বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-কইগো বাবুটা!
-ফারদার ফোন করবে না আর!
-আমি আবার কি করেছি?
-মেয়ে দেখলেই চুলকায়?
-বাজে শব্দ ব্যবহার কর কেন!
-কি করবো তাহলে?
-কি করেছি বলবা তো?
-ঐ মেয়েটা কে?
-কোন মেয়েটা!
-নেকা বুঝস না তুই,তোর প্রোফাইলে
এক সাথে
পিক দেয়া মেয়েটা!
-ওইটা তো আমার কাজিন!
-তাই বলে ছবি তুলবি তুই?
-তুলতে চাইছিল তাই মানা করি নি!
(এইবার অরিন কেদেঁই দিল কথা শোনে)
-কুত্তা জানোয়ার আর ফোন দিবি
না,পার্কে তুই
একাই বসে থাক!
এইবলে ফোনটা কেটে দেয় অরিন,
আর আমি ও বোকা হয়ে গেলাম,কি
হতে কি হয়ে
গেলো বুঝে উঠতে পারছিলাম না!
আর অরিন ও পাগলের মত ভালবাসে
আমাকে,আর
আমি ও কোন অংশে কম নয়!
কিন্তু অরিন আমার সাথে কোন
মেয়েকে কথা
বলতে দেখলেই সেদিন কপালে মার
না থাকলেও
খানিকটা খারাপ তো হবেই!
খুব ভালবাসে মেয়েটা আমায় !
কিন্তু আমি অহেতুক মেয়েটাকে কষ্ট
দেই!
ইচ্ছে করে আপলোড দিছিলাম কিন্তু
মেয়েটা এত
কষ্ট পাবে বুঝি নি!
ভাবতে ভাবতে আবারো অরিনের
ফোন আসে
-হ্যালো!
-বলো
-ফোন দিয়ে রাগ ভাঙ্গালে না কেন?
-তুমি ই তো রাগ দেখাইছ তাই...
- তাই কি রাগ ভাঙ্গাবি না তুই
হারামী!
-সরি আসলে তা নয়!
-তবে কি
-তোমার কথাই ভাবছিলাম
-কি ভাবছিলি, কিভাবে ব্রেকাপ
করে কাজিনের সাথে
প্রেম করবি?
-নারে বাবা ,তোমার রাগ কমাবো
কিভাবে সেটা!
-সত্যি তো! আর সত্যি না হলে বিষ
খেয়ে
তোকে ফাসায়ে যাব!
-আচছা!(হেসে)
-কোথায়?
-কাজিন তো বাসায় ?
-তোরে কুত্তা খেয়েই ফেলবো তুই
কোথায়
বল তাড়াতাড়ি?
-আমি পার্কে ই আছি!
-থাক আজকে তোর বারটা না
বাজাতে পারলে বিশ
কিনবো!
-বিশ খাইবা বাবু!
-তোরে খাওয়াব বলে কিনবো!
-আসোতো আগে!
এই বলে আমি ফোনটা কেটে দেই আর
ভাবি
আজ কি যেন হয় আমার!
পাগলী তো পুরো ক্ষেপছে!
অরিন রেগে গেলে তুই ছাড়া কথা
বলে না,আর শুধু
ফুপায়!
আজ একটু বেশি ই তবে তাকে শান্ত
কিভাবে করব
সেটা জানা আছে!
সে আসার আগেই পার্কের পাশ থেকে
পাচটা
গোলাপ ফুল কিনা লুকিয়ে
রেখেছিলাম!
সাদা গোলাপ তার প্রিয় তাই সাদা
গোলাপ ই নিয়েছি!
তার অপেক্ষায় বসে থাকতে থাকতে
পিছন
থেকে কেউ একছন ফুপাচ্ছে, বুঝতে
বাকি রইলনা
আমার পাগলীটাই!
- বাবু সামনে আসো!
-তোর কি একটু ও লজ্জা করে না!
-কেনো?
-আমার দেয়া শার্ট টা নিয়ে ওর
সাথে ছবি তুলছস!
-আর তুলব না!
-লুচ্চামী করে এখন বলছে করবে না!
-এখন কি শাস্তি দিবে বলো?
-তোর কাজিন কে খুন করব
-হাহাহা!
-আবার হাসে!
-আচ্ছা বাবু বাদ দাও তো(কথা ঘুরিয়ে
দিতে চাইছিলাম)
-কি বাদ দিবে,তার সাথে লাইন
মারা!
-আর হবে না
-আমি মরে গেলে খুশি হবা তো?
-কি বলো এসব?
-তুমি এসব করলে একদিন ঠিকই মারা
যাব!
-আর হবে না সত্যি!
-মনে থাকবে তো!
-হ্যা বাবা!
অতঃপর আমি হাটু গেরে তাকে
প্রপোজ করি সাদা
গোলাপ দিয়ে,খুশি ও হয়েছিল আর
আমি ও স্বার্থক!
-সত্যি তো?(অরিন)
-হ্যা বাবা!
-আমায় শুধু ভালবাসতে হবে মনে
থাকবে তো!
-আর কি করতে হবে?
-চুল ঠিক করে দিতে হবে অগুছালো
থাকলে!
-আর কি করতে হবে?
-মাঝে মাঝে ভালবেসে ঠোটে চুমু
খেতে
হবে!
-এখনই চুমু খাই!
-শাষন শেষ করে নেই!
-হাহাহা ! আচ্ছা!
-মেয়েটার সাথে ছবি তোলার
কারনে আজ
তোমার ইচ্ছে পূরন হবে না!
-মানে কি !
-হ্যা! তবে আমি দিতে পারব শুধু
-পাগলীটা আমার!(মৃদু হাসি)
-পাগলটা ও শুধু আমার,অন্য কেউ চোখ
দিলে তুলে
ফেলব তার চোখ!
.
৮ বছর পর হঠাৎ পুরোনো ডায়েরী
স্মরনীয়
পাতাটি পরে একাই হাসছিল সৌভিক!
তাদের বিয়ে হয়েছে ৬ বছর হয়ে
গেছে!
অরিন পাগলীটা সৌভিকের বাসায়
বিয়ের প্রস্তাব
পাঠিয়েছিল,কারন সৌভিক খুব ভীতু
ছিল বলে!
এখনো মাঝে মাঝে
তাদের মধ্য সেই কাজিনকে নিয়ে
খুনসুটি হয়!
আত্না সম্পর্কেও পবিত্রতা আছে!
সোভিক আর অরিন প্রমান করে দিল!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now