বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সাক্ষর আর সালাউদ্দিন লাথি মেরে ভেঙ্গে
ফেলে দরজা । সেখানে গিয়ে দেখে প্রিয়া আর
প্রিতিকে । প্রিতি খুব অসুস্থ হয়ে পরেছে ।
শিপন ঃ তোমরা ঠিক আছো ?
প্রিয়া ঃ হ্যা ঠিক আছি আমি কিন্তু প্রিতি অসুস্থ । ওকে
ডাক্তার দেখাতে হবে ।
রিসান ঃ কাকা আমি পুলিশকে জানিয়ে দিয়েছি , খুব
তারাতারিই চলে আসবে ।
শিপন ঃ মেজজাবিন তুই প্রিতি আর প্রিয়াকে নিয়ে যা ,
আমি আর রিসান ঘুরে আসছি একটু , কোথায় কি
আছে ?
প্রিতি ঃ আমি যাবো আপনার সাথে ।
মেহজাবিন ঃ তুমি অসুস্থ প্রিতি , তোমার যাওয়া ঠীক
হবে না ।
প্রিতি ঃ আপু আমি যেতে পারবো । আর আমি চিনি সব
।
সালাউদ্দিন ঃ আলো আর মেহজাবিন ওকে ধরে
নিয়ে আস । আমরা সবাই যাই । কারন বদমাইশ গুলো
হয়তো আসে পাশেই আছে । আলাদা হলে
আক্রমন করতে পারে ।
কৃষ ঃ ঠিক , আমাদের একসাথে যাওয়া উচিৎ ।
শিপন ঃ আচ্ছা চলো তাহলে ।
এরপর এগিয়ে চলে তারা । প্রথমে শিপন ওদের
সবাই কে নিয়ে যায় বিভিন্ন যায়গায়। কিন্তু কোথাও
কিছু দেখতে পায় না । এরপর প্রিতি বলে
প্রিতি ঃ ভাইয়া ওই বাড়ির নিচে ১টা ঘর আছে । সেখানে
গেলে পেতে পারো হয়তো ।
শিপন ঃ সেটা ঠিক আছে । কিন্তু এখানে কালই
অনেক অনেক গরু দেখেছিলাম , সব এতো
তারাতারি কোথায় গায়েব হয়ে গেলো ।
রিসান ঃ কাকা আমি নদীর পারে ১টা মরা গরু দেখতে
পেয়েছি ।
শিপন ঃ প্রিতি চলো সেই ঘড়টা তে । দেখিকিছু
আছে নাকি ।
এরপর ওরা চলে আসে সেই ঘরে । পুরোনো
সেই বাড়ির নিচে ঘরটি । ১টা সুরংগ পথ দিয়ে যেতে
হয় । সেখানে গিয়েও কাউকে পায় না ওরা । তবে
অনেক কিছু দেখতে পায় । কিছু জামাকাপর ,নাগা
মরিচের আচার , আর এক রুমে রক্ত পরে জমাট
বেধে আছে আর কিছু গরুর চামরা পাশে পরে
আছে । জামাকাপর গুলো দেখে বুঝতে পারলো
যে ভূত গুলো আসলে ফেক , আচার টা সাক্ষর
নিয়ে নেয় । ওরা অভিনয় করতো, বেশ ভালোই
অভিনয় করেছে ভূতগুলা । কিছুখন পর পুলিস আসে ।
পুলিস সব তছনছ করে খুজেই কিছু পায় না । তবে
ধন্যবাদ দেয় ওদের সবাই কে , কারন তাদের
কাছে এ ব্যাপারে কয়েকবার রিপোর্ট আসছিল এই
রিসোর্ট নিয়ে । তখন পাত্তা দেই নাই ।
এরপর পুলিশ ওদের ঐখান থেকে নিয়ে আসে ।
পরেরদিন ভোরে ওরা ঢাকায় চলে আসে । যে
যার বাসায় ফিরে যায় । ২দিন রেস্ট নেয় ।
রেস্ট শেষ হলে আবার শুরু হয় তাদের অফিস ।
গোয়েন্দাগিরি ।
বিকেলে সবাই হাজির । শিপন, রিসান, মেহজাবিন,
সালাউদ্দিন, , সায়মা, সাক্ষর, মিম , আলো আর কৃষ ।
সবাই গল্প করছে । প্রিয়া আসে নি তখনো ।
সাক্ষর ঃ ভাইয়া , তাহলে আমরা আমাদের সফল হলাম
আমাদের প্রথম গোয়েন্দাগিরিতে ।
সালাউদ্দিন ঃ হ্যা । অনেক ভয় ও পেয়েছিলা । যাক
কাজটা শেষ হলো ।
মিম ঃ আমরা প্রিতি কে উদ্ধার করলাম । আমার ভেবেই
খুব ভালো লাগছে ।
মেহজাবিন ঃ আমরা সফল না ? আমাদের কাজ শেষ হয়
নাই ।
মিম ঃ কি বলো আপু ? আর কি বাকি ?
শিপন ঃ ওরা কেন মানুষদের ডেকে নিয়ে ভয়
দেখায় ? এতো গরু কোথায় থেকে আসলো ?
আবার গেলোই বা কোথায় ? আর প্রিতিকেই বা
কেনো আটকে রেখেছিল ?
রিসান ঃ রাইট । তার মানে কাকা এর ভিতর আরো রহস্য
আছে ঠিক না ?
শিপন ঃ আপাতত তাই মনে হচ্ছে । কিন্তু বুঝতেছিনা
কিভাবে শুরু করবো ।
মেহজাবিন ঃ হ্যা , আমরা কোন ক্লু নিয়ে আসতে
পারি নাই । আমার মনে হয় প্রিতির সাথে কথা বললে
কিছু পেতে পারি ।
আর এমন সময় প্রিয়া আর প্রিতি এসে হাজির ।
প্রিতি ঃ আমাকে নিয়ে মনে হয় কিছু বলছেন
আপনারা ?
মেহজাবিন ঃ হ্যা । তোমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছিলাম
।
শিপন ঃ প্রিয়া আর প্রিতি কেমন আছো তোমরা ?
শরিরের খবর কি ? এখন সুস্থ তো ?
প্রিয়া ঃ আমরা একদম সুস্থ ।
প্রিতি ঃ প্রিয়ার কাছ থেকে আপনাদের গোয়েন্দা
গ্রুপের কথা শুনেছি । আমার খুব ভালো
লেগেছে । আমি কি আপনাদের সাথে কাজ
করতে পারি ?
মেহজাবিন ঃ অবশ্যই । আমরাও তোমাকে চাচ্ছি ।
রিসান ঃ আচ্ছা আপু আমাদের কিছু জানার ছিলো
তোমার কাছে ?
প্রিতি ঃ আমার কাছে ? কি জানতে চাও বলো ?
রিসান ঃ তোমাকে ওরা কেনো উঠিয়ে নিয়ে
গিয়েছিল ? কিভাবে ? আর তুমি কি কি দেখেছো
আমরা কি জানতে পারি ?
প্রিতি ঃ আমি নিজে থেকেই জানাতে চাচ্ছিলাম । রাতে
যে ভূত গুলো আসতো সেটা যে ফেক আমি তা
ধরে ফেলেছিলাম । তারপরের দিন আমি ওদের
হাতে নাতে ধরার জন্ন্য ওত পেতে ছিলাম । ধরেও
ফেলি । তারপর আমাকে তারা করে । পুরোনো
সেই বাড়িটার পিছনে লুকায় । আর তখন তাদের
আরেকটা ক্রাইম আমি দেখি ফেলি ।
সাক্ষর ঃ কি দেখেছো আপু ?
প্রিতি ঃ খুন
মিম ঃ কি ? কি বলো তুমি এইসব ? ঐখানে খুনও
হয়েছে ?
প্রিতি ঃ হ্যা । ওদের ব্যাবসায়িক কোন ঝামেলা নিয়ে
ওরা ওদেরই একজনকে খুন করে । আর আমি
দেখে ভয়ে চিৎকার করি । আর তখন আমাকে
দেখে ফেলে । আমাকে বন্দি করে ফেলে ।
কৃ্ষ না থাওলে হয়তো আমি ঐদিন মারাই যেতাম । কৃষ
তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই ।
কৃ্ষ ঃ আপু আমি সেটাই করেছি যেটা আমার করার উচিৎ
ছিল ।
সাক্ষর ঃ (দারিয়ে গিয়ে) বাইরে থেকে কে
যেনো আমাদের কথা শুনছে । (কথা বলেই
সাক্ষর বাইরের দিকে দৌড় দেয় । আর লোকটি
পালিয়ে যায় । সবাই পিছন থেকে দেখে যে
পালিয়ে যাচ্ছে । সাক্ষর লোকটির পিছনে পিছনে
বেশ কিছু দূর ছুটে যায় । কিন্তু ধরতে পারে না )
ফিরে আসে সাক্ষর ।
সালাউদ্দিন ঃ সাক্ষর কে ওইটা চিনতে পারলে ?
সাক্ষর ঃ হ্যা ; জামান নামের ওই লোক টা । যে
আমাদের আগেও ওইখানে ফলো করছে ।
শিপন ঃ তারমানে ঘাপলা আরো অনেকদুর ।
আলো ঃ আমাদের সবাই কে একটু সাবধানে থাকতে
হবে ।
সায়মা ঃ হ্যা । সেফটি ফার্স্ট । ওরা যেহেতু ফলো
করছে তারমানে ভয় দেখানোর জন্য আমাদের
উপর আক্রমন ও করতে পারে ।
শিপন ঃ সবাই সাবধানে থাকবে । কিছু হলে আমাকে
জানাবে , এখন যার যার বাসায় চলে যাও ।
এর পর যে যার মত বাসায় চলে যায় । শিপন , সালাউদ্দিন
আর রিসান একসাথে থাকে । বাসায় ফিরে খাওয়া দাওয়া
শেষ করে সুয়ে পরে শিপন আর সালাউদ্দিন । রিসান
টেবিলে বসে গল্পের বই পরছে । রিসান খেয়াল
করে বারান্দায় কে জেনো আছে । হালকা ছায়া
দেখতে পায় সে ।
রিসান ঃ (নিচু গলায়) কাকা কাকা , উঠ । কে যেন বারান্দায়
লুকিয়ে আছে ।
শিপন ঃ চলো কাকা , দেখে আসি বেটাকে ।
ধিরে ধির ২জন আগাচ্ছে । বারান্দার কাছে যাওয়া মাত্র
ভিতর থেকে লোকটা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেই
শিপন আর রিসান কে । পিছন থেকে আস্ত্র বের
করে গুলি করার প্রস্তুতি নেয় ।সালাউদ্দিনের ঘুম
ভেংগে যায় । সব দেখে সালাউদ্দিন মোবাইল
ছুরে মারে অস্ত্রের দিকে । নিশানা ঠিক মতঅই
করে সালাউদ্দিন । তবে শিপন ঘুলির হাত থেকে
রক্ষা পেলে গুলিটা কিঞ্চিত আগাত হাতে রিসানের
হাতে । অবস্থা বেগতিক দেখে অস্ত্র ফেলেই
বারান্দা দিয়ে লাফ দেয় জামান । হ্যা লোকটি সেই
জামান । সালাউদ্দিন ফার্স্ট এইডবক্স বের করে
রিসানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় । শিপন পুলিশ কে
খবর দেই । পুলিশ আসে , সাক্ষর আর কৃ্ষ ও খবর
পেয়ে আসে । শিপন বাকি সবাইকে ফোন দিয়ে
খোজ খবর নেয় যে তারা ঠিক আছে কি না ।
…………………… চলবে >>>>>>>>>>>>>>>
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now