বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ২
বছর খানেক আগে-সেদিন নীল রাজ মহলের ভিতর গিয়ে অস্ত্রটা দিয়ে নিজের বুকে আঘাত করে তখনেই সে ধিরে ধিরে অসেক শক্তি পায় নতুন রুপ নিয়ে উড়াল দিয়ে রাজ মহল ভেঙ্গে বের হয়।কিন্তু নীলের পিছু নেয় একটা ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার।সে কিছু করার আগেই নীল অস্ত্রটা নিজের বুকে চালায়।তারপর ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা দেখে নীলের দেহ থেকে কিছু একটা বের হচ্ছে।নতুন আরেকটা ভ্যাম্পায়ারের মতো দেখতে প্রাণি নীলের দেহ থেকে বের হয়।নীল নতুন রুপ নিয়ে চলে যায় মাটিতে পড়ে থাকে দুর্বল ড্রাকা।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটি বুঝতে পারে এটা হলো নীল একটা অংশ।নীল খারাপ দিকটা, নীলের ভিতর লুকিয়ে থাকা নিষ্ঠুরতা।যার নাম ড্রাকা না মানব না দানব না ভ্যাম্পায়ার।হলো ড্রাকুলা যার ছিলো রক্তের দরকার।ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা ড্রাকাকে নিয়ে বাহিরে এসে দেখে যুদ্ধে নীল জয় লাভ করেছে।ড্রাকাকে নিয়ে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা পৃথিবীতে আসে।একটা কফিনে থাকে ড্রাকা। বছর খানেক ঘুমিয়ে ছিলো সে।তারপর জাগার পর তার রক্তের দরকার ছিলো তাজা রক্তের।শুরু করে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটা মানুষ অানার কাজ।বলতে গেলে সেদিনেই ড্রাকার মাঝে থাকা শয়তানি শক্তি ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারটাকে তার গোলাম করে দেয়।
নীলের অংশ হওয়ায় ড্রাকাকে মারলে সমান ব্যাথা নীলও পায়।
বর্তমানে
নীল-বুঝতে পারছি না কিছু এমনটা কেনো হচ্ছে।আমি ড্রাকাকে মারলে কেনো ব্যাথা পাই।এটা তো হবার কথা না।ভাবতে ভাবতেই রাতটা পার করে দিলাম।সকালে উঠে ভাবতে লাগলাম কি কি করতে হবে।
নিচে সোফায় বসে রইলাম।তখনেই পিচ্চুর আগমন।
নিল্স-বাবা তোমার সমস্যার সমাধান আনছি আমি।
নীল-তাই বুঝি।কি ভাবলা?
নিল্স-ভাবি নি আনছি।এই দেখো রাব্বি,আকাশ আর অরিক চাচ্চুকে।তুমি ড্রাকাকে মারতে পারবা না তো কি হয়েছে চাচ্চুরা তো মারতে পারবে।দেখছো আমার কত বুদ্ধি তোমার থেকেও বেশি।
নীল-বাবু বুদ্ধিটা ধারুণ ছিলো। তবে এটা বোকামি।কারণ ড্রাকাকে যাই মারা হোক সব ব্যাথা আমিই পাবো।আমি মারি বা তোমার চাচ্চুরা বুঝলা বাবু।এই বুদ্ধি আমার মাথাও এসেছিলো। যাও তুমি পড়ায় মন দেও।যা করার আমি করবো।
অরিক-যা শুনলাম নিল্সের মুখে আজব। তবে এই ঘটনাটা শুনা শুনা লাগছে।মনে হচ্ছে এমন ঘটনা আগে শুনেছি কোথায়ও।সঠিক মনে পড়ছে না।আমার মতে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে গেলে ভালো হয়।সঠিক তথ্য পেতে পারি।
নীল-ভ্যাম্পায়ার রাজ্যের কি অবস্থা?
অরিক-আমি তোমাদের সাথেই পৃথিবীতে আছি।সেদিন তোমাদের সাথে আসার পর আর যাই নি।
আকাশ-চলো রাতে আজ গিয়ে দেখি ড্রাকাকে কিছু করতে পারি কিনা।
নীল-চেষ্টা করে দেখতে পারি।
রাতে-
সবাই মিলে বের হলাম ড্রাকুলা টেরর থেকে বাচতে।একটু পরেই ড্রাকার দেখা পেলাম।আমাদের সামনেই একটা লোকের রক্ত খাচ্ছে।
ড্রাকা-ওয়েলকাম নীল দ্যা ভ্যাম্পায়ার কিং।অবস্থা তো দেখে ভালো মনে হচ্ছে না।একা এসেছেন নাকি দল বল নিয়া।
.......ওহ পিছনে তো পিচ্চি ভ্যাম্পায়ারদের দেখি।ওহ আপনার বন্ধুরা।আচ্চা ওদের কি নিজেকে বাচানোর জন্য আনছেন।
নীল-কোনটাই না।আপনাকে মারতে এসেছি।
ড্রাকা-ওহ তাই আসুন মারুন আমায়।
নীল-অরিক,রাব্বি,আকাশ মারো ওরে।
অরিক-কিন্তু তোরর অবস্থা?
নীল-ভাবতে হবে না মার বলছি।
সবাই ড্রাকাকে মারতে লাগলো আজব ড্রাকার কিছু হচ্ছে না।আমিই ব্যাথা পাচ্ছি।সবাই আমাকে ধরতে আসলো।আর ড্রাকা পাশের বাড়িতে বাতাসের বেগে ঢুকে দুইজনকে নিয়ে আসলো।
ড্রাকা-এই দিকে এই দিকে মহারাজ।
আমাদের সামনেই দুইজনকে রক্ত শূন্য করে দিলো।ড্রাকুলা টেরর.......।
নীল-তোকে ছাড়বো না সালা।
ড্রাকা চলে গেলো।
অনিক-নীল আমি মনে হয় ড্রাকাকে ভালো করে চিনি।
নীল-কিভাবে?
অরিক-সেদিন(ভ্যাম্পায়ার কিং গল্পে)জানা মতো তুই যেভাবে একা সবাইকে মেরেছিস সেটা আমি ড্রাকার ভিতর দেখছি।
নীল-কিন্তু তুই তো তখন বেচে ছিলি না।
অরিক-শুনেছি।বর্ণনা মতে ড্রাকার মাঝে তোর রুপ দেখছি আমি।
আকাশ-তুই কি বলতে চাস ড্রাকা আর নীল একজনেই
অরিক:জানি না তবে সব প্রশ্নের উত্তর আছে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে রাজ মহলে।চলো নীলকে নিয়ে চল এখান থেকে।
সবাই আমাকে বাসায় নিয়ে আসলো
অনিশা-আজও মার খেয়ে আসলে।
নীল-মার খেয়ে আসি নি ওরে মারলে আমি ব্যাথা পাই কি করবো।অরিক,রাব্বি,আকাশ একটু বাহিরে যা তো।
সবাই গেলো।
নীল-আমার রক্ত লাগবে না হলে ক্ষতগুলো সারবে না।
অরিশা-হুম নেও।
রক্ত খেয়ে নিলাম।প্রায় দেড় বছর পর খেলাম।কেনো জানি রক্তের প্রতি লোভ নেই।তবুও এখন নিজের ক্ষত ঠিক করতে খেলাম।ভ্যাম্পায়ার না জানি নি জানতে পারবো ড্রাকাকে নিয়ে।
(কালকে সবাইকে আনফ্রেন্ড করে দিছি।আমার পাঠক,পাঠিকারা রিকু পাঠান।আমি যাদের চিনি পাঠিয়েছি বাকিরা পাঠান।কারণ আমার পোস্ট ফ্রেন্ড পাবলিক হয় না।তিন মাস পর চালু হবে। ধন্যবাদ।আর গল্প কেমন হলো বলতে ভুলবেন না)
চলবে.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now