বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ডাইনোসরের তালিকা
ডাইনোসর
ইংরেজি : Dinosaur।
জীবজগতের সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণীর সাধারণ নাম। এই প্রাণী উদ্ভব ঘটেছিল মেসোজোয়িক
যুগের ট্রায়াসিক অধিযুগে। এই অধিযুগে মধ্যবর্তীকালে— ২৬ কোটি বৎসর আগে কারু বরফযুগের অবসান হয়। এই সময়ের প্যাঙ্গিয়া মহা-মহাদেশ-এ আনুমানিক ২৩ কোটি বৎসর আগে প্রথম ডাইনোসরের আবির্ভাব ঘটেছিল। ট্রায়াসিক অধিযুগের পরবর্তী অধিযুগ ছিল জুরাসিক (২০ থেকে ১৪ কোটি ৫০ লক্ষ বৎসর পূর্বকাল) অধিযুগে ডাইনোসরের নানা ধরনের প্রজাতিতে পৃথিবী ছেয়ে গিয়েছিল। ১৪কোটি ৫০ থেকে ৬৫ কোটি ৫০ লক্ষ বৎসর আগের ক্রেটাসিয়াস অধিযুগে ডাইনোসরের প্রায় বিলুপ্তি ঘটে।
ডাইনোসর-এর শব্দ-উৎস
গ্রিক δεινός (deinos, ভয়ঙ্কর, ভয়াল বিশাল) এবং σαορος (sauros, টিকটিকি বা সরীসৃপ) এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে ইংরেজ জীববিজ্ঞানী স্যার রিচারড ওয়েন (Sir Richard Owen) ১৮৪২ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম Dinosaur শব্দ ব্যবহার করেন। কালক্রমে এই শব্দটি অন্যান্য ভাষায় প্রবেশ করেছে। বাংলা ডাইনোসর শব্দটি ইংরেজি Dinosaur শব্দের ধ্বনিগত রূপ মাত্র।
ডাইনোসর-এর ক্রমবিকাশ
পৃথিবীর এককোষী জীব থেকে বহুকোষী জটিল প্রাণী ও উদ্ভিদের ক্রমবিকাশের ধারা চলছিল কোটি কোটি বৎসর ধরে। এই ক্রমবিবর্তনের ধারায় সৃষ্টি হয়েছিল চতুষ্পদী কিছু প্রাণী। সিলুরিয়ান (Silurian) অধিযুগে , ৪১ কোটি ৮০ লক্ষ বৎসর আগে সারকোপটেরিজাই জাতীয় কিছু প্রাণী সাগরে জলে বসবাস করতো। এই প্রাণিগুলোর পাখনাগুলো ৪টি পায়ে পরিণত হয়েছিল। আদিকালের সেই চার পেয়ে প্রাণিগুলোকে সাধারণভাবে বলা হয় টেট্রাপোড (Tetrapod)। ১৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দে এর নামকরণ করেছিলেন Laurenti।
টেট্রাপোডদের কিছু প্রাণী Amniote ডিম প্রসব করা শুরু করে। এই শ্রেণির প্রাণী থেকে পরবর্তী সময়ে ডাইনোসারসহ অন্যান্য প্রাণীর উদ্ভিব ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে এর ক্ষুদ্রপর্ব (Microphylum) হিসাবে Amniota উল্লেখ করা হয়। ডিমের বৈশিষ্ট্য অনুসারে এই ক্ষুদ্রপর্বকে বিচার করা হয়। সাধারণত ডিমের কুসুমে থাকে ভ্রূণের খাবার। এই কুসুম এবং ভ্রূণকে ঘিরে থাকে এক ধরনের তরল পদার্থ। একে বলা হয় এ্যামনিয়ন (amnion)। যে সকল প্রাণীর ডিম এ্যামিওন-যুক্ত হয়, সে সকল ডিমকে বলা হয় এ্যামনিওটা (Amniota)। এদেরই সোরাপ্সিডা অতিক্ষুদ্র পর্ব থেকে সৃষ্টি হয়েছিল সরীসৃপ (Reptile) বলা হয়।
এই শ্রেণীর প্রাণীর ত্বক শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত থাকে। সাধারণভাবে এই শ্রেণীর অন্তর্গত প্রাণীগুলোর মধ্যে, আমাদের অতি পরিচিত প্রাণীগুলো হলো— নানা রকমের সাপ, কুমির, টিকটিকি, কচ্ছপ ইত্যাদি। বিজ্ঞানীদের মতে ৩৪ কোটি বৎসর আগে, কার্বোনিফেরাস (Carboniferous) অধিযুগে- টেট্রাপোডদের একটি দল বিবর্তিত হয়ে সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণীতে পরিণত হয়েছিল। কার্বোনিফোরাস অধিযুগের শেষের দিকে, ৩০ কোটি বৎসর আগে, সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণীকূল বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। এর উল্লেখযোগ্য উপশ্রেণীগুলো হলো—
এ্যানাপসিডা (Anapsida) : উল্লেখযোগ্য প্রাণী কচ্ছপ
লেপিডোসোরিয়া (Lepidosauria) : একালের সাপ জাতীয় প্রাণী
আর্কোসোরিয়া (Archosauria) : ডাইনোসরের শাখা
প্যারাপসিডা (Parapsida) : ডাইনোসরের আবির্ভাবের পূর্ববর্তী একটি বিলুপ্ত শাখা।
আরিওস্কেলিডা (Araeoscelida) : এর সকল প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
২৫ কোটি বৎসর পূর্বকালে পার্মিয়ান (Permian) অধিযুগের শেষাংশ থেকে মেসোজোয়িক যুগের শেষভাগ পর্যন্ত এদের আধিপত্য ছিল । উপরের তালিকার প্রথম তিনটির কিছু প্রজাতি এখনো জীবিত আছে। শেষের দুটি ভাগের সকল প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এর ভিতরে আর্কোসোরিয়া (Archosauria)-কে ডাইনোসরের শাখা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। উল্লেখ্য, আর ২৩ কোটি বৎসর আগে প্রথম ডাইনোসরের আবির্ভাব ঘটেছিল।
আর্কোসোরিয়া উপশ্রেণির অধীনে রয়েছে ডাইনোসোরিয়া নামক অধিবর্গ (Dinosauria)। আর এই অধিবর্গের অধীনে রয়েছে দুটি বর্গ। সরিশ্চিয়া (Saurischia) ও অর্নিথিশকিয়া (Ornithischia)।
দ্বিপদী বা চতুস্পদী জীবাশ্মের নিতম্বের কাঠামো গঠিত হয় তিনটি হাড়ের সমন্বয়ে। একে বলা হয় পেলভিস (pelvis)। এর কেন্দ্রে থাকে একটি গর্ত। এখানেই উরুর অস্থির (femur) মাথা যুক্ত হয় এবং নিতম্বের অস্থিসন্ধি (hip joint) তৈরি করে। বিজ্ঞানীরা এমন কিছু পেলভিসের নমুনা পেলেন, যেগুলোর সাথে সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণীর মিল রয়েছে, কিন্তু সেগুলো এই শ্রেণীর অন্যান্য প্রজাতির মতো নয়। আবার এগুলো স্তন্যপায়ী, পক্ষী ইত্যাদির মতোও নয়।

বিজ্ঞানীদের কাছে প্রাথমিকভাবে এই জাতীয় প্রজাতির যে সকল নমুনা জমা হয়েছিল, সেগুলো দেখে মনে ছিল ভয়ঙ্কর দৈত্যের নিতম্ব। আবার এদের গড়ন ছিল টিকটিকির মতো। ফলে এর নামকরণ করা হলো- dinosaur (নামকরণ)। Dinosauria -র পেলভিসের নমুনা অনুসারে অধি-বর্গ নিরূপিত হওয়ার পর বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করলেন, এদের গঠনেও পার্থক্য আছে। তাঁরা লক্ষ্য করলেন, Dinosauria - অধি-বর্গের কিছু ক
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now