বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক ছেলে কাহিনী টি হল।। সত্য ঘটনা,ছেলে নাম শুভ।সে এক জন গরীবের ছেলে।তার বাবা মা ইচ্ছে ছিল তার ছেলে তাদের ঘরের কাজে সহযোগিতা করবে। কিন্তু শুভ পড়া লেখা করতে চাই। শুভ তার স্বপ্ন পূরনে জন্য সে এক ব্যাক্তির দোকানে কাজ করে। মাসে ৩ হাজার টাকা করে পাবে।এবং শুভ দোকানে কাজ করবে রাত ৭.০০-১১.৫০ প্রযন্ত।এবং রাত তার মালিকের বাসাতে থাকবে। এমনি তার কর্ম জীবন শুরু হয়। দেখতে দেখতে তার তিন বছর চলে যায়।এবং সে এস এস সি পরিখা পাস করে।এবং সে কলেজে ভর্তি হওয়া জন্য অনেক চেষ্টা করে।। এবং সে ব্যথ হয়।কারন তার টাকা নেই। সে তার মালিকের কাছে টাকা নিতে গেছে। মালিক বলে, আমি টাকা দিতে পারবো না। শুভ তার মালিকে কাছে মিনুতি করে টাকা ধার নেয়। এবং সে পরের দিন কলেজে ভর্তি হন। এবং সে মালিকের ভাড়িতে কাজ করে।এবং মালিকের এক মেয়ে ছিল শান্তা। সে রংপুর স্কুল থেকে ssc পাস করে।।পরে আর পড়া লেখা করে না। তার নিজ গ্রামের চলে আসে।কয়কদিন পর শান্তা শুভর প্রেমে পড়ে যায়। এবং শান্তা তাকে বলে আমি তোমাকে ভালোবাসি। শুভ রাজি হয়না।এবং শান্তা নানা ধরনে পাগলামি কথা বলে। আমি তোমাকে ছাড়া বাচঁব না। তখন শুভ ভয় পেয়ে, রাজি হয়।এবং শান্তা তাকে বলে তুমি পড়ে লেখা করে কি হবে।শুভ বলে আমি cid অফিসার হবো। এবং কয়েক মাস পড়।। শুভ চলে যায় HSc প্ররিখা দেওয়া জন্য। এদিকে শান্তা কিছু ভালো লাগে না। সে গ্রামের মেলায়, এক ছেলে সাথে দেখা হয়।শান্ততা তাকে ভালোবাসতে শুরু করে। এবং ছেলেটি ধনী।। ছেলেটি শান্তাকে দেখে ভালো লাগে। সে তার বাবাকে দিয়ে। বিয়ে প্রস্তাব দেয়।শান্তার বাবা রাজি হয়।এবং চার দিন পর তাদের বিয়ে হয়ে যায়। আর শুভ প্ররিখা দিয়ে চলে আসে শান্তার দে বাড়িতে এবং শান্তার বাবা শুভ কে বলে শান্তার বিয়ে হয়ে গেছে।। তখন শুভ তার মনটা কাচের মত ভেঙ্গে গেছে।।সে দৈনিক মদ পান করতে থাকে।এক সময় সে পাগল হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ এক সময় তার পরিখা ফলাফল আসে। সে এই গ্রামে সর্বউচ্চ নাম্বার পেয়েছে।এবং শহর থাকে সাংবাদিক আসে তার সাথে দেখা করার জন্য। তারা এসে দেখে সে পাগল। তারা সব কিছু জানতে চায়। কিন্তু কেউ কিছু বলে না। তারা চলে যায়।এবং কয়েকদিন পর শান্তা তার বাবা বাড়িতে আসে। এবং সে দেখে শুভ পাগল হয়ে গেছে। এবং শুভ শান্তাকে বলে তুমি আমার শান্তাকে দেখেছ। শান্তা বলে না। এভাবে করতে ক তে শুভ একদিন ক্যানসারে মারা যায়।কিন্তু তার বাবা মা এসব ব্যাপারে কিছু জানে না।একদিন শুভর বাবা শুভ মালিকের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারে তার ছেলে মারা গেছে।এভাবে শুভ জীবন সমাপ্ত হয়ে যায়।।।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now