বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সন্ধ্যার পর এই নদীর ঘাটে কেউ আর আসে না। লোকে বলে এখানে এমন সময় ভূত আসে। কিন্তু, সেই বাঁধানো ঘাটে সন্ধ্যের পর রঞ্জন আসে।
অফিসের দরজায় ধর্না দিতে দিতে যে এখন ক্লান্ত, বিষন্নতার তীব্র আঘাতে প্রায় অনুভূতি শূন্য। এমন লোকের কাছে আবার কিসের ভূতের ভয়! প্রতিদিন সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলে তাকে একবার আসতেই হত এখানে।
হঠাৎ একদিন লোকশূন্য সেই ঘাটে সে লোকের সন্ধ্যান পেয়েছিলো। নিস্তব্ধ নদীর ওপার থেকে একটা নৌকাকে ওপার থেকে এপারে চলে আসতে দেখেছিলো সে। নৌকার যাত্রী বলতে একটি আট-নয় বছরের ছোট্টো ছেলে আর এক আধ-বুড়ো মাঝি। নৌকা থেকে ঘাটে নেমে রঞ্জনের দিকে তর-তর করে হেটে আসতে লাগলো ছেলেটা।
ডান হাতেএকটা চায়ের ফ্লাক্স আরবাম হাতে ফ্যাঁকাসে লালরঙের ছোট্ট একটা বালতি।বালতির ভেতর থেকে অদ্ভূত একটা শব্দ ভেসে আসছিলো। কয়েকটা কাঁচের গ্লাস আর পানি একসাথে যখন প্লাস্টিকের বালতির গায়ে আঘাত করে তখন যেমন শব্দ হয় ঠিক সেই রকম।
রঞ্জনের কাছে এসে ছেলেটি বললোঃ
-চা লাগবো স্যার?
রঞ্জন হঠাৎ-ই কৌতুকের সুরে বলে উঠলোঃ দেখি তোর পা উল্টা নাকি?
ছেলেটি কথাটায় তেমন একটা আমল না দিয়ে আবার জিজ্ঞেস করলোঃ গরম চা দেই স্যার? ভালো চা। কাপ গরম পানিতে ধুইয়া দিমু।
রঞ্জন বললোঃ নাম কি রে তোর?
- মোতালেব।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now