বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এক চিমটি গল্প চিঠি : মাধবীলতা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X এক চিমটি গল্প চিঠি : মাধবীলতা --- শাকিল রনি মাধবীলতা, শেষবার যখন তোমায় লিখেছিলাম তখনও তোমার শরীরে কুমারী গন্ধ ছিল। আজ এতদিন পরে যখন তোমায় লিখছি তুমি অন্য কারো ঘরণী । অথচ তুমি বলেছিলে, পৃথিবী দুই ভাগ হয়ে আলাদা হলেও তুমি আমায় ছেড়ে যাবে না। যাক সে কথা। কেননা তোমায় যে আমি কোনো দোষারোপ করতে চাই না। তবুও ভাবতে পারো কেন লিখছি তোমায়। আসলে তোমায় আমি কিছুই লিখছি না। লিখছি নিজেকে। তোমায় লেখার অজুহাতে আমি নিজেকেই কিছু কথা বলতে চাই। তুমিও না হয় শুনো আমি কি বলতে চাই নিজেকে। বাবা রেলের চাকরি ছেড়ে দেয়ার পরে আমাদের সংসারে ছোটোখাটো একটা ঝড় বয়ে গিয়েছিলো। তখন তোমার সাথে আমি কেবল মনটা নিয়ে উড়ছিলাম। ভালোবাসার একেকটা সুতোয় তোমায় বুনছিলাম। আর তুমিও কি গাঢ় করে ভালোবাসার এক তীব্র শক্তিতে আমায় আঁকড়ে ছিলে। সেই কলেজ রোডের রায় বাড়ির পিছনের পুকুর পাড়ের ঘাটেই তোমার আমার মনের প্রথম প্রেমের ফুল ফুটেছিলো। আমার আজো মনে আছে, তুমি একটা সবুজ রঙের সুতির শাড়ি পড়েছিলে। দুইপাশে বিনি করা চুল। চুলের আগায় সবুজ রঙের ফিতে। আজ এতকাল পরেও তোমার সেই লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া মুখটা আমার চোখে ভাসে। কি ভীরুই না ছিলাম আমি। কে কি ভাববে এই কথা ভেবে তোমায় হাতটা ধরবো ধরবো করেও ধরতে পারি নি। ঈশ্বর জানেন সেদিন ঢোক গিলতে গিলতে আমার গলা শুকিয়ে গিয়েছিলো। অথচ তুমি একটা সময় ঠিকই আমার হাত ধরে আবার ছেড়ে দিলে। সেই তোমার প্রথম স্পর্শ আমি আজো টের পাই। ঠিক সেইদিনের মতোই কেঁপে কেঁপে উঠি। বুকের ভিতরে এক পৃথিবী টলটলে অনুভূতি নিয়ে সেদিন বাড়ি ফিরেছিলাম। বাড়ি ফিরেই জানতে পারি বাবা চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। মাধবীলতা, এই পৃথিবীর আর কেউই জানে না। আজ তোমায় বলি। বাবা চাকরি ছেড়ে দেয় নি। বাবাকে চাকরি থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল দুর্নীতির কারণে। বাবার খুব মদের নেশা ছিল। মায়ের সাথে এই নিয়ে কখনোই বনিবনা হতো না। প্রায় রাতে বাবা মায়ের গায়ে হাত তুলতো। সেই রাতেও বাবা মাতাল হয়ে মাকে মারলো। মা গুমরে গুমরে কাঁদলো। যেন আমরা কেউ বুঝতে না পারি। আমার ছোট বোন নীলাক্ষী যাকে আমি নীলু বলে ডাকতাম, ও আমায় আস্তে করে ডাক দিয়ে বললো , " দাদা মা কাঁদছে। " আমি নীলুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম ," ঘুমিয়ে যা। সকালে স্কুলে যেতে হবে না।" আমি আর নীলু নিচে ঘুমোতাম। দিদি খাটে ঘুমোতো। নীলু আমাকে ছাড়া ঘুমাতে পারতো না সেই ছোটবেলা থেকেই। দিদিও কাঁদলো। একটু পরে নীলু আমায় জড়িয়ে ধরে ঢুকরে কেঁদে উঠে। আমি ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেই। সেই রাতেও আমি কেবল তোমার কথাই ভেবেছিলাম। ইচ্ছে করছিলো ছুটে চলে আসি তোমার কাছে। তোমায় জড়িয়ে ধরে বলি, " মাধবীলতা, মা কাঁদছে। বাবা মাকে আবারো মেরেছে।" এই অশান্ত পৃথিবীতে তোমায় সেই রাতে তক্ষকের মতো খুঁজেছি জানো। মনে হচ্ছিলো তোমার বুকে যেন কি গভীর শান্তি লুকিয়ে আছে। তোমায় জড়িয়ে ধরলে যেন সব কষ্ট মুছে যাবে আমার। তোমার মুখটা ভাবতে ভাবতেই কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, জানি না। এরপর দিন তোমার সাথে দেখা হলো না। তার পরের দিন ও না। আমার মনে কি যে ঝড় চলছিল তোমায় আজ আর বোঝানোর সাধ্য আমার নেই। বাবা সারাদিন বাসায় থাকে। নীলুটা পালিয়ে পালিয়ে থাকে বাবার কাছ থেকে। এই মানুষটাকে নীলু খুব ভয় পেতো। কিন্তু বাবা আর কাউকে ভালোবাসুক আর নাই বাসুক নীলুকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসতো। তোমার সাথে দেখা হলো না দুইটা দিন। মা আমায় খুব লজ্জিত সুরে খুব আস্তে আস্তে বলেছিলো, "বাবা কিছু একটা কর। এই সংসারটা বাঁচা। তোর দিদির বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। " আমি জানি মা কতটা অসহায় হয়ে আমায় কথা গুলো বলেছে। যেই মা আমাদের পড়ালেখার জন্য এতো যুদ্ধ করলো সেই মায়ের পিঠ কতটা দেয়ালে ঠেকে গেলে আমায় পড়ালেখা ছাড়তে বলতে পারে। তোমার সাথে ঠিক পাঁচ দিন পরে দেখা হলো কলেজে। তোমার সেই ফুটফুটে মুখটা দেখে আমার বুকের সব ক্লান্তি কেমন যেন এক নিমিষে সরে গেলো। যখন মাথাটা নিচু করে মুচকি হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করলে, "কেমন আছো ?" বিশ্বাস করো সেই মুহূর্তে আমার চেয়ে ভালো এই পৃথিবীতে আর কেউই ছিল না। তোমায় কত কথা বলার ছিল কিন্তু বলা হলো না। তোমাকে বলতেও পারলাম না আজই আমার শেষ দিন কলেজে। তোমার ফুটফুটে মুখের হাসিটা মুছতে চাইনি বলে। ঈশ্বর যাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাদের জীবনটা যে কত অসহায় হয়ে যায় সেটা অন্য কারো বোঝার কথা না। দুইদিনের ঠান্ডা জ্বরে নীলুটা মরে গেলো। আমার চোখে আঁধার নেমে এলো। এতো আদরের বোনটা, যে আমায় ছাড়া রাতে ঘুমুতে পারে না; সে আমায় ছেড়ে চলে গেলো। শ্মশানে গিয়ে যখন নিজের বোনকে পুড়তে দেখলাম আমার বুকের ভিতর সেই থেকে যে একটা শ্মশান জ্বলতে শুরু করেছে আজ থামেনি। আমার বারবার মনে হচ্ছিলো নীলু আমায় কান্না করতে করতে ডাক দিয়ে বলছিলো, "দাদা আমায় নিয়ে যা। বড্ড আগুন। আমি পুড়ে যাচ্ছি দাদা। আমায় নিয়ে যা তুই। ও দাদা নিয়ে যা না। আর মাকে জ্বালাবো না। ঠিক মতো পড়বো দাদা। দেখিস এইবার ঠিক আমি প্রথম হবো। তুই আমায় নিয়ে যা দাদা।" সেই রাত থেকে আমি ঠিক মতো ঘুমুতে পারি না। নীলুর জামায় মুখ গুঁজে ওর গায়ের গন্ধ নিয়ে নীরবে কেঁদেছি। ঈশ্বর এতো পাষান কেন বলতে পারো মাধবীলতা ? আমার নীলুর গায়ের গন্ধ ও বেশি দিন ঈশ্বর আমায় পেতে দিলো না। আস্তে আস্তে মিইয়ে গেলো গন্ধ। মা সেই রাতে বুক চাপড়েছে আর মূর্ছা গেছে। বাবা কোনো কথাই বলেনি কারো সাথে। একফোঁটা কাঁদেনি পর্যন্ত। দিদি মাঝরাতে আমার কাছে নিচে এসে শুলো। আমায় ধাক্কা দিয়ে বললো, "অপূর্ব! এই অপূর্ব ওঠ! দেখ নীলু আমায় ডাকছে।" আমি উঠে বসে দিদির মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, "দিদি ঘুম দে। ঘুম দে দিদি। " দিদি যদি কোনদিন নীলুকে না খাইয়ে দিতো সেইদিন নীলুকে আর খাওয়ানো যেত না। মাঝে মাঝে দিদির সাথে ভীষণ ঝগড়া হতো নীলুর। কিন্তু খাওয়ার সময় হলেই দিদির পিছনে পিছনে ঘুরঘুর করতো খাইয়ে দেয়ার জন্য। মায়ের হাতেও খেত না। দিদিই ছিল নীলুর মায়ের মতো। নীলু হওয়ার পরে দিদি নীলুকে পেলে বড় করেছে। নীলুর সব মান অভিমান দিদির সাথেই করতো। কিছু চাইতে হলে দিদির কাছেই চাইতো। তোমার সাথে আমার আর দেখা হয় নি এরপরে। কেন হয়নি বা কেন দেখা করিনি সেই কথা আর মাঝখানের কিছুদিনের কথা বাদ দিলাম। আমি বর্ধমান ছেড়ে কলকাতায় চলে এলাম। ছোট মামার এক পরিচিত ছাপাখানায় কাজ জুটে গেলো। মাইনে বেশি ছিল না। তাই ওভার টাইম করতে হতো। সারাদিনের খাটুনির মাঝে তোমার কথা, নীলুর কথা কারো কথাই আমার মনে থাকতো না। এই ফাঁকে একদিন তোমায় চিঠি দিলাম। সেই সাথে শুরু হলো অপেক্ষা। কবে তোমার চিঠি আসবে। মায়ের চিঠি আসে কিন্তু তোমার চিঠি আসে না। বার বার মনে হতে থাকলো তুমি কি তবে চিঠি পাওনি। মা চিঠি দিয়ে জানালো বাবা আর মদ খায় না। বাবা কেমন যেন নিষ্প্রাণ হয়ে গেছে। নীলুর জন্য বা বাবার চাকরি ছেড়ে দেয়ার কারণে আমাদের জীবনটা থেমে থাকলো না। কি ভীষণ রকমের স্বার্থপর আমরা। সবাই যেন খুব করে বাস্তববাদী। বাবা কেবল নিজেকে দোষ দিয়ে বলতো , "পাপ পাপ। সবই পাপের ফল। আমার নীলুটা আমার পাপের জন্যই মরে গেলো। " বাবা একেবারেই পাল্টে গেলো। মায়ের সাথে কোনো দুর্ব্যবহার করেনা। দিদিকে বকে না। সারাদিন নীলুর বই খাতা নিয়ে নাড়াচাড়া করে। বাবা নীলুকে বলেছিলো এইবার ক্লাসে ভালো করলে সুন্দর একটা স্কুল ব্যাগ আর একজোড়া লাল টুকটুকে জুতো কিনে দিবে। আমাকে নীলু প্রায়ই জিজ্ঞেস করতো, "দাদা, বাবা কি সত্যি আমায় ব্যাগ আর জুতো কিনে দেবে? " আমি হেসে বোনটাকে পিঠে হাত দিয়ে বলতাম, "দিবে রে দিবে। ভালো করে পড় বুঝলি। নাহলে তোকে বিয়ে দিয়ে দেবে। বরের ঘরে গিয়ে তোকে তখন হাড়ি পাতিল মাজতে হবে।" নীলু খুব ক্ষেপে যেত। ও বলতো ও বিয়ে করবে না। সারাজীবন আমার সাথে থাকবে। দিদির হাতে খাবে। আমাকেও বিয়ে করতে দিবে না, যদি আমার বৌ ওকে আমার সাথে রাতে ঘুমুতে না দেয় এই জন্য। জানি না এতো কথা কেন বলছি বা কি বলছি। তোমাকে যেন আমার অনেক কথাই বলার আছে। কিন্তু কি যে বলি। কোথা থেকেই যে শুরু করি কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার মনটা সত্যি ভাল নেই মাধবীলতা। তোমার চিঠির অপেক্ষা একদিন ফুরোলো। ঈশ্বর যেন আমার দিকে মুখ তুলে চাইলো। তোমার হাতের লেখার দিকেই তাকিয়ে কাটিয়ে দিয়েছিলাম কয়েক ঘন্টা। বুকে অনেক সাহস পেলাম তোমার কথায়। তুমি লিখেছিলে, এই পৃথিবী আলাদা হয়ে গেলেও তুমি আমায় ছেড়ে কখনোই যাবে না। আমায় অযথা চিন্তা করতে মানা করলে। মন দিয়ে কাজ করতে বললে। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতে বললে। তোমার চিঠিটা ছিল আমার জন্য অক্সিজেনের মতো। যেন প্রাণ ফিরে পেলাম বুকে। কিন্তু কি আশ্চৰ্য সেটাই ছিল তোমার প্রথম আর শেষ চিঠি। এরপরে তোমায় দেওয়া আর একটা চিঠির উত্তরও আমার কাছে আসেনি। তুমি চিঠি পেতে কিনা জানি না। এরমধ্যে একদিন তোমার মেজ কাকার মেয়ের সাথে কলকাতাতেই দেখা হলো। ও জানতো সবকিছুই। ওর বড় সাথে থাকায় তেমন একটা কথা হয় নি। শুধু খুব আস্তে করে বলেছিলো, "অপূর্ব দা, তুমি মাধবী কে ভুলে যাও। ওর সংসারে কোনো অশান্তি করো না। ও সুখে আছে। চলি। নমস্কার।" আমার পৃথিবীটা দুলে উঠলো। দুই ভাগ হয়ে গেলো পৃথিবী। এক ভাগে তুমি দাঁড়িয়ে আছো। আরেক ভাগে আমি। অথচ তোমার তো আমার ভাগে দাঁড়িয়ে থাকার কথা ছিল। তোমার পৃথিবীটা তুমি কি সুন্দর করেই না গুছিয়ে নিয়েছো। তোমায় আমি দোষ দেই না। কেন আমায় ছেড়ে চলে গেলে বা ঠিক কি হয়েছিল তোমার জীবনে তাতো আমায় বলো নি। তবে কেন মিছে মিছে দোষ দেই তোমায় বলো। প্রার্থনা করি সুখী হও। আমি একটা দিনের জন্য ও তোমায় ভুলতে পারি না মাধবীলতা। তোমায় আর পাবো না কখনো এই কথাটা আমি মেনে নিতে পারি না। মেনে নিতে পারি না আমাদের ভাগ্যকে। আজ নিজেকে খুব অসহায় লাগছে বলে তোমার কাছে একটু আশ্রয় চাইছি। গত পরশু বাবা মারা গেছে। এই মানুষটা কে আমরা কেউ কোনোদিন বুঝতে পারিনি। দিদির ভালো বিয়ে দিয়েছেন। কোথা থেকে যে এতো টাকা পেলেন জানিনা। আমাদের ঘরে অভাব ছিল আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। কিন্তু বাবা সেই তাকে কখনো হাত দেয় নি। সংসারের প্রতি উদাসীন এই মানুষটা ঠিকই দিদির জীবনটা সাজিয়ে দিয়ে গেলো। অনেক সুখের সংসার দিদির। বাবা মারা যাওয়ার পরে আমার মাথার উপর থেকে যেন আকাশটা সরে গেলো। কিন্তু বাবাকে কখনো আকাশ মনে হয়নি আমার। গত কয়েক বছরে বাবা তো আমাদের কোনো কাজেই আসে নি। তবুও মানুষটা যে ছিল তার অভাবটা এখন তিলেতিলে টের পাচ্ছি জানো। বাবা মানে শুধু বাবা না মাধবীলতা তার চেয়েও অনেক কিছু। নীলু আমার বুকে যে শ্মশানটা জ্বালিয়ে গিয়েছিলো বাবা সেখানে আরো আগুন বাড়িয়ে দিয়ে গেছে। আমি আর সহ্য করতে পারছিনা মাধবীলতা। আমার এই মুহূর্তে তোমাকে খুব করে চাই। কিছুনা শুধু তোমার কোলে একটু মাথা রাখবো। তুমি আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে কেবল বলবে, "আমি আছি অপূর্ব। আমি আছি। দেখো আজ আমি সবুজ শাড়ি পরে এসেছি। চুলের বিনীতে সবুজ ফিতে। তোমার কোনো ভয় নেই অপূর্ব। আমি আছি। "


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এক চিমটি গল্প চিঠি : মাধবীলতা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now