে দুটোকে
পড়াশুনা করায় । নিজে একবেলা না খেয়ে মেয়েদের খাওয়ায় ।
মেয়েরা মায়ের কষ্টের ফল দিয়েছে ।আজ তারা পড়াশুনা
করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । আজ তার কিছু না থাকলেও সব আছে ।
.
writter : tanjib britto
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now