বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একজন ভদ্রলোকের জানাযার নামায অনুষ্ঠিত
হচ্ছে। মরহুমের ছেলে উচ্চশিক্ষিত
এ্যাডভোকেট।
ইমাম সাহেব এক তাকবির দিলেন, দুই তাকবির দিলেন।
তৃতীয় তাকবিরের সময় মরহুমে এ্যাডভোকেট
ছেলে জোরে চিৎকার দিয়ে হাউমাউ করে
কেঁদে উঠলেন
–
যথারীতি নামায শেষ হলো। ইমাম সাহেব
এ্যাডভোকেট সাহেবকে সান্তনার বাণী
শোনাতে লাগলেন। দুনিয়া তো ক্ষণস্থায়ী।
সবাই চলে যাবে একদিন, ইত্যাদি ইত্যাদি।
চোখের পানি মুছে এ্যাডভোকেট সাহেব
বললেন, হুজুর! আপনি ভেবেছেন আমি
আব্বাজানের শোকে এভাবে হাউমাউ করে
কাঁদছি। নামাযের মধ্যে জোরে চিৎকার দিয়ে
কেঁদে ওঠার কারণ এটা ছিল না হুজুর।
ইমাম সাহেব জিগ্যেস করলেন তো কী কারণ
ছিল?
–
হুজুর! আমি এতো বড় শিক্ষিত মানুষ। উকালতিতে
অনেক নাম কুড়িয়েছি কিন্তু আমি যে আমার বাবার
জানাযার নামাযের দুআ টাই পড়তে পারি না।
–
আমার বাবা আজ চলে গেলেন। শেষ বেলায় তার
জানাযা নামাযে দুআ পড়তে পারলাম না, এর চেয়ে
বড় কষ্ট আর কিছু হতে পারে? এই কষ্টে আমি
হাউমাউ করে কেঁদে উঠেছি।
–
তিনি বলতে লাগলেন আমাদের এ কী শিক্ষা?
আমরা এতো বড় শিক্ষিত হয়েও জানাযার দুআটি জানি
না। এরপর এ্যাডভোকেট সাহেব উপস্থিত
লোকদেরকে লক্ষ্য করে বলেন,
সন্তানদেরকে দীন শিক্ষা দিবেন, এই একটি
অনুরোধ রইলো।
–
'
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now