বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এই তোমার নাম কি?

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X -ভাইয়া আপনি খুব মুডি। (ঘন্টাখানেক আগে পরিচিত হওয়া অপরিচিত এক মেয়ের মন্তব্য) -আমাকে দেখে কি তোমার মুডি মনে হয়? (আমার প্রশ্ন) -না, আপনাকে দেখে মুডি মনে হয় না। কিন্তু আপনার সাথে কথা বলে বোঝা যাচ্ছে আপনি অনেক মুডি। -এরকম কিছু মনে হলে তো আমার করার কিছু নেই। -এই যে দেখছেন আপনার মুড কত? -কেমনে দেখবো? আমার আমিকে তো দেখতে পাই না। -কিন্তু আমি তো আপনাকে দেখতে পাচ্ছি। -হুম পাচ্ছো। তাতে কি? তাছাড়া অল্প সময়ের এ পরিচয়ে আমার সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা তোমার ঠিক হয় নি। -আমি দুঃখিত। (মাথা নিচু করে ফেললো মেয়েটি।) আমি আমার মতো করে হাঁটছি। মেয়েটি আবার বলে উঠলো, ভাইয়া আপনি কি এমনই? -কেমন? (উল্টো প্রশ্ন করলাম) -কথা কম বলেন? -না, আমি যথেষ্ট প্রকৃতির বাঁচাল। -তাহলে যে এখন চুপচাপ আছেন। -তোমার সাথে কথা বলার প্রয়োজন মনে করছি না। তাই চুপচাপ আছি। -জলজ্যান্ত একজন মানুষ। তার ওপর আমি একজন মেয়ে মানুষ। আপনার কোনোই কিউরিসিটি নেই আমার বিষয়ে? -না। -না!!! মানে? (অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে তাকালো মেয়েটি।) -হুম ঠিকই বলেছি। তুমি যদি সত্যি আমার পাশে থাকতে তাহলে অনেক কিছুই বলতাম। -আপনার কি মনে হচ্ছে আমি আপনার পাশে মিথ্যে মিথ্যে হাঁটছি? -আমার মনে হচ্ছে না। এটাই সত্যি। তুমি আমার পাশে মিথ্যে মিথ্যে হাঁটছো। তুমি আমার মস্তিষ্কের সৃষ্টি। -এটা বলতে পারলেন ভাইয়া? -সত্য বলতে কোনো দ্বিধা থাকতে নেই। -আমি সত্যি সত্যি আপনার পাশে পাশে হাঁটছি। আমায় ছুঁয়ে দেখেন? -তোমায় ছুঁতে বলছো কেনো? -আপনাকে বিলিভ করাতে। আমি যে আপনার পাশে সত্যিই আছি তা বোঝানোর জন্য। -আমি তো বারবার বলছি যে তুমি সত্যি নও। তুমি আমার পাশে হাঁটছো কারণ তোমাকে আমার মস্তিষ্ক, আমার কল্পনা তোমাকে আমার পাশে হাঁটতে বলেছে তাই। -মোটেও না। ছুঁয়ে দেখেন। দেখেন বলছি। (চোখ পাকিয়ে গরম মেজাজ দেখিয়ে মেয়েটি আমায় ছুঁতে বলছে।) -না। কল্পনা ছুঁয়ে দেখা সম্ভব হয় না। -আপনি আমায় না ছুঁলে এখনই আমি ট্রাকের নিচে ঝাঁপ দেবো। . আমি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিয়ে মেয়েটির দিকে তাকালাম। এই মুহূর্তে আমি কনফিউজড হয়ে যাচ্ছি। মেয়েটা কি তবে সত্যি আমার পাশে পাশে হাঁটছে? যদি মেয়েটা সত্যি সত্যি আমার পাশে হাঁটে তাহলে যদি ও সত্যি সত্যি ট্রাকের নিচে ঝাঁপ দেয় তাহলে তো আমি বিপদে পড়ে যাবো। মেয়েটি মারা গেলে তার সম্পূর্ণ দায়ী হবো আমি। কিছু কিছু মেয়েরা এমন এক জেদি স্বভাবের হয়। এদের আবদার পূরণ করতে না পারলেই একটা দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলবে। আর এমন স্বভাবের মেয়েরা সামান্য কিছুতেই বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পটু। আমি ছোট করে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করলাম। মেয়েটি সত্যি সত্যি আমার পাশে পাশে হাঁটলে সে ট্রাকের নিচে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করবে। তখন তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুঁয়ে দিলেই প্রমাণ হয়ে যাবে যে, সে আমার মস্তিষ্কের তৈরি কোনো দৃশ্যপট নয়। সে অতি বাস্তব। কি হলো ভাইয়া? (অভিমানী স্বরে প্রশ্ন করে উঠলো মেয়েটা।) বুঝেছি আপনি আমায় স্পর্শ করবেন না। আমি এখনই ট্রাকের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রমাণ করে দিচ্ছি যে আমি সত্যি আছি। কথাগুলো বলতেই মেয়েটি এদিক- ওদিক তাকিয়ে চলন্ত গাড়ির দিকে দৌড় দিলো। মুখে ট্রাকের কথা বললেও সে চলন্ত মাইক্রোবাসের সামনে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য দৌঁড়াচ্ছে। আমিও বাধ্য হয়ে ওর পিছে দৌঁড়ে ওকে ধরতে চেষ্টা করছি। কিন্তু কেনো জানি ওর সাথে দৌড়ে পেরে উঠছি না। দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আমি হঠাৎ ছিটকে পড়ে গেলাম। পড়তে পড়তে লক্ষ্য করলাম মেয়েটি মাইক্রবাসের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়লো। . চোখ খুলতেই আশেপাশে প্রচুর ভীড় দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। ভীড় করে থাকা প্রতিটি মানুষকে দেখে মনে হচ্ছে তারা যেনো আমাকে চিড়িখানার প্রাণীর মতোই মজা করে দেখছে। এ ও কানাকানিও করছে লোকটা পাগল নাকি? এমন ভাবে কি কেউ আত্মহত্যা করতে যায়? ভীড় ঠেলে একজন অর্ধ ববয়স্ক লোক এগিয়ে আসলো আমার দিকে। মুখটা হাসি হাসি। তার মাথাভর্তি কাঁচা- পাকা কোঁকড়ানো চুলের ভেতরে কেউ একজন যেনো ছোট্ট একটা চড়ুই পাখির বাসা বানিয়ে দিয়েছে । তবে দেখে বেশ ভদ্র ঘরের বলেই মনে হচ্ছে। আমার কাছে এসে হাত ধরে টেনে তুলতে তুলতে বললো, জনাব আত্মহত্যা করা মহাপাপ। জানেন না? -জ্বি, জানি তো। -তাহলে আত্মহত্যা করার জন্য গাড়ির তলে ঝাঁপ দিতে যাচ্ছিলেন কেনো? -আমি তো একজন কে বাঁচানোর জন্য দৌঁড়ে আসছিলাম। কিন্তু পারলাম না তো। এতক্ষণে মনে হয় মেয়েটি মারা গেছে। -মেয়ে? কোথায় আপনি মেয়ে দেখলেন? কোনো মেয়ে মানুষ তো দৌড় দেই নি। আমি ভদ্রলোকের কথা শুনে খানিকটা লজ্জিত আবার খানিকটা আনন্দিত হলাম। লজ্জিত আর আনন্দিত হলাম একটা কথা ভেবেই যে, মেয়েটি আমার মস্তিষ্কের তৈরি ছিলো। বাস্তবের নয়। আমি ভদ্র লোকের দিকে তাকিয়ে লজ্জিত চোখে বললাম, ও। লোকটি কোনো ভুনিতা ছাড়ায় বললো, আল্লাহ আপনার কপালে মউত লিখে রাখে নি। তাই এখন মরলেন না। আপনি খুব সৌভাগ্যবান। . আমি লোকটির দিকে তাকালাম। কিন্তু কিছু বললাম না। শুধু মনে মনে সৌভাগ্যবান কথাটাকে পরিহাস হিসেবে নিলাম। পরিহাসটা আমি আমাকেই করছি। কারন সৌভাগ্য ব্যাপারটা আমার জীবনে খুব কম। লোকটি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললো, জনাব বলুন আমি সৌভাগ্যবান। আল্লার দরবারে শুক্রিয়া আদায় করে বলুন আলহামদুলিল্লাহ। -আমি সৌভাগ্যবান। আলহামদুলিল্লাহ। -এবার শুনেন আপনি কেনো সৌভাগ্যবান। আমি ভদ্রলোকের কথা শোনার আগহ্র হারিয়ে ফেললাম। বাঁচাল প্রকৃতির কোনো মানুষের কথা আগ্রহ দেওয়া মানে জেনে- বুঝে ফাঁদে পা ফেলা। আশেপাশে তাকিয়ে দেখলাম ভীড় খানিকটা কমে গেছে। তবে এখনও কয়েকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার আর এই আগুন্তক ভদ্র লোকের কথোপকথন আগ্রহ নিয়ে শুনছে। -আপনাকে আল্লাহ কেনো বাঁচিয়ে রাখলেন জানেন? যাতে করে আপনি আপনার পাপের জন্য তার কাছে তওবা করে মাফ চাইতে পারেন। সহিহ বুখারীতে, আনাস ইবনে মালিক বর্ণনা করেন: “ আল্লাহর রাসূল বলেন, "তোমাদের কেও মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া উট খুঁজে পেয়ে যতটা খুশি হয়, আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবাতে তাঁর চেয়েও বেশি খুশি হন।" আর আল্লাহ যার ওপর তুষ্ট সে তো সৌভাগ্যবানই হবে। জনাব দেখেশুনে চলবেন। আল্লাহ হাফেজ। . লোকটি দেখতে দেখতে চোখের আড়াল হয়ে গেলো। আমার আশেপাশে ভীড় কেটে গেছে। আমি মনে মনে আমার পাপ খুঁজতে খুঁজতে বাসার দিকে হাঁটছি। (পাপ খুঁজছি মানে এই না যে জীবনে পাপই করি নি। আসলে জীবনটা এতটা পাপময় যে কোন পাপের জন্য তওবা চাইবো তাই বুঝছি না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে কি সব পাপের জন্যই ক্ষমা করে দেবেন?) বাসায় এসে পৌঁছালাম। ঘামে ভেজা শার্ট খুলে ওয়াশ রুমে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে এসেই আমি অবাক হয়ে গেলাম। চোখ দুটো বের করে নিয়ে বিছানার দিকে তাকিয়ে আছি। সেই মেয়েটি এখানে কি করে এলো বুঝতে পারছি না। আমি তাকে কিছু বলের উঠার আগেই সে-ই বলে উঠলো, জনাব আপনি কি আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন? হিহিহিহিহি। আমি কোনো রকমে নিজেকে সামলে নিয়ে মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখতে মনোযোগ দিলাম। কারণ আমি জানি, যে মেয়েটি আমার বিছানায় বসে দাঁত কেলিয়ে বেহায়ার মতো হাসছে তাকে আমার ব্রেইন ছাড়া আর কেউ তৈরি করে নি। নিজের হাতের কাজ অনেক আছে। সবগুলো নিয়ম মতো করতে হবে। আমি এক এক করে সবগুলো করার চেষ্টা করছি। এক ফাঁকে বিছানায় তাকিয়ে দেখি মেয়েটি আমার বিছানায় বিশ্রী অবস্থায় শুয়ে আছে। (বিশ্রী অবস্থার বর্ণনা দিলে পাঠকের রুচিবোধকে আহত করা হবে। তাই এ অবস্থার কথা অবর্ণনীয় রইলো।) . রাত এগারোটা পার হয়ে গেছে। আমি নিয়ম মত লেখার টেবিলে বসলাম। মেয়েটি আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে চুপচাপ। যেনো সেও বুঝতে পারছে যে, লেখক এখন কলমের কালিতে চরিত্রদের নিয়ে খেলতে শুরু করবে। আমি মেয়েটির দিকে প্রথমবার তাকালাম। মেয়েটি আমার চোখে চোখ রাখলো। আমি কিছুই বললাম না। কারন কল্পনার সাথে কথা বলা পাগলের লক্ষণ। কিন্তু কি হলো মেয়েটির দিকে আমি দ্বিতীয় বার তাকালাম। এবার তাকে বলতে চেষ্টা করলাম, কি চাও তুমি? মেয়েটি আগের মতোই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকলো। কিছুই বললো না। আমি তৃতীয় বার তার দিকে তাকালাম আর বললাম, তোমার নাম কি? মেয়েটি দেখি কাঁদতে শুরু করেছে। আমি অবাক বিষ্ময় নিয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে আমার তৈরি কল্পনার মেয়েটিকে দেখতে লাগলাম। দেখতে দেখতে হঠাৎ করে মনে হলো মেয়েটির নাম অমানিশা। এই মেয়েটি আমার পূর্ব পরিচিত ছিলো। মেয়েটি আমার কাছে একটা আবদার জানিয়েছিলো। তাকে নিয়ে যেনো একটা গল্প লিখি। আমি মেয়েটিকে নিয়ে কোনো গল্পই লিখতে পারি নি। মস্তিষ্কে জমে থাকা একজন আবদারকৃত মেয়ে আমার কল্পনায় হঠাৎ করে যে এভাবে চলে আসবে তা বুঝতেই পারি নি। আমার সামনে টেবিলের উপর সাদা কাগজ আর কলম রাখা আছে। কল্পনায় তৈরি এ মেয়েটির দিকে শেষবারের মতো তাকালাম। তারপর লিখতে শুরু করলাম। . মেয়েটির নাম অমানিশা। অমানিশা শব্দের অর্থ অমাবস্যার রাত। মেয়েটি যথেষ্ট পরিমাণের সুন্দর। কাজলের কালিতে তার দীর্ঘ আঁখি পল্লবে যেনো গাছের কচি পাতার ঢেউ খেলে যায়। ঠোঁটের পুরুত্ব দেখলেই মনের ভেতর অচেনা অজানা শিহরণ বয়ে যায়। মেয়েটির সৌন্দর্য বিশ্লেষণ করলে তার নামটা যেনো সম্পূর্ণ স্বার্থকতা হারিয়ে ফেলে। মেয়েটির চেহারায় কোথাও যেনো অমানিশার ছাপ পাওয়া যায় না। তবে মেয়েটির জীবনে এমন একটি অমানিশার গল্প আছে যা লিখতে বসেছি। এই অর্থে অমানিশা নামটি তার জন্য স্বার্থক একটি নাম বলা যায়। আমি কলম থামিয়ে পাশ ফিরে তাকালাম অমানিশা মেয়েটিকে দেখার জন্য। কিন্তু মেয়েটিকে দেখতে পেলাম না। ঘরের ভেতর কোথাও কেউ নেই। মনে মনে অনুভব করলাম মেয়েটি আমার মস্তিষ্কের কল্পনা থেকে কলমের কালিতে বন্দী হয়ে গেছে। আমি টেবিল থেকে উঠে গিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম। বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে থেকে রাতের বিস্তৃত আকাশের দিকে দৃষ্টি রাখলাম। আজকের আকাশে ভরাবৃত্তের চাঁদ উঠেছে। চাঁদের আলো আমার বারান্দাতে এসে পড়েছে। আমি সেই আলো আমার গায়ে মাখছি। আর ভাবছি এমন আলোকময়ী রাতে কি অমানিশা নিয়ে লেখালিখি সম্ভব? মনে হচ্ছে আমি আজ রাতে অমানিশার গল্পটি লিখতে পারবো না। মেয়েটিকে মনে হচ্ছে আবার আমার মস্তিষ্ক তৈরি করবে। আবার সে কোনো এক অমানিশা তিথিতে তাঁর গল্পটি লেখার জন্য আমার সামনে দাঁড়াবে। হয়তো তখনই লিখবো অমানিশার জীবনের অমানিশাকে নিয়ে। . # লেখকের_কথা আজকের আকাশে চাঁদ উঠেছে। চাঁদের আলোয় ভিজতে ভিজতে আমার পক্ষে অমাবস্যার রাত নিয়ে লেখা কখনই সম্ভব নয়। গল্পের শুরুতেই সমাপ্তি করলাম। যে শেষের ভেতর শুরুর পূর্বাভাস পেলাম, সেই শুরুটা কোনো এক অমাবস্যার রাতে লিখবো। লিখবো বলেও মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে প্রায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। কাল্পনিক চরিত্র গুলো প্রথমবার সেজে-গুজে আসে। পরের বার অগোছালো সাজে আসে জন্য তাঁদের আর গোছাতে পারি না। . লেখা:- নিনিত নিলয়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এই তোমার নাম কি?

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now