বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমাদের বাড়ির পাশে দিয়েই
ময়মনসিংহ-
ঢাকা রোড । এই
রোডকে ঘিরে অনেকরকমের
কথা চালু আছে আমাদের এখানে ।
আমাদের
বাসার পাশেই একটা বাঁক
আছে যেখানে রয়েছে একটি পুরানো কবর
।
কবরটি কার তা কেউ জানে না ।
শোনা যায়,
এখানে বসতি স্থাপনের অনেক
আগে থেকেই
নাকি এই কবরটি ছিল । আমার দাদার
বাবা কাদের আলী তালুকদার অনেক
আগে এই এলাকায় বাড়িঘর স্থাপন করেন
।
তখন নাকি আশেপাশে গভীর জঙ্গল ছিল
এবং মানুষ সন্ধ্যার পর দরজায়
মোটা লোহা বা
কাঠের খিল দিয়ে রাখতো যেন বন্য
পশুরা রাতের আঁধারে আক্রমণ
না করতে পারে । তিনি নিজেও
বলে গেছেন
এই কবর সম্পর্কে । এই
কবরে নাকি রাতের
বেলা আলো জ্বলে (তবে ইধানিং কখনো দেখা গেছে বলে শুনি নি ।
আমি নিজেও দেখি নি কখনো ।) ।
তিনি আরো বলেছেন অনেকেই নাকি ঐ
কবরের পাশে মাঝে মাঝে একজন
বৃদ্ধকে বসে থাকতে দেখত । তবে কেউ
কোনোদিন সামনে গিয়ে কিছু জিজ্ঞেস
করার সাহস পেত না । বৃদ্ধকে যখন
দেখা যেতো তখন হয় বিকেলের শেষভাগ
অথবা সন্ধ্যা হয়ে গেছে । অর্থাৎ একটু
আঁধার পড়ে পড়ে অবস্থা ।
কবরটি এরপরে একবার ব্রিটিশ
আমলে বাঁধিয়ে দেয়া হয় ।
কবরটি বাঁধার
সময় নাকি এক আশ্চর্য ব্যাপার
ঘটেছিলো ।
যারা বাঁধাইয়ের কাজে ছিল
তারা প্রত্যেকে নাকি ক্রমান্বয়ে একজন
বৃদ্ধকে স্বপ্নে দেখে । সেই লোক তাদের
নির্দেশ দেয় শ্বেত পাথরে কবর বাঁধাই
করতে না হলে নাকি ক্ষতি হবে ।
প্রথমে পাত্তা না দিয়ে নরমাল ইটের
দেয়াল
দেয়ার পরিকল্পনা করা হয় । কিন্তু
বিধিবাম । কবর বাঁধাইয়ের কাজ শুরু
করার
পরপরই নাকি দুজন লোক দিনের
বেলা হটাত
মারা যায় । তারা দুজনেই কবর
বাঁধাইয়ের
কাজে জড়িত ছিল । এরপর প্রায় ১০
বছরের
মতো কাজ বন্ধ রাখা হয় ।
শেষে গ্রামের
একই সাথে কয়েকজন
স্বপ্নে দেখে যে একটা বৃদ্ধমতন লোক
তাদের
আদেশ করছে সেই কবরটি শ্বেত
পাথরে বাঁধাই করতে । গ্রামের
মধ্যে আতঙ্ক
ছড়িয়ে পড়ে । প্রতিদিনই শোনা যায়
নতুন
কেউ না কেউ সেই বৃদ্ধকে দেখেছে ।
অবশেষে গ্রামের মানুষ টাকা জোগাড়
করে কবরটি বাঁধিয়ে দেয় ।
সেই কবরের পাশের রাস্তায়
এখনো মাঝে মাঝে এক্সিডেন্ট হয় ।
অনেক
ড্রাইভারদের
সাথে কথা বলে জানা যায়,
হটাত গাড়ি চলার সময় এক বৃদ্ধ
নাকি রাস্তার মাঝে চলে আসে । সেই
সময়ে যারাই লক্ষ্য করেছে তারাই
নাকি দেখেছে যে বৃদ্ধের পা বলতে কিছু
নেই
এবং সে বাতাসে ভাসমান ।
(আমি নিজে কখনো প্রত্যক্ষ
করি নি এবং করতে চাইও না, শুধুমাত্র
যেমন
শুনেছি তেমন বললাম । দয়া করে কেউ
বাজে কথা বলবেন না । আপনাদের
সাথে ঘটনা শেয়ার করি গালি খাবার
জন্য
না বরং আপনাদের অজানা ব্যাপার
জানানোর
জন্য । সবাইকে কষ্ট করে পড়ার জন্য
ধন্যবাদ ।)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now