বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক ফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে।
একটি ছোট্ট পিপীলিকা পাশ দিয়ে
যাচ্ছিল। মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুকতে ই
থমকে দাঁড়ালো। ভাবলো একটু মধু
খেয়ে নেই তার পর না হয় সামনে
যাব। এক চুমুক খেলো। বাহ! খুব
মজাতো! আর একটু খেয়ে নেই।
আরেক চুমুক খেলো। তারপর সামনে
চলতে লাগলো। . . হাটতে হাটতে
ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে চেটে
খাচ্ছিল। ভাবলো, এতো মজার মধু
আরেকটু খেয়ে নিলে কী হয়? আবার
পেছনে ফিরলো। পূর্বে মধুর একপাশ
থেকে খেয়েছিল। এবার চিন্তা করলো
ভিতরে মনে হয় আরো মজা। এবার
আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধু
ফোঁটার উপরে উঠে গেল। বসে বসে
আরামছে মধু খাচ্ছে। খেতে খেতে
একপর্যায়ে পেট ফুলে গেল। . ঐদিকে
আস্তে আস্তে পা দু'টো মধুর
ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে। হঠাৎ টনক নড়ল
তার। কিন্তু ততক্ষণে দেরী হয়ে
গেছে। মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে
নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।
কিন্তু.......নাহ! মধুতে তার সমস্ত
শরীর মাখা-মাখি অবস্থা। অনেক
চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার
করতে সক্ষম হলো না। নাকে মুখে
মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগল।
অবশেষে... পিপীলিকাটি মধুর ভেতরে
আটকে পড়েই মৃত্যু বরণ করল। _ .
এই বিশাল দুনিয়াটাও বড় এক ফোঁটা
মধুর মত। যে এই মধুর পাশে বসে
হালাল ও অল্পতেই তুষ্ট থাকবে সেই
বেঁচে গেল। আর যে এর স্বাদের মধ্যে
ডুব দিতে গিয়ে হালাল হারাম বাছ-
বিচার না করে শুধু খেয়েই গেলো,
আরেকটু আরেকটু করতে করতে এক
দিন সে এর মায়াজালে আটকা পড়েই
মারা যাবে। তখন আর কেউই উদ্ধার
করতে পারবে না। ধ্বংস অনিবার্য।
তার দুনিয়া ও আখেরাত দু'টোই
শেষ.! হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে
এই দুনিয়ার ভালবাসায় অন্ধ করে দিও
না। আমাদেরকে হালাল হারাম বেছে
চলার তাওফিক দাও, আমিন এক ফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে।
একটি ছোট্ট পিপীলিকা পাশ দিয়ে
যাচ্ছিল। মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুকতে ই
থমকে দাঁড়ালো। ভাবলো একটু মধু
খেয়ে নেই তার পর না হয় সামনে
যাব। এক চুমুক খেলো। বাহ! খুব
মজাতো! আর একটু খেয়ে নেই।
আরেক চুমুক খেলো। তারপর সামনে
চলতে লাগলো। . . হাটতে হাটতে
ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে চেটে
খাচ্ছিল। ভাবলো, এতো মজার মধু
আরেকটু খেয়ে নিলে কী হয়? আবার
পেছনে ফিরলো। পূর্বে মধুর একপাশ
থেকে খেয়েছিল। এবার চিন্তা করলো
ভিতরে মনে হয় আরো মজা। এবার
আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধু
ফোঁটার উপরে উঠে গেল। বসে বসে
আরামছে মধু খাচ্ছে। খেতে খেতে
একপর্যায়ে পেট ফুলে গেল। . ঐদিকে
আস্তে আস্তে পা দু'টো মধুর
ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে। হঠাৎ টনক নড়ল
তার। কিন্তু ততক্ষণে দেরী হয়ে
গেছে। মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে
নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।
কিন্তু.......নাহ! মধুতে তার সমস্ত
শরীর মাখা-মাখি অবস্থা। অনেক
চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার
করতে সক্ষম হলো না। নাকে মুখে
মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগল।
অবশেষে... পিপীলিকাটি মধুর ভেতরে
আটকে পড়েই মৃত্যু বরণ করল। _ .
এই বিশাল দুনিয়াটাও বড় এক ফোঁটা
মধুর মত। যে এই মধুর পাশে বসে
হালাল ও অল্পতেই তুষ্ট থাকবে সেই
বেঁচে গেল। আর যে এর স্বাদের মধ্যে
ডুব দিতে গিয়ে হালাল হারাম বাছ-
বিচার না করে শুধু খেয়েই গেলো,
আরেকটু আরেকটু করতে করতে এক
দিন সে এর মায়াজালে আটকা পড়েই
মারা যাবে। তখন আর কেউই উদ্ধার
করতে পারবে না। ধ্বংস অনিবার্য।
তার দুনিয়া ও আখেরাত দু'টোই
শেষ.! হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে
এই দুনিয়ার ভালবাসায় অন্ধ করে দিও
না। আমাদেরকে হালাল হারাম বেছে
চলার তাওফিক দাও, আমিন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now