বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
"তুমি এমন করছো কেনো আমার সাথে"?
বসন্তের একটি প্রানবন্ত বিকেল। গাছে গাছে কেবল শীতের রুক্ষতা কাটিয়ে নতুন পাতা গজিয়েছে। এ যেন এক প্রকৃতির নতুন রুপ। টি.এস.সির চত্বরে বসে আছি আমি। পাশে বসে আছে জান্নাত। দুজনের মাঝে যথেষ্ট দুরুত্ব আছে। চারিপাশের যুগলদের দিকে একবার করে তাকিয়ে নিলাম। দেখলাম সবাই খুব কাছে বসে গল্প করছে। চুপ থাকা দেখে জান্নাত উপরের কথাটি বললো। আমি ফিক করে হেসে ওর দিকে তাকিয়ে বললাম..
- কি এমন করছি?
- তুমি কি বুঝতে পারছো না কি করছো তুমি?
- কই নাতো। আর করছিটাই বা কি?
- আজ তিনদিন ধরে তুমি আমার সাথে কেমন করছো। ঠিক মত কথা বলছো না। কল দিচ্ছো না। মেসেজ এর রিপ্লে দিচ্ছো না। কল দিলে কেটে দিচ্ছো। সারাদিন ব্যস্ততা দেখাচ্ছো। কি প্রবলেমটা কি তোমার?
আমি চুপ হয়ে তাকালাম সামনের দিকে। দেখি একটু যুগল আমাদের থেকে কিছুটা দুরে বসে আছে। সেসময় দেখলাম ছেলেটা মেয়েটির গালে চুমো দিচ্ছে। খানিকটা বাজপাখির দৃষ্টি দিয়ে হেসে জান্নাত এর দিকে তাকালাম। আমার বিষ্ময়কর হাসি দেখে ও বেশ রাগ করেই তাকালো
- কেন এমন করছো তুমি? বলো আমায়? তোমার এমন আচরনে আমি কষ্ট পায় সেটা কি জানো?
- আমি তো ঠিকই আছি। কোনো প্রবলেম নাই। আর কিছুই করছি না। স্বাভাবিকই তো আছি।
- তুমি স্বাভাবিক? আগে কত ইন্টারেস্ট দেখাতা। আর এখন?
- এখন কি? (আমি)
- নাহ কিছু না। তোমাকে বলেও লাভ নেই।
দুজনেই চুপ হয়ে গেলাম। আবারো সেই প্রেমিক প্রেমিকার দিকে তাকালাম। দেখলাম মেয়েটি ছেলেটি কাধে মাথা রেখে পাতার আড়ালে থাকা হয়ত লাল সূর্যটাকে দেখছে। আর ছেলেটি মেয়েটিকে এক হাতে জড়িয়ে গল্প করছে। বুকের মধ্যে ছ্যাৎ করে উঠল। কারন জান্নাত ও এভাবেই আমার কাধে মাথা রাখে। আমি জান্নাতের দিকে তাকালাম। মেয়েটি চুপ হয়ে মাথাটা নিচু করে বসে আছে। ডাকতে যাবো তখনি জান্নাত বললো..
- আবির একটা কথা বলো তো?
- হুমম বলো।
- মেয়েটা কে?
- মেয়েটা কে মানে?
- মানে আমি তো এখন পুরোনো হয়ে গেছি তাই আমার প্রতি আগের মত ভালোলাগা কাজ করছে না তোমার তাই না? নতুন কাউকে পাইছো সে কারনেই এমন করছো। আগে আমি রাগ করলে কতটা ভালোবেসে আদর করে রাগ ভাঙাতে। বাড়ির সামনে যেয়ে আমার জন্য দাড়িয়ে থাকতে। সারাদিনে হাজারবার ফোন দিতে। মেসেজের রিপ্লে দেরিতে করে দিলে শতশত মেসেজ দিয়ে ভরিয়ে দিতে ইনবক্স। সন্ধ্যায় আমার হাত ধরে হাটতে খোলা রাস্তায়। আর এখন কিছুই করো না।
আমি হাসলাম একটু শব্দ করেই। সামনের রাস্তা দিয়ে দুজন যাচ্ছে। আমার হাসি দেখে তারা তাকাল। আমি হাসি থামিয়ে জান্নাতের দিকে তাকালাম। ও বিরক্তি মুখে তাকিয়ে আমার অসহ্যমার্কা হাসি দেখছে।
- তুমি সম্পূর্ণ ভূল ভাবছো। এমন কোনো মেয়েই নেই যাকে আমি ভালোবাসবো আবারো।
- তুমি অনেক বদলে গেছো আবির।
- হতে পারে। আসলে মানুষ যখন বদলায় তখন তা সে বুঝতে পারে না। বুঝতে পারে চারিপাশের মানুষজন। আর সে ক্ষেত্রে তুমি বুঝতে পারোছো আমি বদলে গেছি কিনা।
- আচ্ছা আবির একটা সত্য কথা বলোতো।
- সত্য?
- কেনো এতদিনে কি সত্য কথা বলোনি নাকি?
- নাহ তা না, আসলে আমি সত্য কথা বলি ব্যক্তির প্রশ্নঅনুসারে। এখন তোমার প্রশ্নের উপর নির্ভর করছে আমি মিথ্যে বলবো নাকি সত্য বলবো।
জান্নাত ওর চুলগুলো সামনে ছড়িয়ে দিল। মেয়েটা জানে আমার সবচাইতে ভালো লাগে ওর ঘনকালো চুলগুল। কত যে ওর চুলের গহীনে আমার আংগুল চালিয়ে বিলি কেটেছি। জান্নাত শান্ত গলায় বললো...
- তুমি আমাকে এখনো কী আমার আগের মত ভালোবাসো?
- নাহ,
- জানতাম এটাই বলবে।
- হিহিহি,,আগের থেকে বেশিই ভালোবাসি তোমাকে।
জান্নাত চুপ হয়ে আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আমি ওর চোখের দিকে তাকালাম। দেখি ওর চোখের ভাষা আজ অস্পষ্ট। ওর মুখে সেই টোল পড়া হাসিটা একেবারেই নেই। আমি সামনে তাকালাম। সন্ধ্যা হয়ে আসছে। সেই যুগলরাও উঠে দাড়িয়েছে বাড়ি যাবার উদ্দেশ্যে। যাওয়ার রাস্তায় ফুসকা আর চটপটি খাবে হয়ত। হয়ত এটাও ভালোবাসার একটি হাসিখুশি রুপ।
আমি আবার জান্নাতের দিকে তাকালাম। দেখে মনে হচ্ছে ও কিছু বলবে। কিন্তু সেটা গলায় আটকে বসে আছে। আমি ওর সেই কিছু বলার ভাব দেখে বললাম...
- কিছু বলবে?
- নাহ, সন্ধ্যা হয়ে আসছে আমি বাড়ি যাবো।
- ওকে যাও। সাবধানে যেও।
- তোমাকে সেটা বলতে হবে না।
- হুমমম, ওকে।
জান্নাত উঠে চলে গেল। আমি ওর চলে যাবার দিকে তাকিয়ে আছি। অন্যদিন হলে আমিও ওর সাথে হাতে হাত রেখে ওর বাড়ির রাস্তায় এগিয়ে দিয়ে আসতাম। ও আমার হাতটি শক্ত করে জড়িয়ে ধরে হাটতো। যাওয়ার রাস্তায় ফুসকার দোকানে বসে ফুসকা খেয়েছি কত তার ইয়ত্তা নেই।
আমি সেসব বাদ দিয়ে ভাবতে লাগলাম আমার নিজে কথা। আমি আসলেই কেনো এমন করছি? আসলেই আমি আগে ওকে দিনে রাতে অনেক ফোন দিতাম। অনেক মেসেজ। এখানে সেখানে ঘুরাঘুরি, আড্ডা সাথে মিষ্টি ঝগড়া লেগেই থাকত। যখন ও রাগ করতো তখন রোমান্টিক হয়ে প্রপোজ করতাম আর ও আমাকে জড়িয়ে নিত। কিন্তু এখন সেটা হয় না।
আমি কি দিন দিন ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলছি ওর প্রতি? খালি ওর প্রতি না সবকিছুই প্রতি হারিয়ে ফেলছি ইন্টারেষ্ট। এখন যদি কেউ আমার কাছে এসে বলে "আবির তোর বাড়ির সামনে কপোতক্ষ নদের পাড়ে সোনার ক্ষনি পাওয়া গেছে দেখবি চল"। আমার উত্তর হবে "সোনার ক্ষনি পাওয়া গেছে তো তা এত দেখার কি আছে?"
আসলে এরুপ এর কারন, মানুষ সবসময় একই রকম থাকে না। মানুষের মাঝে পরিবর্তন এক সময় না এক সময় আসবেই। জান্নাতের প্রতি ইন্টারেস্ট এখন কম তবে আবার হবে পরে। কিন্তু তাকে ছাড়া যে আমি আবার থাকতেও পারি না। তাকে যে সত্যিই বড্ড ভালোবাসি। আগে জান্নাত বলতো আমরা মাসে দুইবার করে দেখা করবো। আর দিনে আর রাতে তিনবার কথা বলবো। কারন দুরে দুরে থাকলে ভালোবাসাটাও বাড়বে একে অপরের প্রতি। এটা জান্নাত এর কথা। তবে সেটা এখন আর হয়না। কারন এখন জান্নাতই দিনে ফোন দেয় ১০০ টা করে। মাসে ৩০ দিনে দেখা করতে চাই ২৭ দিনিই। মেসেজ এর রিপ্লে দেরিতে দিলেই সেই এখন মেসেজ দেয় গাদা খানিক।
কারন আগেই বলেছি। মানুষ সবসময় একই রকম থাকে না। মানুষের মাঝে পরিবর্তন আসবেই। তেমনি আমার মাঝেও এসেছে আর জান্নাতের মাঝেও এসেছে।
আমি আর কিছু ভাবতে পারছি না। সন্ধ্যা পার হয়ে গেছে সেই কখন। টি.এস.সি থেকে বের হলাম। দুই পকেটে হাত গুজে বাড়ির রাস্তায় আসছি।
আজ রাত ১২ টার পার জান্নাতের বার্থ ডে। তাই তার জন্য টি.এস.সির সামনে থেকে এক তোড়া রজনীগন্ধা আর ১৯ টা গোলাপ নিলাম। কারন আমি যদি তাকে উইশ না করি সবার আগে তবে সে কাল সন্ধ্যায় কেকও কাটবে না।
একটা কথা ভেবে ভালো লাগছে। তাকে এমন অবহেলা করার পরও ছেড়ে চলে যায়নি। আর যাবেও না। এটা আমি জানি। কারন সে যে আমাকে খুব ভালোবাসে। ১২ টা বাজতে এখন ৫ ঘন্টা বাকি। তাই বাড়িতে এসে ফুলগুলো পানির মধ্যে রাখলাম। ফ্রীজে রাখা ছোট্ট একটি কেক আছে যেটা জান্নাতের জন্যই কিনে রাখা। সবকিছু ঠিক ঠাক করে বসে গেলাম হাতে তৈরী লাভ কার্ড বানাতে।
.
রাত যখন ১১ টা বাজলো তখন ফোনটা হাতে নিলাম। দেখি ৭১ টা মিসড কল। সবগুলোই জান্নাতের। আর ৪৭ টা মেসেজ। মেসেজগুলো চেক করে জান্নাত কে কল দিলাম।...
- হেলো জান্নাত?
- হুমম
- সরি একটু বিজি ছিলাম।
- হুমমম, এটা আবার নতুন কি।
- বিশ্বাস করো বাহান করছি না। আমি সত্যিই বিজি ছিলাম।
- হুমম,
- তোমার জন্য একটা...
কথাটা শেষ করতে পারলাম না। তখনি শুনি জান্নাত আসতে গলায় বলছে...
- এভাবে আর কতদিন আবির?
- কি কতদিন?
- আমাকে কষ্ট দিতে খুব ভালো লাগে তাই না? আর আজকাল মনে হয় তোমাকে কল দিয়ে খুব জ্বালায়। তুমি যে বিরক্ত হও তা বেশ বুঝতে পারি।
- আরে না পাগলি কি যে বলো।
- আমি একটা ডিসিশন নিছি। আমি চাই না তুমি আর বিরক্ত হও। তাই আজ থেকে চলে যাচ্ছি তোমার থেকে। ব্রেকআপ করলাম। ভালো থেকো আবির।
কিছু বলার আগেই জান্নাত টুক করে ফোন কেটে দিল। কল কাটার আগে শুনতে পেলাম চাপা কান্নার শব্দ। আমি আর কল দিলাম না। ঘড়িটার দিকে তাকালাম। দেখি ১২ টা বাজতে এখনো ২০ মিনিট বাকি। আমি সবকিছু হাতে নিয়ে বের হয়ে পড়লাম জান্নাতদের বাড়ির উদ্দেশ্যে। যশোর থেকে ঢাকাতে থাকি আব্বুর চাকরির সুবাদে। এখান হতে জান্নাতদের বাসা মাত্য ১০ মিনিটের পথ পায়ে হেটে।
.
জান্নাতদের বাড়ির সামনে এলাম। ওর বাড়ির বেলকনি হতে রাস্তাটা দেখা যায়। দেখি রুমটা অন্ধকার। আমি জান্নাতকে কল দিলাম। ১২ টা বিজতে তখন ১০ মিনিট বাকি। প্রথম বার টুং করে রিং যাওয়ার সাথে সাথেই রিসিভ।
- জান্নাত?
- হুমমম
- সত্যিই কি ব্রেকআপ করেছো?
- জানিনা।
- ওহ তাই? আচ্ছা একবার বেলকনিতে আসবে?
- কেনো?
- এসেই দেখ, আমি তোমার বেলকনির রাস্তায় দাড়িয়ে আছি।
কলটা কেটে দিল। তখনি দেখলাম জান্নাতের রুমে আলোটা জ্বলে উঠল। আমি বেলকনির দিকে তাকিয়ে আছি। একটু পরই শুনে পেলাম গেট খোলার শব্দ। তাকিয়ে দেখি জান্নাত দৌড়ে আমার কাছে আসছে।
- তুমি বাইরে যে? (হাতদুটো পিছনে রেখে)
- এত রাতে এখানে কি করছো? (জান্নাত)
- তোমার মোবাইলে দেখবে একটু কটা বাজে?.
- ১১ টা ৫৯। কেনো বলোতো?
- আগে বলো ব্রেকআপ করেছো কিনা সত্যি।
- জানিনা।
চুপ করে জান্নাতের চোখের দিকে তাকালাম। বিকেলের সেই পরে থাকা কাজলটা কান্নার পানিতে লেপ্টে একাকার। আমি হাসলাম ওর চেহারা দেখে। কারন কান্নার পানিতে ধুয়ে আসা চোখের কাজলটা সারা মুখে লেগে তাকে পেত্নীর মতই দেখাচ্ছে। আমার হাসির দিকে সেই বিরক্তি চাহনি নিয়ে তাকিয়ে আছে।
- হ্যাপি বার্থডে জান্নাত। (রজনীগন্ধা ফুল এগিয়ে)
- আজ আমার জন্মদিন তোমান মনে আছে?
- "এ দিন তুমি এসেছিলে এ ধরনীতে।
এসেছিলে বর্ষপুন্জিকা হয়ে।
সেদিন কেঁদেছিলে তুমি আর হেসেছিল সবাই।
এসেছিলে তুমি আমার হয়ে আমার সংলাপনায়।"
গোলাপগুলো বাড়িয়ে দিয়ে বললাম কথাগুলো। ও চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। তখনি বা হাতটি বাড়িয়ে দিলাম ছোট্ট একটি কেক সামনে।
- এই পেত্নীদের মত তাকিয়ে কি দেখছো? এই নাও কেক কাটো।
- কি দিয়ে কাটবো? ছুরি কোথায়? আর মোমবাতি কোথায়?
- তাই তো? ইসস গাধার মত সেগুলো আনতে ভুলে গেছি।
- যাক, তুমি যে একটা গাধা তা স্বীকার করলে এতদিনে।
- হুহ, কেকটা ধরো আগে।
- কেনো?
কেকটা জান্নাতের হাতে দিয়ে জোনাকি পোকা ধরলাম একটা। হাতের মুঠোয় ধরে বললাম...
"আজ নায় হোক মোমবাতিহীন এক উইশ। হোক না আজ ছুরিহীন কেককাটা। আজ উড়িয়ে দেবো তোমার স্মরনে জোনাক পোকা।"
কথাগুলো বলেই জোনাক পোকা উড়িয়ে দিলাম হাতের মুঠি থেকে। জান্নাত অপলক তাকিয়ে ফু দিচ্ছে জোনাকি পোকাটাকে। জোনাকি পোকা জান্নাতের ফুতে উড়ে চলে গেল ওর অস্তিত্বে।
- কেক না হয় কাটলাম না আজ। এমনি খাই চলো।
- হুমম চলো।
কেক খেয়ে বললাম..
- এখন বলো ব্রেকআপ কিনা।
- হুটট,,কিসের ব্রেকআপ? ভালোবাসছি কি ছেড়ে যাওয়ার জন্য নাকি? ভালোবেসেছি তার মানে তোমাকেই বিয়ে করবো হুহ।
- জান্নাত একটা কথা বলি?
- হুমমম...
- 143
- মানে?
- না বুঝলে আর কি। বাসায় যেয়ে মুড়ি খাও।
- হিহিহি,,, i l u (জান্নাত)
- মানে?
- না বুঝলে বাসায় যেয়ে তুমিও মুড়ি খেও। আর এখনি বাসায় যাও। অনেক রাত হয়ে গেছে। বাসায় পৌছে কল দিবা আজ ভোর অবদি কথা বলবো।
- ইয়ে মানে জান্নাত। ফোনে না ব্যালেন্স নেই।
- তোমার শ্বশুরের আছে। যাও তোমার বউ কল দিবে।
- তাহলে তো হয়েই গেল।
- কি?
- ভাবছি আমার শ্বশুরের কাছ থেকে একটা R15 বাইক নিবো। তোমাকে নিয়ে ঘুরতে পারবো না তাতে। আমার যেসব শালিকারা আছে তাদেরকে নিয়ে ঘুরবো।
- ঘুরাচ্ছি দাড়াও বান্দর ছেলে। যাও বাসায় যাও।
আমি জোরে হেটে বাড়ির দিকে রওনা হলাম। আসার আগে জান্নাতের ঠোটে একটা কিস করে চলে এসেছি। মোড় ঘুরতেই জান্নাতের দিকে তাকলাম। দেখি মেয়েটা তখনও তাকিয়ে আছে আমার দিকে। ল্যামপোস্টের আলোতে বেশ বুঝতে পারছি ও কাঁদছে। আমি হাসলাম। কারন সে কাঁদছে কষ্টে না, এটা প্রশান্তির এক প্রতিচ্ছবি। যা পানি হয়ে ঝরে পড়ছে গাল বেয়ে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now