বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প:দুই পৃথীবির রহস্য
.
.
লেখক:রহস্যময় সাকিব(সাইকো)
.
.
.
কিছুক্ষণ আগে আমাদের কলেজের একটা ছেলের জানাযা পড়ে আসলাম।তার মৃত্যুটা অস্বাভাবিক বলতে পারেন।ফ্যানের সাথে রশি বেধে ফাসিঁ খেয়েছিল।কেন বা সে ফাসিঁ খায়?কারণ হলো একটি মেয়ে...
.
.
আমার নাম সাকিব।এবার অনার্স শেষ বর্ষে।আগে থেকে বলে নেওয়া ভাল।আমারর জীবনেও একটা মেয়ে আছে।মেয়েটা অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।মেয়েটিকে আমি অনেক ভালবাসি।ভালবাসাটা একতরফা।মেয়েটি আমাকে দুচোখে সয্য করতে পারে না।কারণ মেয়েটি আরেকটি ছেলেকে ভালবাসত।ছেলেটি দেখতে স্মার্ট।ধ্বনী পরিবারের ছেলে।আর আমার মত মধ্যবিত্তকে কে ভালবাসবে?আমাদের মত ছেলেদের ভালবাসার কি কোন দাম নেই?আমাদের কি একটায় দোষ?যে আমরা মধ্যবিত্ত...
.
.
আমি যে ছেলেটির জানাযা পড়ে আসলাম।তার নাম সজিব।সে একটা মেয়েকে ভালবাসত।তার ভালবাসাটা আমার মত একতরফা নয়।মেয়েটিও তাকে ভালবাসত।
ছেলেটি আমার মত কোন মধ্যবিত্ত পরিবারের নয়।তার বাবার অনেক বড় ব্যবসা।দেখতে অনেক স্মার্ট।কিন্তু কেন বা ছেলেটি ফাসিঁর দড়িতে ঝুলিয়ে পড়ল।পুলিস তদন্তের পর বলছে।এটা সোসাইড।হয়ত এটা সত্যি না ও হতে পারে।আমার মতে...
.
.
মেয়েটি নাম ফারিয়া।আমার ভালবাসার একমাত্র মানুষ।সুন্দরী রমনী বলতে পারেন।আমি মেয়েটার শরীরের একটা অংশের প্রতি প্রেমে পড়েছি।সেটা তার চোখ।তার চোখে এমন কি আছে যে আমি তার প্রেমে পড়লাম।কিন্তু আমার ভাগ্য সত্যি খারাপ।কারণ সে আমার ভালবাসার কোন মুল্য দেই নি।আর এটাই তার সবচেয়ে বড় ভুল...
.
.
ছেলেটির নাম ত ইতিমধ্যে জেনেছেন।সে ও আমার সাথে পড়ে।ডিপার্টমেন্ট আলাদা।সজিব তার বাবার একমাত্র পুত্র হওয়াতে যা চাই তাই পায়।তার সাথে গিটার,বাইক থাকবেই।মাঝে মাঝে গাড়িটাও নিয়ে আসে।সে যে মেয়েটিকে ভালবাসত তার সাথে কলেজে প্রতিদিন দেখা করে।বিভিন্ন সময় ডেটিং যায়।মেয়েটি তার শরীর বিলিয়ে দিয়েছে সজিবের হাতে।সে ভোগ করে তার শরীর।আর ওর মৃত্যুর কারণ এটাই...
.
.
ফারিয়া তার বিএফ সাথে বিভিন্ন যায়গায় যেত।আমি ওকে এতই ভালবাসতাম যে ও যেখানেই যেত আমি তাকে অনুসরণ করতাম।অনেকবার আমাকে দেখেছিলো।সে তার বিএফকে বলে আমাকে পিঠিয়ে ছিলো।আচ্ছা তার কি আমার প্রতি একটু মায়া জন্ম নেই নি?সেদিন যখন আমাকে কয়েকটা ছেলে মারছিলো।তখন দেখলাম সে তাকিয়ে তাকিয়ে হাসছে।সেদিনের মার গুলা থেকে তার হাসিটা অনেক কষ্ট পাই।এই ঘটনা আমাকে বড্ড কাদায়।আজও আমি কেদেঁ উঠি।শুধু তার অবহেলার জন্য....
.
.
আচ্ছা মেয়েটির কি কোন কান্ডজ্ঞান নেই।এভাবে সজিবের উপর নিজের মান-সম্মান বিলিয়ে দেই।আচ্ছা বিয়ের আগে গোপন সম্পর্ক কি বৈধ?এসব সবব কিছু নষ্টটামির কারণ।আচ্ছা এই বিন্দাস লাইফ থাকার পরও কেন সে আত্মহত্যা করল?এটার পেছনে কি এসব কারণ?হয়ত এসবই...
.
.
একদিন আমার ফ্রেন্ডের থেকে জানতে পারি।ফারিয়া নাকি ইদানিং তার বিএফ সাথে চলাফের বেশি করে।প্রায় ডেটিং যায়।এটা কোন সাধারণ ডেটিং না।অনেকে রুম ডেটিং বলে থাকে।এসব কিছু বিশ্বাস হচ্ছিলো না।তাই নিজে গেলাম দেখতে।একদিন দেখলাম।তার একটা হেটেলে প্রবেশ করছে।হোটেল দেখলে বুঝা যায় তার ভিতর কি চলছে...
.
.
.
এখন যা বুঝার বুঝে গেছি।যা করার আমাকে করতেই হবে।ফারিয়া বিএফ অন্য কেউ নয়।তার নাম সজিব।আর সজিবের ভালবাসার মানুষ আর কেউ নয়।সে হলো ফারিয়া...
রাত ১২:০০।সজিবের বাড়ি হলো মুল উদ্দেশ্য।সঙ্গে যা নেওয়ার নিয়ে নিছি।অঙ্গান করার একটা মেডিসিন।সাথে একটা রুমাল।তার রুমটা যেতে বেশি কষ্ট করতে হলো না।পাইপ বেয়ে উপরে উঠে যায়।দেখলাম সে মোবাইল ঘুতাঘুতি করছে।পাক্কা দুই ঘন্টা বসে আছি।নড়াচড়া ছাড়া।দেখলাম সে মোবাইল পাওয়ার অফ করে শুয়ে পড়েছে।এই সুযোগে মেডিসন খুলে রুমালে লাগালাম।হঠাৎ হাত থেকে ফসকে মেডিসিনের
বোতলটা পড়ে যায়।সে জেগে গেলো।কে দেখার জন্য উঠে বেলকনি না আসতেই রুমাল দিয়ে মুখ চেপে ধরে ফেলি।এই কাজটা করেছি ও কিছু বুঝার আগেই।নিস্থর দেহটা ফ্লোরে পড়ে আছে।যা করার এখনি করতে হবে।ব্যাগ থেকে দড়িটা বের করে ফ্যানের সাথে তাকে জুলিয়ে দিলাম।আবার আমি যে ভাবে এসেছি।সে ভাবে বাড়িতে রইনা দিলাম।কেই বুঝতে ও পারববে না যে।এটা হত্যা...
ঘরে আসতে আসতে সকাল হবে তেমন।এরপর ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।দুপুরের দিকে জানাযাটা পড়ে আসলাম...
আজ রাত ১২:০০।উদ্দেশ্য ফারিয়াদের বাড়ি।যা নেওয়ার সঙ্গে নিছি....
এখন শুধু ওর মরার পালা....!!
বিদ্র:প্রেম করলেই যে নিজের শরীর অন্যেকে বিলিয়ে দিব।অন্যের শরীর ভোগ করতে হবে তাকে কথা নেই।আসুন এই অপরাধ থেকে দুরে থাকি।মন থেকে সবাইকে ভালবাসি.....
h
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now