বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক খৃষ্টান বাদশাহ চারটি প্রশ্ন
লিখে ওমর (রাঃ) এঁর কাছে
পাঠালেন এবং আসমানী কিতাবের
আলোকে প্রশ্নের উত্তর চাইলেন।
.
১ম প্রশ্নঃ
একই মায়ের পেট হতে দু'টি বাচ্চা
একই দিনে একই সময় জন্ম
গ্রহন করেছে এবং একই দিনে
ইন্তেকাল করেছে তবে
তাদের একজন অপরজন থেকে
১০০ বছরের বড় ছিলো।
তারা দুইজন কে? কিভাবে তা
হয়েছে?
.
২য় প্রশ্নঃ
পৃথিবীর কোন্ স্থানে সূর্যের
আলো শুধুমাত্র একবার পড়েছে।
কেয়ামত পর্যন্ত আর কখনো
সূর্যের আলো সেখানে পড়বে না?
.
৩য় প্রশ্নঃ
সে কয়েদী কে, যার কয়েদ খানায়
শ্বাস নেওয়ার অনুমতি নেই আর
সে শ্বাস নেওয়া ছাড়াই জীবিত
থাকে?
.
৪র্থ প্রশ্নঃ
সেটি কোন কবর, যার বাসিন্দা
জীবিত ছিল এবং কবরও জীবিত
ছিল, আর সে কবর তার
বাসিন্দাকে নিয়ে ঘোরাফেরা
করেছে এবং কবর থেকে
তার বাসিন্দা জীবিত বের হয়ে
দীর্ঘকাল পৃথিবীতে জীবিত ছিল?
.
হযরত ওমর (রাঃ) হযরত
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে
ডাকলেন এবং উত্তরগুলো
লিখে দিতে বললেন। ইবনে
আব্বাস (রাঃ) উত্তরগুলো লেখেন,
.
১ম উত্তরঃ
দুই ভাই ছিলেন হযরত ওযায়ের (আঃ)
এবং ওযায়েয (আঃ) তারা একই
দিনে জন্ম এবং একই দিনে ইন্তেকাল
করা সত্বেও ওযায়েয (আঃ)
ওযায়ের (আঃ) থেকে ১০০
বছরের বড় হওয়ার কারন হল,
মানুষকে আল্লাহ তায়ালা
মৃত্যুর পর আবার কিভাবে
জীবিত করবেন?
হযরত ওযায়ের (আঃ) তা
দেখতে চেয়ে ছিলেন। ফলে
আল্লাহ তাকে ১০০ বছর
যাবত মৃত্যু অবস্থায় রাখেন
এরপর তাঁকে জীবিত করেন।
যার কারনে দুই ভাইয়ের
বয়সের মাঝে ১০০ বছর
ব্যবধান হয়ে যায়।
.
২য় উত্তরঃ
হযর মুসা (আঃ) এর মু'জিযার কারনে
বাহরে কুলযুম তথা লোহিত সাগরের
উপর রাস্তা হয়ে যায় আর সেখানে
সূর্যের আলো পৃথিবীর ইতিহাসে
একবার পড়েছে এবং কেয়ামত
পর্যন্ত আর পড়বে না।
.
৩য় উত্তরঃ
যে কয়েদী শ্বাস নেওয়া ছাড়া
জীবিত থাকে, সে কয়েদী হল
মায়ের পেটের বাচ্চা, যে নিজ
মায়ের পেটে কয়েদ (বন্দী) থাকে।
.
৪র্থ উত্তরঃ
যে কবরের বাসিন্দা জীবিত
এবং কবরও জীবিত ছিলো,
সে কবরের বাসিন্দা হলেন
হযরত ইউনুস (আঃ) আর কবর
হল ইউনুস (আঃ) যে মাছের
পেটে ছিলেন সে মাছ।
আর মাছটি ইউনুস (আঃ) কে
নিয়ে ঘোরাফেরা করেছে।
মাছের পেট থেকে বের হয়ে
আসার পর ইউনুস (আঃ)
অনেক দিন জীবিত ছিলেন।
এরপর ইন্তেকাল করেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now