বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক বিড়াল আর এক শিয়াল কে কত রাজনীতি বোঝে তাই নিয়ে একদিন গল্প করছিল। শিয়াল বলল, “যত বড় বিপদই আসুক, আমার মত লোকের পরোয়া করার কোন কারণ দেখি না। অজস্র কায়দা-কসরৎ জানি আমি। আমার কোন রকম ক্ষতি করবার আগে সেই সব কাটাতে পারতে হবে।” “আমি বরং, আশা করছি তেমন কিছু হবে না, তবু,” বলল সে, “বিড়াল-দিদি, ধরুন এক্ষুনি এখানে একটা আক্রমণের ঘটনা ঘটে গেল। আপনি তখন নিজেকে বাঁচানোর জন্য কোন কোন ব্যবস্থা নেবেন সে নিয়ে ভেবে রেখেছেন কিছু?” “নাঃ, শিয়াল-দাদা”, উত্তর দিল বিড়াল, “আমি ত কেবল একটাই উপায় জানি। সেইটা কাজ না করলে আমি গেছি, শেষ একেবারে।” “খারাপ লাগছে আপনার জন্য,” উত্তর দিল শিয়াল, “মন থেকে বলছি। আর, আপনার কোন কাজে লাগতে পারলে খুবই খুশীও হতাম আমি। কিন্তু কি জানেন, প্রতিবেশী আপনি, বোঝেনই ত, যা দিনকাল পড়েছে এখন, কাউকেই আর বিশ্বাস করা যায়না। সেই যে বলে না, নিজের ব্যবস্থা নিজেরই করে নিতে লাগে।” শিয়ালের কথাগুলো মুখ থেকে খসতে না খসতেই তাদের কানে এল এক পাল শিকারী কুকুরের আওয়াজ। ভীষণ চিৎকার করতে করতে কুকুরের দল এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল তাদের উপর। বিড়াল, একটা কায়দাই ত জানত সে, দৌড়ে একটা গাছে উঠে পড়ল। অনেক উঁচুতে মগডালের নিরাপদ আশ্রয়ে বসে দেখতে লাগল শিয়ালের অবস্থা। হরেক রকমের কায়দা কসরৎ করতে গিয়ে শিয়াল আর কিছুতেই কুকুরগুলোর নজরের বাইরে যেতে পারল না। কুকুরগুলো তাকে ঘিরে ধরে টুকরো টুকরো করে ফেলল।
প্রাচীন বচনঃ একটুখানি সাধারণ বুদ্ধি প্রায়ই গাদা-গুচ্ছ কৌশলের থেকে বেশী কাজে লাগে।
(প্রাচীন বচনটিই ভিন্ন বাচনভঙ্গীতেঃ পলাইতে জানে না ক্যার্দানি দ্যাখায়!)
আমি বলিঃ শিয়াল যদি বা ঘিরে ফেলে ধরা যায়, বিড়াল ধরতে গেলে গাছে চড়ার কি গাছ ঝাঁকানোর ক্ষমতা থাকা দরকার হয়। দুর্নীতির আশ্রয়দাতা গাছগুলিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে দুর্নীতির বড় কারবারীদের ধরা যায় না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now