বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ডেভিল হান্টার (পর্ব-১)

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উৎস বিশ্বাস (০ পয়েন্ট)

X সালাউদ্দিন ঃ দোস্ত আজ তো ইন্টারভিউ , তোর কি মনে হয় কেউ আসবে ? শিপন ঃ অবশ্যই আসবে , কেনো আসবে না বল ? সালাউদ্দিন ঃ এই প্রযুক্তির যুগে কি কেউ আসবে এই গোয়েন্দা ফোয়েন্দা হতে ? মেহজাবিন ঃ তুই এসেছিস কেনো ? সালাউদ্দিন ঃ আরে আমার তো শখ ছোট থেকে গোয়েন্দা হওয়া । তোরা চান্স দিলি তাই হয়ে গেলাম । শিপন ঃ তোর আমার মত এমন অনেক পাগল আছে যারা একটু আকটু ফোয়েন্দা গোয়েন্দা হতে চায় । মেহজাবিন ঃ কলিংবেল বাজছে কেউ মনে হয় এসেছে , ইন্টারভিউ দিতে । শিপন ঃ আচ্ছা আমি গিয়ে খুলে দেখি । শিপন গিয়ে দরজা খেলে দেয় , একটা মেয়ে এসেছে । মেয়ে ঃ আমি ইন্টারভিউ দিতে এসেছি ।আমার নাম সায়মা । শিপন ঃ আচ্ছা আসুন , ভিতরে আসুন । শিপন ঃ এই হচ্ছে মেহজাবিন আর ও সালাউদ্দিন । দোস্ত ইনি সায়মা , আমাদের সাথে কথা বলতে এসেছে । মেহজাবিন ঃ কেমন আছেন সায়মা ? আর বসুন প্লিজ । সায়মা ঃ আমি ভালো আছি , আপনারা ভালো আছেন ? শিপন ঃ জি ভালো । আচ্ছা আপনি কোথায় থাকেন ? সায়মা ঃ আমি উত্তরা থাকি । শিপন ঃ হটাৎ গোয়েন্দা হতে চাচ্ছেন কেনো ? সায়মা ঃ ভালো লাগা থেকে এসেছি । রহস্য খুব ভালো লাগে ,এডভ্যাঞ্চার আর গনিত ও খুব ভালো । আর আমি মনে করি এই ৩টি ভালো লাগা একমাত্র গোয়েন্দাগিরিতেই সম্ভব । তাই আসা ………………………………………… এভাই একজন একজন করে আসে , আর চলতে থাকে ইন্টারভিউ । ইন্টারভিউ বলা ঠিক হবে না । এই কথা বার্তা বলা আর কি । আপনার নাম ? আমার নাম মিম ্মেহজাবিন ঃ আচ্ছা আপনি কেনো এতো প্রফেশন ছেরে গোয়েন্দা হতে চান ? মিম ঃ ছোট থেকেই গোয়েন্দা বই পরতাম , এক সময় গোয়েন্দা বইএর পোকা হয়ে যাই । আর আজ সুজোগ পেয়ে নিজেই গোয়েন্দা হতে চাচ্ছি । মেহজাবিন ঃ স্ব্প্ন , কল্পনা আর বাস্তব কিন্তু এক না । এখানে অনেক রিস্ক আছে । মারাও যেতে পারেন ? মিম ঃ আচ্ছা আপু পৃথিবীতে এমন কেউ আছে যে জন্মেছে কিন্তু মারা যাবে না ? আমিও মারা যাবো এটাই সত্যি । আমি মৃত্যু ভয় পাই না । এর পর আসে আরো অনেকে আমি স্বাক্ষর , থাকি ঢাকা । আর ও আমার ফ্রেন্ড কৃ্ষ কলকাতা থেকে এসেছে গোয়েন্দা হতে । মেহজাবিন ঃ আচ্ছা আপনা কখনো ভূত দেখেছেন ? স্বাক্ষর ঃ আমি ভূত বিশ্বাস করি না । এগুলা ভূয়া কথা । (যেদিন খপ্পরে পরবা সেদিন বুঝবা পিচ্চি , মনে মনে বলছে মেহজাবিন ) আরেকজন শিপনঃ আপনি কোথায় পরেন ? আলো ঃ আমি রাজশাহি ইউনিভার্সিটিতে পরছি । সালাউদ্দিন ঃ একটা মেয়ে হয়ে কেনো আপনি এই গোয়েন্দা হতে আসলেন ? আলো ঃ মেয়েদের কি গোয়েন্দা হতে মানা ? দেশের প্রধানমন্ত্রী , স্পিকার , বিচারপতি যদি মেয়েরা হতে পারে তাহলে মেয়েরা গোয়েন্দা হতে পারবে না কেনো ? মেহজাবিন ঃ সাল্লু তুই একটু থাম । আলো আপু ও একটু আপনার সাথে মজা করছিল । এভাবেই টুকটাক কথা বলে ইন্টারভিউ পর্ব শেষ করে নেয়া হয় আলো , স্বাক্ষর , সায়মা , কৃ্ষ , মিম আর রিসান । পরেরদিন সবাই অফিসে আসে । ওহ হ্যা অফিস টা হল কলাবাগান মাঠের উলটা দিকে ইয়াকুব সাউথ সেন্টারের বেসমেন্টে । ছোট আর ভৌতিক টাইপের অফিস । তবে গোছানো , এসি আছে । সবাই কে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় । পরিচয় পর্বের শেষ সবাই মিলে গল্প করছে এমন সময় দরজায় টোকা ।সালাউদ্দিন দরজা খুলে দেখে ১টা মেয়ে । সালাউদ্দিন ঃ কাকে চান আপনি ? মেয়ে ঃ শিপন ভাই আছে ? সালাউদ্দিন ঃ হ্যা আছে । আপনি কে , আর কি চান ? মেয়ে ঃ আমার তার সাথে কথা বলা জরুরী , তার কাছে প্লিজ আমাকে একটু নিয়ে চলুন । সালাউদ্দিন ঃ কি দরকার আমাকে বলুন , আমি ওকে গিয়ে বলছি । মেয়েটি সালাউদ্দিনকে সরিয়ে ভিতরে ঢুকে যায় । ভিতরের রুমে গিয়ে ওদের সামনে দারায় মেহজাবিন ঃ আপনি কে ? মেয়ে ঃ আমি প্রিয়া । আমি শিপন ভাই কে খুজছি , আমি উনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি । শিপন ঃ আমি শিপন ।বসুন …………… কি বলবেন বলেন ? প্রিয়া ঃ আমি আপনার সাথে একা কথা বলতে চাচ্ছি , আর মেহজাবিন আপু আপনি ও আসেন প্লিজ । আপুকে আমি আগে থেকেই চিনি । ৩জন পাশের রুমে যায় অনেকখন কথা বলে । কথা শেষ হলে বের হয় । সবার সাথে প্রিয়ার পরিচয় করিয়ে দেয় । আর বলে মেহজাবিন ঃ প্রিয়া আমাদের নতুন সদস্য আর আমরা আগামিকাল কিছুদিনের জন্ন্য পটুয়াখালি যাচ্ছি । সেখানে সুন্দর ১টা রিসোর্ট আছে ছোট ১টা দ্বিপে । আমরা যেহেতু সবাই নতুন তাই শুরুতে একটা আধটু ঘোরাঘুরি করে কাজে নামতে চাচ্ছি । আর আমাদের হাতে তেমন কোণ কাজো নাই । শিপন ঃ কাল সকাল ১০টায় আমরা বাসে উঠবো । আর মনে রাখবে আমরা এখন গোয়েন্দা , সো যেখানেই যাই না কেনো একজন গোয়েন্দা হিসেবে যা যা ক্যারি করা উচিৎ সব নিয়ে আসবে । রিসান ঃ কাকা আমরা কত দিন থাকবো ? শিপন ঃ ঠিক নেই । মিম ঃ ইটস গ্রেট । তাহলে আমরা এখন চলে যাই । বাসায় গিয়ে সব রেডি করি । স্বাক্ষর ঃ হ্যা ভাইয়া আমরা চলে যাই । এর পর সবাই চলে যায় । পরেরদিন সবাই ঠিক ১০টার আগেই অফিসে চলে আসে । সেখান থেকে বাসে করে রওনা দেয় মিম , আলো , স্বাক্ষর, কৃ্ষ ,প্রিয়া ,রিসান , শিপন , সালাউদ্দিন , মেহজাবিন , সায়মা । সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাফলং এ গিয়ে পৌছায় পটুয়াখালী । সেখান থেকে ট্রলারে করে পোছে সেই রিসোর্টে ।ট্রলারে শিপন সবাই কে বলে শিপন ঃ তোমাদের কি কারো মনে প্রশ্ন যাগে নি যে ঢাকার আসে পাশে এতো যায়গা থাকতে কেনো আমরা এখানে এলাম ঘুরতে ? আলো ঃ ভাইয়া আমরা কি Great Haunted Resort এ যাচ্ছি ? যেখানে নাকি প্রায় রাতেই ভূত দেখা যায় ? শিপন ঃ এই মেয়ে তুমি জানলা কিভাবে ? আলো ঃ পটুয়াখালি আর দ্বিপের কথা শুনে কাল রাতে নেটে একটু ঘাটাঘাটি করেছিলাম আরকি । শিপন ঃ আচ্ছা শুনো সবাই । আমরা সবাই আসলে ভূত দেখতে আসছি । তোমাদের মধ্যে অনেকেই আছো যারা এগুলো বিশ্বস করো না । তাদের জন্ন্য এই ট্যূর । আর যারা ভয় পাও তারা কখনোই একা থাকবে না । ব্যাগ অলওয়েস ক্যারি করার চেষ্টা করবে । রাত ৯টার দিকে ওরা রিসোর্টে পৌছায় । সেখানে গিয়ে রিসোর্টে রুম ভারা করে । খুব বেশি মানুষজন নেই এখানে । জায়গাটা খুব বেশি ভয়ংকর ।রিসোর্ট টা পুরোনো ১টা ভুতের বাড়ির মত । চারপাশে নদী । রিসোর্টের একটু দূরেই আছে বড়১টা বটগাছ । তার ইচে ১টা মন্দির ও দেখা যায় । কোন বিদ্যুতের ব্যাবস্থা নেই । হেরিকেনর আলোয় সব চলে । তার মানে মোবাইল চার্জের ব্যাবস্থা নেই । রিসোর্টের পিছনে একটু বনের মত । যে যার মত করে রাতে রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পরে । ওরা সহ সব মিলে ২০জনের মত হবে এখানে ঘুরতে মানে রাত্রীযাপন করে ভূত দেখতে এসেছে । রাত পেরিয়ে যায় কিন্তু ভূত-পেত্নীর কোন খোজ নেই ।রিসোর্টে রাতে খাবার খায় ইলিশ মাছ দিয়ে । শিপন রিসোর্টের সামনের শিড়িতে বসে সিগারেট খাচ্ছে । প্রিয়া শিপনের সাথে কথা বলে । অনেকখন ওরা কথা বলে । এক সময় প্রিয়া কেদে উঠে । কিছুখন পর অরা চলে যায় রুমে । যার যার মত হারিয়ে যায় ঘুমের রাজ্যে । সকালে শিপনের ঘুম ভাংগে চিৎকার চেচামেচিতে ।পাশের রুম থেকেই আওয়াজ টা এসেছে । শিপন , স্বাক্ষর , রিসান দৌড়ে পাশের রুমে যায় । গিয়ে দেখে মেহজাবিন্ দের রুমের সামনে ১টা মরা কাক পরে আছে ।কাক টার শরির দিয়ে রক্ত ঝরেছে । দেখে মনে হচ্ছে কেউ খামছিয়ে কাকটাকে মেরেছে । মিম ঘুম থেকে উঠে দেখে কাকটা পরে আছে , আর সেটা দেখে চিৎকার দেই । মেয়ে টা খুব ভয় পেয়েছে …………………………………………।। গল্পটি চলবে … সাথে থাকবেন আসা করি ভালো লাগবে ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now