বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ অভ্রের মন খুব খারাপ।সে রিংকু কে অনেক বেশি বকেছে।রিংকু শান্ত প্রকিতির মেয়ে দেখতে ও সুন্দর।কিন্তু তার রাগ এবং জেদ ভয়ানক।আঘাত করা কথা একদম ই সহ্য করতে পারে না।এরা দুজন একে অপরকে খুব ভালবাসে।সারাখন খুনসুটি ফোনালাপ চলতেই থাকে।
কখন কে কি করছে,কি খাচছে,কি করবে সব টাই দুজনে জানে।মাঝে মাঝে মিষটি ঝগড়া ও হয় খুবই সামান্য বিষয় নিয়ে।একজন অভিমান করলে ওন্য জন অভিমান ভাংগায়।এভাবেই চলছে দুজন এর।রিংকু আবার শখ করে কবিতা লেখে এবং লেখা শেষ না হতেই অভ্র কে সুনাই।গান ও গাইতে পারে।
অভ্র রিংকু কে বকার কারন আজ অনেক দিন পর রিংকু আর অভ্রর দেখা হয়েছে।পড়াশোনার জন্য দুজন একে অপর থেকে অনেক দূরে থাকে।সচরাচর দেখা হয় না।
সারপ্রাইজ দেবার জন্য বুক পকেটে একটা সুন্দর ফুল এনেছে আর একটা রিংকুর পছন্দের একটি বই।যাতে রিংকুর খুব হাসি খুশি মাখা মুখটা দেখতে পায়।
দেখা হল দুজন এর, কিছুখন কথা বলার পর কথা উঠল ফেসবুক নিয়ে।গত রাতে অভ্র রিংকুর ফেসবুক পাসওয়ার্ড নিয়েছে এবং সেখানে কিছু অপরিচিত ছেলের সাথে রিংকু চ্যাট করেছে তা দেখেছে।এটা অভ্রর মোটেও ভালো লাগেনি।এই নিয়ে অনেক কথা কাটাকাটি।যার জন্য অভ্র রিংকু কে অনেক বেশি কথা বলেছে। বলেছে রিংকু যেন অভ্র কে আর ফোন না করে।
সন্ধার পর ছাদে দাড়িয়ে অভ্র আকাশ দেখছে আর ফোন এর দিকে বার বার দেখছে।এই বুঝি রিংকু ফোন দিল কিন্তু না কোনো ফোন এল না।অাকাশের দিকে তাকিয়ে শুধুই দীর্ঘশাস
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now