বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এক পশলা রোমান্টিক বৃষ্টি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mst.Faujia Alam (০ পয়েন্ট)

X জীবনে শখের দাম লাখ টাকা। এক টাই জীবন। সেই জীবনে থাকে অনেক রকম চাওয়া পাওয়া। কিছু হয় পূরণ। কিছু অপূরণীয় থেকে যায়। আবার যখন পূরণ হয় মনে হয় কেন সেই ২০ বছর আগে পূরণ হলো না। সে যাই হোক। যেটা ২০ বছর আগে পূরণ হয়নি কীভাবে সেটা ২০ বছর পর পূরণ হবে সেটাই বিষয়। হ্যা ত আমি ত এক পশলা দমকা বাতাসের সাথে রোমান্টিক বৃষ্টির কথা বলছি। প্রতিটি গল্পের নায়ক নায়িকা থাকে। নায়ক নায়িকা ছাড়া গল্প, সিনেমা,কবিতা উপন্যাস নাকি মানায় না। বড় বড় লেখকরা নায়ক নায়িকার কথা লিখে গেছেন। নাম দিয়ে গেছেন তাদের। আমি ত মনে করি লেখকদের নাম গুলো চয়েসের ব্যাপারেও কারসাজি আছে। সেটা হয়ত আমরা জানি না। এই বিষয়ে দয়া করে কোন লেখক মাইন্ড করিয়েন না। অতি ক্ষুদ্র জ্ঞানে যেটা মনে হলে ফেসবুকের টাইমলাইন এ তাই লিখে দিলাম।। যাই হোক যেটা লিখবো বলে ভেবে রেখেছি,সাজিয়ে রেখেছি সেটা শেষ করতে না পারলে পাঠক বিরক্তি প্রকাশ করতে পারেন। যদিও তারও কোন অবকাশ নেই। যথারীতি নায়িকার ছেলেবেলা থেকেই শখ ছিল কোন এক বৃষ্টিতে নায়কের সাথে ভিজবে। হতে পারে সেটা হঠাৎ বৃষ্টিতে। আচমকা বৃষ্টিতে মজা করে ভিজতে বেশ ভালো লাগে। কিন্তু এক পশলা বৃষ্টিতে হয় নায়ক অনুপস্থিত নতুবা নায়িকা। সেই শখ আর পূরণ হলো না। রয়ে গেল মনের এক গহীনে। হঠাৎ ২০ বছর পর আবির্ভাব হলো নতুন রূপে নতুন পরিবেশে নতুন কিছু। মাঝখানে কেটে যায় বছরের পর বছর। কত যে দমকা হাওয়া বয়ে গেছে,কত যে এক পশলা,দুই পশলা,হাজারো পশলা বৃষ্টি বয়ে গেছে প্রকৃতির উপর দিয়ে তা বলাই বাহুল্য। শুনেছিলাম দেখেছিলাম আর ভেবেও রেখেছিলাম। সেটা যে দেড় যুগের বেশি সময় পর বাস্তবায়িত হবে তা ত আর জানা ছিল না। বসন্তের আগমনী ঋতুতে গান নিয়ে হঠাত একদিন একটি পরিবেশের আবির্ভাব হয়। হয় কিছুটা সময় দেখা,কথা,গাল গপ্প। পরিবেশটা দেখে মনে হয় ইশ এমনটা যদি ১০০ বছর পূর্বে হত। এভাবেই বয়ে চলে ঘড়ির কাঁটা সাথে কালো মেঘাচ্ছন্ন আকাশের গতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। ছাউনিতে যেতে না যেতেই বৃষ্টি তাদের আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে ফেলে। বৃষ্টির সাথে যোগ দেয় বৃষ্টির ভাই দমকা বাতাস। যেখানে বৃষ্টির ভাই ছাউনিতে গিয়ে প্রবেশ করে। কিন্তু নায়ক সমস্ত বৃষ্টির পানি নিজের মাথায় করে নেয়। পিঠ পেতে বলে নে ভায়া তুই এখানে পানি ফেলে দে আকাশ ফুঁড়ে,আর বৃষ্টির ভাই দমকা বাতাসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নায়িকাকে জড়িয়ে ধরে। কয়েক মিনিট চলতে থাকে আবেগঘন বৃষ্টির ছিটেফোঁটা।। উপায়ন্তর ছিল না বলেই এমন অবস্থা সেটা দুজনই বুঝতে পারে তবুও কী যেন একটি গোলক ধাঁধাঁয় পড়ে যায় নায়িকা। নায়িকার জীবনে এমন একটি দিন ছিল জীবনের সবচেয়ে অন্যরকম দিনের চেয়ে কয়েক কোটিগুণ বেশিদামী দিন। হয়ত অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়েছে তবুও ধরা দেয়নি আজকের দিনের মত দিনটি। তারপর পরিসমাপ্তি ঘটে এই গল্পের। অবস্থান এর উপর ভিত্তি করে যার যার অবস্থানে চলে যেতে কেউ দ্বিধাবোধ করে না।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এক পশলা রোমান্টিক বৃষ্টি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now