বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এবং একটি ছেলে... পর্ব:- ১

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X এবং একটি ছেলে... পর্ব:- ১ গ্রামের ছেলে।গ্রামে এসএসসি পাশ করে শহরে এসেছে।ভর্তি হয়েছে একটা সদ্য নতুন প্রাইভেট কলেজে। এই প্রথম ছেলেটি শহরে আসে।উটেছে এলাকার বড় ভাইয়ের একটি মেসে। শহরের অলিগলি এখনো অজানা। বিকেলে ব্যস্থ রাস্তার মোড়ে বসে যানবাহনের যাওয়া আসা দেখা।সন্ধ্যা যখন ঘনিয়ে আসে তখন বাসায় ফেরা। মেসের ব্যাচেলর ঝামেলা তো নিত্য সঙ্গী। একটা পেরা তো আছেই বুয়া না আসা। যেহেতু ছেলেটা জুনিয়র সেহেতু তার উপর কাজের ভারটা অনেক বেশি।সবার কথা শুনতে হয়।এদিকে কলেজের নিয়মিত ক্লাস ছেলেটিকে করে তুলেছে সহ্যহীন। বাড়ি থেকে মা ফোন দিলে কিছু না বুঝে মাকে সব বলে দিত খাওয়া হয়নি বুয়া আসেনি।এদিকে মা ছেলে শোকে দুই তিনদিন উপোস।তখন ছেলেটি কিছু বুঝতো না যে এগুলা বললে মায়ের মন খারাপ হয়।অবুঝ ছিল। কলেজ লাইফে যেহেতু রেগুলার ক্লাস করতো তখন কিছু মেয়ে বন্ধু মানে সহপাঠিনীর সঙ্গে বেশ ভালো বন্ধুত্ব্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী হল।এতে ছেলেটা বেশ সাচ্ছন্দ্যবোধ করছিল।কলেজে গিয়ে ফ্রেন্ড, আড্ডা,গল্প সল্পতে সময় কেটে যেতো।এতে তার লেখাপড়ার খুব সমস্যা হতো এবং নিয়মিত সেমিষ্টার পরীক্ষায় খারাপ করতে লাগলো। কলেজে একটি মেয়ে ছিল যার নাম 'মিমি'।সে সবসময় একটু বেশিই টেইক-কেয়ার করতো ছেলেটিকে।ছেলেটির চলা ফেরা, ফোন দিয়ে খেয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করা ইত্যাদি খোজ খবর নিত।ছেলেটি যখন মিমি কে জিজ্ঞেস করতো "আমাকে তুই এত টেইককেয়ার করস কেন"? উত্তরে মিমি বলতো "তুই তো আমার বন্ধু, আমি কেয়ার না করলে কে করবে। সত্যি বলতে, মেয়েদের কাছ থেকে প্রপোজ আসা করা খুবই দুর্লভ একটি বিষয় তারপরও ছেলেটি প্রপোজের আসা করছিল মিমির কাছ থেকে।'মিমি'ও প্রপোজ করেনি ছেলেটিকে। মিমি প্রপোজের আশায় তিনটা বছর ছেলেটির অপেক্ষা করলো।অতঃপর সবকিছু শুন্য। ৫ বছর পর.... কলেজের অন্য একটি বান্ধবীর সাথে দেখা।তখন জানতে পারে মিমি তাকে ভালোবেসেছিল কিন্তু বলতে পারেনি তবে অনেকদিন অপেক্ষা করছিল।অনেক খুজাখুজির পর মিমির বাসার ঠিকানা জানতে পারে।তখন বড্ড বেশি দেরী হয়ে গেছে। এখন ছেলেটি অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র আর মেয়েটি (মিমি) ৩ মাসের অন্তঃসত্তা। এখন দুই-তিনবেলা না খেয়ে থাকলেও মাকে বলে তার পেট ভরা সে সবসময় খায়,কোন কাজ করতে হয় না তার।সব কাজ বুয়া করে। ইদানিং ছেলেটা প্রায় সময় মনমরা অবস্তায় থাকে,কারো সাথে কথা বলে না। চলবে......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এবং একটি ছেলে... পর্ব:- ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now