বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দুই গোয়েন্দা

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Taimol (০ পয়েন্ট)

X ----------খুনে ডাকাত---------------- পর্ব-২( শেষ পর্ব) তিন খাইছে,যাহিদের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিসিয়ে বলল রিনক।এতো দেখি মামা।মামাতো অন্য থানায় ছিলো।এখানে আসলো কবে? খাইছে, এ কথাটা রিনক তিনগোয়েন্দার গল্পের মুসা আমানের কাছ থেকে শিখেছে।সেও মুসা আমানের মত ভুতে ভয় পায় তবে খুব বেশি নয়। টেবিলের উপর ঝুকে খুব মনোযোগসহকারে একটা ফাইল পরছিলেন মামা।ছেলেদের দেখেই চমকে উঠলেন। আরে তোমরা! কখন এলে? আর জানলেইবা কিভাকে যে আমি ওখানে? স্যস্যস্যার,পাশে থাকা কন্সটেবলটি বলল।আ-আ-আপনি ওদের চেনেন? কন্সটেবলের গলা শুনেই বুঝা গেল সে দাড়ুণ চমকে গিয়েছে। আরে হ্যা।ওরাইতো আমার বাগিনা যাদের কথা তোমাদের বলেছিলাম। -ওরাই কি দুইগোয়েন্দা স্যার যাদের ছবি বেড়িয়েছিল প্ত্রিকায়? রিনক পকেট থেকে একটা কার্ড বের করে এগিয়ে দিল কন্সটেবলের দিকে।কার্ডে লেখা |-------------------------------------------------- | --দুইগোয়েন্দা-- | প্রধানঃ যাহিদ হাসান |______সহকারীঃরিনক____________________ কার্ড টা দেখে কন্সটেবলের ব্রুকুচকে গেল। আমি সত্যিই দুঃখিত,তোমাদের এভাবে ধরে নিয়ে আসার জন্য।খুব আন্তরিকতার সাথে বললেন কন্সটেবলটি। কন্সটেবলটির নাম রফিকুল ইসলাম।তার ব্যাচে এ নামটাই লেখা। এতক্ষণ মামা চুপ করে সব শুনছিলেন।রফিক ক্ষমা চাওয়ায় যেন একটু কৌতুহলি হয়ে পড়লেন।তিনি রফিককে জিঞ্জাসা করলেন,বেপারটা কি? কি হয়েছে? আমিতো কিছুই বুঝতে পারছিনা। রফিক মামাকে সব খুলে বললেন।সব শুনে মামার ভ্রুকুচকে গেল।ছেলেদের জিঞ্জাসা করলেন,তোমরা ওভাবে লুকিয়ে কি করছিলে?আর কার গাড়ির নাম্ভার লিখছিলে? এবার যাহিদ পুরো ঘটনাটা মামাকে বললেন।সাথে গলা মিলালো রিনক।কিভাকে ওদের চিঠি দিয়ে হেডকোয়াটারে নিয়ে আসা হয়েছে,কিভাবে রিনককে ধরেছে,কিভাবে রিনককে যাহিদ উদ্ধার করেছে সব।সবশুনে মামা চিন্তিত হয়ে পড়লেন।বললেন একটু সাবধানে থাকতে।রফিককে বললেন গাড়িতে করে ওদের বাড়ি দিয়ে আসতে। তোর কি মনে হয়,লোকটা আমাদের ধরতে চায় কেন? একটা চেয়ার টেনে তাতে আরাম করে বসতে বসতে বলল রিনক। সেটাইতো ভাবছি।চিন্তিত দেখাচ্ছে যাহিদকে। ড়ভির চিন্তায় মগ্ন যাহিদ।এখন সে কোনো কথা বলবেনা সেটা জানা আছে রিনকের।তাই আর কিছু বললনা। পরদিন সকালে ব্রেকফাস্ট সরে মামা চলে গেলেন অফিসে।আর দুইগোয়েন্দা রাস্তায় বেড়ুলো।কিছু কেনাকাটা করতে হবে।তাই মার্কেটে যাচ্ছিল।কথা বলতে বলতে ওরা হাটছিল।হঠাৎ একটা লোকের সাথে ধাক্কা খেল রিনক।সরি বলেই লোকটা দ্রুত চোখেড় আড়ালে চলে গেল।কিছুক্ষণ পর একটা চিৎকার কানে আসলো দুইগোয়েন্দার। এ,এ,এ,এই তোমরা সর।তারপরেই ওদের ওপর কেউ একজন ঝাপিয়ে পড়লো।তিনজন গিয়ে পড়লো একটা ঝোপের মধ্যে।যাহিদের মাথাটা একটা গাছের সাথে গিয়ে বারি খেল।পরক্ষণেই একটা লাল ট্রাক শা করে ছেলেদের পাশ দিয়ে চলে গেল। ওঠে দাড়ালো ওরা।যাহিদের মাথাটা ফুলে গেছে।হাত দিয়ে মাথা ডলছে সে। তোমাদের কোথাও লাগেনিতো? জিঞ্জাসা করলো ওদেরি বয়সের একটা কিশোর।গায়ের রং ফরসা।চুলগুলো আছড়ানো আর বেশ পরিপাটি।দেখেই বোঝা যাচ্ছে কোনো সম্রান্ত ঘরের ছেলে। না তেমন কোথাও লাগেনি।গায়ের ময়লা ঝাড়তে ঝাড়তে বলল রিনক। আরেকটু হলেই গিয়েছিলাম,তুমি সময়মতো এসে আমাদের বাচিয়ে দিলে।কৃতঞ্জতা প্রকাশ পেল গোয়েন্দা প্রধানের গলায়। ধন্যবাদ তোমাকে।বলল রিনক। এতে, বলল ছেলেটা।ধন্যবাদ দেওয়ার কি আছে।সংকোচবোধ ফুটে উঠলো গলায়।বোঝায় যাচ্ছে লজ্জা পাচ্ছে। কিন্তু তুমি কে? জিঞ্জাসা করলো সহকারি গোয়েন্দা। আমি রাফি,ছেলেটা বলল।আমার বাড়ি গুলসানে।১২৩ নম্ভর বাড়িটায় থাকি। আমি যাহিদ আর ও আমার বন্ধু রিনক।কুমিল্লায় থাকি।এখানে এসেছি মামার বাড়িতে। একে একে রাফি হাত মেলালো দুইগোয়েন্দার সাথে।তারপর মামার বাড়ির ঠিকানাটা নিয়ে চলে গেল। গোমড়া মুখ করে বসে রয়েছেন মামা।রহিম চাচা যাহিদের মাথায় বরফ দিচ্ছেন।সব শুনে মামা বললেন, সময়মতো ছেলেটা না আসলে আজ তোরা এ অবস্থায় থাকতিনা।আরেকটু সাবধান থাকিস তোরা। মামা উঠে চলে গেলেন শুতে।রহিম চাচাও চলে গেলেন তার ঘরে। আবারো সেই লাল ট্রাকটা,মনে মনে বিড়বিড় করলো যাহিদ।আসলে ওরা কি চায় আমাদের কাছে? ইয়াল্লাহ এটা আবার এলো কিভাবে? পকেটে হাত দিয়ে একটা কাগজ বের করলো রিনক। যাহিদ ওটা নিয়ে খুলল।তাতে লেখা "দুইগোয়েন্দা,তোমরা ছোট হলেও বেশ চালাক ছেলে।ভালো চাওতো এখান থেকে এখনি বাড়ি চলে যাও।" ইতি খুনে ডাকিত চিঠিট্ পরে বাজ করে বিছানার নিচে রেখে দিল সে।মনে হয় আরেকটা কেস পেয়ে গেছি।উত্তেজিদ গোয়েন্দা প্রধানের কন্ঠ। দেখি ব্যাটারা আমাদের কি করে।এ খুনে ডাকাতের রহস্যের শেষ দেখেই ছাড়বো। পরদিন খবর পেল একটা ব্যাংকে ডাকাতি হয়েছে।ছুটে গেল মামা সাথে দুইগোয়েন্দাকেও নিলেন।ব্যাংকের ম্যানেজারের সাথে কথা বলছেন মামা।এ ফাকে ব্যাংটা ঘুরে দেখতে লাগলো ছেলেরা।একটু পর যাহিদ একটা বিষয় লক্ষ করলো যে ব্যাংকের সকল কর্মচারি আছে শুধু সিকিউরিটি গার্ড নেই।ম্যানেজারের কাছে গিয়ে বলল,আচ্ছা আপনাদের ব্যাংকের সিকিউরিটি গার্ড কোথায়? কোথাও যে দেখতে পাচ্ছিনা। ওকে ডাকাতেরা ধরে নিয়ে গিয়েছে।করুণ কণ্ঠে বলল ম্যানেজার। আচ্ছা কাল কি কি হঢেছিল এখানে? জিঞ্জেস করলো রিনক। কাল রাতে যখন ব্যাংক বন্ধ করতে যাব তখনি একটা লোক এসে বন্দুক ধরলো আমার মাথায়।আরেকটা লোক এসে ব্যাংকারের তালা খুলে সব টাকা নিয়ে নিল।আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিনা ঐ লোকটা ব্যাংকার খুলেছিল কিভাবে? চাবিতো ছিল আমার কাছে।তারপর যখন ওরা চলে গেল তখন দেখলাম সিকিউরিটি গার্ডও নেই ওখানে।মনে হয় ওকে নিয়ে গিয়েছে। আচ্ছা,যাহিদ বলল।ডাকাতগুলো কিছু বলেনি? হ্যা শুধু একটা কথা বলেছে, "খুনে ডাকাত" ম্যানেজারকে ধন্যবাদ দিয়ে বেড়িয়ে পরলো ছেলেরা। ওহ এটাও তাহলে বেটাদের কাজ।বজ্জাত ওগুলো একেকটা।কাছে পেলে না......রাগে গর গর করতে লাগলো রিনক। ঐ দিনও আরেকটা চিঠি পেল ওরা।তাতেও একই কথা লেখা। চার পরদিন সকালে রাফি আসলো ছেলেদের মামার বাড়িতে।যাহিদ ওকে মামার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন।কিছুক্ষণ কথা বলে মামা চলে গেলেন অফিসে।এরপর তিন কিশোর বেরিয়ে এল রাস্তায়।এদিক ওদিক ঘুরোঘুরি করতে লাগলো।হঠাৎ দেখলো ঐ দিনের লাল ট্রাকটা এদিকেই আসছে।নিঃশব্দে একটা গাছের আড়ালে চলে গেল দুইগোয়েন্দা।রাফি দাড়িয়েই ছিলো ওকেও টান দিয়ে গাছেড় আড়ালে নিয়ো এলো ওরা।কিছু জিঞ্জাসা করার আগেই রিনক পকেট থেকে ওদের একটা কার্ড বের করে এগিয়ে দিল রাফির দিকে।কার্ডের লেখা পড়েতো রাফির চোখ গুলো বড় বড় হয়ে গেল।যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেনা। তোমরাই দুই গোয়েন্দা? ফিসফিসিয়ে জিঞ্জেস করলো রাফি। চুপ,মুখে আঙুল দিল সহকারি গোয়েন্দা।এখন কথা বলা যাবেনা। কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে না পেরে বড় বড় চোখে শুধু তাকিয়ে থাকলো লাল ট্রাকটার দিকে।ঠিক ওদের সামনে এসেই টায়ার আর্তনাদ করে থেমে গেল লাল ট্রাকটা।ভিতর থেকে লাফিয়ে নামলো দুটো লোক সাথে বিশাল দেহি লোকটা। ব্যাটা বজ্জাতের দল।কথাটা রিনক এতই জোরে বলল যে লোকগুলো শুনে ফেলল। এখান থেকে পালাও তুমি।উত্তেজিত কণ্ঠে বলল যাহিদ। ততক্ষণে ওদের তিনজনকে এসে ধরে ফেলেছে লোকগুলো। এইযে ছেলেরা,বলল বিশাল দেহি লোকটা।এবার আর পালাতে পারবেনা।প্রথমবারতো কোনো মতে পালিয়ে গিয়েছিলে।এবার.......... রাফিকে যে লোকটা ধরেছিল সে লোকটা অন্যমনস্ক হতেই একটা ঝাড়া দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে ঝেড়ে দৌড় লাগাল সে।কিছুক্ষণ রাফিকে তাড়া করলো।ধরতে না পেরে ফিরে এল।লোকগুলো দুইগোয়েন্দার হাত পা বেধে ফেলল।তারপর ট্রাকের ফিছনে ওঠিয়ে উপড় দিয়ে একটে তেড়পাল বিছিয়ে দিল যাতে কেউ বুঝতে না পারে।চলতে শুরু করলো ট্রাক। যাহিদ,ফিসফিস করে বলল রিনক।এখন কি করবে? কিছু করার নেই শুয়ে থাকা ছাড়া।বলল যাহিদ।আমরা খুনে ডাকাতের পাল্লায় পড়েছি। চমকে উঠলো সহকারি গ্োয়েন্দা।কি-কি-কি খু খু খুনে ডাকাত।ঢোক গিলল সে।তুমি জানলে কিভাবে? ঐ দিন ব্যাংকে আমি একটা চেইন পেয়েছিলাম যেটার মধ্যে K ছিল।এ চেইনটা আমি প্রথমবার এ বিশালদেহি লোকটার গলায় দেখেছিলাম।হয়তো ঐ দিন ব্যাংকে কোনো একভাবে পরে গিয়েছিল। কিন্তু তুই জানলি কিভাবে ওটা যে খুনে ডাকাতের চেইন? এটাতো সোজা,বলল যাহিদ।চেইনটাতে রয়েছে K তার মানে খুনে ডাকাতের প্রথম বর্ণ। কিছু একটা করা ধরকার আমাদের যাহিদ।ব্যাটাকে এত সহজে ছেড়ে দিলে চলবে না। কিন্তু,বলল যাহিদ।কি করবি? ওদের পাশেই একটা ময়দার বস্তা ছিল। তা দেখে রিনকের মাথায় একটা বুদ্ধি এল। দাত দিয়ে কামর দিয়ে বস্তাটা ফুটো করে দিল।পাতলা প্লাস্টিক থাকায় তেমন বেগ পেতে হয়নি ওকে।তারপর মনে মনে প্রার্থনা করতে থাকলো ওরা ডাকাতের আস্তানায় না পৌছানো পর্যন্ত যেন বস্তাটা শেষ না হয়।যখন গাড়ি থামলো তখন ময়দাও শেষ।দুজন লোক এসে ওদের একটা পুরোনো বাড়ির ভেতর নিয়ে গেল।চারদিকে অন্ধকার আর ঘন জঙ্গল।তারই মাঝে একটা পুরোনো বাড়ি।বাড়িতে যে কেও থাকেনা তা দেখেই বোঝা যায়।বাড়ির ভেতর ওদের রেখে চলে গেল লোকগুলো।খিদের জালায় পেট জলছে ওদের।একদিন হয়ে গেল।লোকগুলোর কোনো দেখা নেই।এদিকে ওদের অবস্থা কাহিল।খাবার না পেয়ে একেবারে দূর্বল হয়ে পড়লো রিনক।কতক্ষণ বাড়ির মধ্যে ছিল তা ওরা জানেনা।হঠাৎ রাফির গলার আওয়াজ শুনা গেল। যাহিহিহিদ,রিননননননক। রাফিফিফিফি,কোনো মতে একটা ডাক দিল যাহিদ।হাত পা বাধা থাকায় নড়তে পারছেনা। রাফি যাহিদের গলা চিনতে পারলো।বাড়ির ভেতর এসে ঢুকলো।দ্রুত ওদের দুজনের হাত পায়ের বাধন খুলে দিল। কোনো মতে ওদের ওখান থেকে বের করে আনলো।হঠাৎ দূরে লাল ট্রাকটা দেখা গেল।একটা বুদ্ধি খেলে গেল যাহিদের মাথায়।দ্রুত অন্যদেরও ওর প্লেন বলল। প্লেন শুনে রিনকও যেন তাজা হয়ে উঠলো।দ্রুত কাজে লেগে গেল।রিনক আর যাহিদ গিয়ে পুনরায় বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়লো।আর রাফি বাহিরের একটা ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রইলো।বাড়ির দরজার দুপাশে লাঠি নিয়ে দাড়িয়ে রয়েছে দুইগোয়েন্দা।শ্বাস ফেলতেও ভয় পাচ্ছে।পাছেনা আবার লোকগুলো শুনে ফেলে।ট্রাকটা বাড়ির সামনে এসে দাড়ালো।লাফিয়ে নামলো তিনটে লোক।এগিয়ে গেল বাড়িটার দিকে।লোকগুলোর পিছনে প্রায় নিঃশব্দে হাতে লাঠি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে রাফি।পায়ের আওয়াজ শুনা যাচ্ছে।উত্তেজনায় শ্বাস বন্ধ করে ফেলল দুই গোয়েন্দা।বাড়ির ভেতর ঢুকতেই ওদের ওপর ঝাপিয়ে পড়লো তিন কিশোর।মাথায় বাড়ি দিয়ে বেহুশ করে ফেলল কিছু বোঝার আগেই।এরপর চটপট গাড়ি থেকে দড়ি এনে বেধে ফেলল লোকগুলোকে।গাড়িতে একটা ওয়ারলেস ফোনও পাওয়া গেল।সেটা দিয়ে মামাকে খবর দিল যাহিদ।কিছুক্ষণের মধ্যেই দলবল নিয়ে হাজির হলেন মামা। পরদিন সকালে খবরের কাগজ খুলেই লোকজন তো অবাক। প্রথম পাতায় খবরের শিরোনাম "খুনে ডাকাতকে ধরিয়ে দিল খুদে দুইগোয়েন্দা" (সমাপ্ত) (গল্পটা কেমন লাগলো জানাবেন।কিশোর গোয়েন্দাদের নিয়ে এটাই আমার প্রথম লেখা।তাই জানিনা কেমন হয়েছে।আপনারা আমাকে কমেন্ট করে অবশ্যই জানান।দ্রুত লেখার সময় কিছু ভুল হতেই পারে।ভুল হলে তা ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।ধন্যবাদ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দুইগোয়েন্দা-
→ দুই গোয়েন্দা
→ দুই গোয়েন্দা
→ দুইগোয়েন্দা ২
→ দুই গোয়েন্দা
→ দুই গোয়েন্দা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now