বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ডাঃ স্যমন্তক অমর রহে :- মন্দিরা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X আজ বিকেল চারটেয় একমাত্র ছেলে অমলিন আর পুত্রবধু সামান্থা বেরিয়ে গেল ‚ একটা ট্যাক্সী নিয়ে | ওদের ফ্লাইট রাত এগারোটা বাহান্নয় | এমিরেটসের বিজনেস ক্লাসের টিকিট ওদের | যাতে আরামে প্রায় চব্বিশ ঘণ্টার পথ পাড়ি দেওয়া যায় | অমলিন তিনবছর আগে থেকেই ইউ এস এর বাসিন্দা ‚ খুব ভালো অফার পেয়ে চলে গিয়েছিল | এপয়েণ্টমেণ্ট লেটারটা হাতে নিয়ে খুসীতে ঝলমল করতে করতে মাকে এসে জড়িয়ে ধরেছিল ‚ অমলিন | মাও খুব খুসী হয়েছিল | যাক ‚ ওর বাবা এত স্ট্রাগল করছে ‚ একটু দাঁড়ানোর জন্যে | নিজের প্রিয় গবেষণার কাজেও পদে পদে বাধা ‚ যার অনেকটাই এসেছে কলিগদের কাছ থেকে | স্যমন্তক নীরবে ‚ হাসিমুখে ‚ সব অপমান হজম করে ‚ দৃঢপ্রতিজ্ঞ হয়ে ‚ নিজের গবেষণার কাজ বন্ধ না করে ‚ হাজারো প্রতিবন্ধতাকে মেনে নিয়ে ‚ এগিয়ে গেছে | হসপিটালের ল্যাবে যাওয়া বন্ধ করে ‚ নিজের ছোট্ট বাড়ীতে একটা ঘর নিজের কাজের জন্য বেছে নিয়েছে | সেই ঘরে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র ‚ একটু একটু করে সংসার খরচ বাঁচিয়ে ক্ষণিকার সহায়তায় সব কিনে নিয়েছিল | একদিন স্যমন্তক বাড়ী ফিরে বলে ‚ দুটো শুয়োর না কিনলে আর চলছেনা | ক্ষণিকা অবাক হয়ে ‚ হাজব্যাণ্ডের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে ‚ মানে ? তুমিকি এবার ঘরে শুয়োর এনে রাখবে নাকি ‚ চারটে গিনিপিগতো আছেই ? আরে বাবা না না ‚ আমিকি পাগল যে বাড়ীতে শুয়োর রাখবো ? আমাদের ওয়ার্ডের ফোর্থ ক্লাস ষ্টাফ ‚ ঐযে সুশীল বলে ছেলেটা ‚ ওদের বস্তীথেকে দুটো শুয়োর ও কিনে দেবে | আর ঐ ওদের দেখভাল করবে | আমি বিকেলে গিয়ে ঘণ্টা দুয়েক ওদের নিয়ে একটু পরীক্ষা ‚ নিরীক্ষা করবো | সুশীলদের ঘরের পিছনে ছোটমত কচুবন আছে ‚ ঐখানে কাদার মধ্যে ও সকালে খানিকক্ষণ চড়াবে | ওখানেই ওরা খাওয়া ‚ পটি সব সেরে নেবে | তারপর ঘরে আটকে রেখে ও হসপিটালে চলে আসবে | সুশীল ছেলেটা আমায় খুব ভালোবাসে | ওকে আমি মাসে কিছু করে দেব বলেছি | ক্ষণিকা হাজার অসুবিধা সহ্য করেও সব মেনে নিয়েছিল ‚ স্যমন্তকের গবেষণা যাতে ব্যাহত না হয় ‚ সেদিকে তাকিয়ে | এর জন্য স্যমন্তকের অজান্তে ‚ নিজের সব গয়না বিক্রি করে ‚ স্যমন্তকের হাতে তুলে দিয়েছে | অমলিন মায়ের এই স্বার্থত্যাগ নিজে চোখে দেখেছে | তখন থেকেই মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেছে ‚ নাঃ এদেশে থেকে ‚ নিজের উজ্জল ভবিষ্যৎ নষ্ট করার কোন মানেই হয়না | উচ্চশিক্ষার্থে তাকে ইউ এস এতে যেতেই হবে | তাই এম এস ফাইনাল ইয়ার থেকেই চেষ্টা চালিয়ে গেছে | তারপর বেলভিউতে চাকরী করার সময়েই অফারটা পেয়ে ‚ আর দুবার ভাবেনি | চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে ‚ টিকিট কেটেছে ‚ বাবা ‚ মায়ের অজান্তেই | তারপর খুসীতে মাকে সব জানিয়েছে | অমলিন চলে যাওয়ার পরে ‚ ক্ষণিকা আরো বেশী করে স্বামীর কাজের সুরাহা করার চেষ্টা করেছে | কোনদিনি সংসারের চিন্তা করতে দেয়নি ‚ ক্ষনিকা | দরকার হলে নিজের জীবন দিয়েও ঐ আধপাগলা লোকটার সাহায্য করবে | স্যমন্তকের গবেষণা এনসেফেলাইটিসের প্রতিষেধক আবিস্কার করা নিয়ে | যেটা নিয়ে সারা পৃথিবী তোলপাড় হচ্ছে | সেই অসাধ্য সাধনের চেষ্টা করে চলেছে লোকটা | আজ আবার মনে হয় ‚ অমলিন যখন ঘরে এসে মাকে জড়িয়ে ধরে খবরটা দিয়েছিল ‚ খুসীতে নিজেও ছেলেকে আঁকড়ে ধরেছিল ‚ কিন্তু স্যমন্তকের কথা ভেবে ‚ আস্তে আস্তে আলিঙ্গন শিথিল হয়ে গেছিল ‚ ক্ষণিকার | নিজের স্বামীর ভাবনায় তলিয়ে যাচ্ছিল......... ‚ অবাক হয়ে ‚ অমলিন বলেছিল ‚ কি হল মা ‚ তুমি খুসী হওনি ? সম্বিত ফিরে পেয়ে ‚ ক্ষনিকা বলেছিল ‚ কি বলছিস ? খুশী হইনি আবার ? খুব খুব খুশী হয়েছি | তুই এত তাড়াতাড়ি সাফল্যের প্রথম চাবিকাঠি হাতের মুঠোয় পেলি ‚ আর আমি খুশী হবনা ? শোন মা ‚ আমার এখন অনেক কাজ | কিছু কেনাকাটাতো আছেই ‚ তারপর নার্সিংহোমে রেজিগনেশন দিতে হবে | জানি ওরা খুবই হার্ট হবে ‚ কিন্তু নিজের কেরিয়ারের কথা ভেবে ‚ এটুকুতো আমাকে করতে হবে | এই তোর যাওয়ার ডেটটা যেন কবে ‚ বললো ক্ষণিকা | এইতো মা ‚ আগামী পরশু| রাত প্রায় বারোটায় ফ্লাইট | ওরাতো টিকিট কনফার্ম করেই পাঠিয়ে দিয়েছে | তবু আমাকে একবার পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে ‚ ভিসাটা এপ্রুভ করিয়ে নিতে | তোর বাবা ফিরলে ‚ খবরটা নিজে মুখেই দিস ‚ খুব খুশী হবে | অফকোর্স ‚ মা | আমি বাবার ষ্ট্রাগলটা জানি | তবু একটু হলেও ‚ আমার এই খবরে একটুতো খুশী হবে | নির্দিষ্ট দিনে ‚ ক্ষণিকাকে নিয়ে ‚ স্যমন্তক গিয়েছিল এয়ারপোর্টে | অমলিনের ফ্লাইটটা ছেড়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে ‚ বাড়ী ফিরেছিল ওরা | তখনতো ওরা সল্ট লেকে থাকত | স্যমন্তক তখন আরজিকরের ডাক্তার | অমলিনকেও ডাক্তার তৈরী করেছিল | পড়াশুনায় ছোট থেকেই ভালো ছিল | আর ক্ষণিকার প্রযত্নে ‚ হয়ে উঠেছিল ‚ স্কুলের সের ছাত্র | এম বি বি এস করেছিল ক্যালকাটা মেডিকেল কলেজ থেকে | আর কার্ডিয়াক সার্জারী নিয়ে এম এসে অবাক করা রেজাল্ট করল অমলিন | পিজি থেকে গোল্ড মেডেলও পেয়েছিল | বেলভিউতে ওরা প্রায় ডেকেই নিয়েছিল ওকে | কিন্তু মাত্র একবছর দুমাস ছিল | তলেতলে আমেরিকাতে এপ্লাই করেছিল ‚ স্যমন্তক জানতওনা | তবে মাকে বলেছিল | ওখানে গিয়ে ফারদার হায়ার এডুকেশনের ইচ্ছেটা ওর বরাবরই ছিল | তার জন্যই এপ্লাই করেছিল | ওরা গুণের কদর করতে জানে | তাই ‚ খুব বেশীদিন অপেক্ষা না করে ‚ একেবারে পাকাপাকি ব্যাবস্থা করে ‚ টিকিটসহ জয়নিং লেটার পাঠিয়ে দিয়েছে | এয়ারপোর্ট থেকে ফেরার পথে এইসব ভাবনায় অন্যমনস্ক হয়েছিল স্যমন্তক | বাড়ীর সামনে ট্যাক্সী থামতে ‚ ধাক্কা দিয়ে হুঁশ ফেরালো ক্ষণিকা ‚ কিগো নামবেনা ? ও ‚ হ্যাঁ এইতো নামছি | নেমে ভাড়া মিটিয়েই বাড়ী ঢুকেই চলে গিয়েছিল ‚ নিজের একান্ত আপন ঘরটিতে | ক্ষণিকা ওকে ডেকে খাইয়ে দিল | নিজে খেয়ে বেডরুমে শুতে গেল ‚ আর স্যমন্তক যখন বিছানায় শুতে গেল ‚ তখন রাত তিন্টে বেজে গেছে | এইভাবেই চলছিল | কিন্তু বিধাতা সে সুখটুকুও কেড়ে নিলেন | কলিগদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ‚ যৎপরোনাস্তি বদনাম রটিয়ে ‚ উপরমহলে লেখালেখি করে ‚ স্যমন্তককে সরিয়ে দিল ‚ প্রত্যন্ত গ্রামে | পাণ্ডব বর্জিত জায়গা গোপালপুরে | তবে ওরা জানতনা ‚ স্যমন্তকের গবেষণা তখন শেষ পর্যায়ে | থিসিস লেখার কাজ চলছে | তাও ‚ অমলিন ‚ প্রথম ছুটিতেই আসার সময় তার বাবার জন্য কম্পিউটার আর প্রিন্টার নিয়ে এসেছিল | স্যমন্তকের যে কত কাজে লাগছে ‚ তা বলার নয় | আর এখনতো থিসিস লেখার জন্যে অপরিহার্য | এই ব্যাপরটা পরম সুহৃদ অরবিন্দ আর প্রিন্সিপাল ‚ ড্ঃ স্যান্যাল ছাড়া আর কেউ জানতনা | জানলে ‚ এতো কষ্ট করে ট্রান্সফারের অর্ডারটা বের করতোনা | সেদিন অর্ডারটা হাতে নিয়ে মাথা নীচু করে বাড়ী ফিরেছিল স্যমন্তক | টেবিলে মাথা নীচু করে বসেছিল অনেকক্ষণ ‚ চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়ছিল | ক্ষণিকা কিছু জিজ্ঞেস না করে ‚ হাত থেকে লেটারটা নিয়ে পড়ে হাঁ হয়ে গেছিল | নিজে একটু চিন্তা করে ‚ স্যমন্তকের পাশে বসে ‚ গায়ে ‚ মাথায় হাত বুলাতে লাগলো | মিনিট দশেক লাগলো ‚ স্যমন্তকের মনকে সামলাতে | তারপর যখন উঠে দাঁড়াল ‚ চোখ একেবাকে লাল | লজ্জায় ‚ নিজের প্রতি বিতৃষ্ঞায় ‚ মুখ একেবারে পাণ্ডুর | ক্ষণিকা ‚ একমুহুর্তের জন্যে দাঁড়িয়ে দেখে ‚ সরে গেল ওখান থেকে | পাঁচ মিনিট পরে ‚ স্যমন্তকের প্রিয় কড়া কফি করে এনে ‚ হাতে ধরিয়ে দিল | স্যমন্তক ক্ষণিকাকেও হাত ধরে পাশে বসালো | কিন্তু ঐ পর্যন্তই | নীরবে কফিটা খেয়ে ‚ কাপটা ক্ষণিকার হাতে ধরিয়ে দিল | এবার ক্ষণিকা মুখের দিকে তাকিয়ে দেখল ‚ লালটা অনেক ফিকে হয়েছে | ঘরে গিয়ে ‚ থিসিস পেপারটা টেনে নিয়ে ‚ পাতা ওল্টাতে লাগল | ক্ষণিকা সরে এল সেখান থেকে | আজ বুধবার | চিঠির বয়ান অনুযায়ী ‚ সামনের সোমবারে জয়নিং | অতএব এই অল্প সময়ের মধ্যে ‚ যথাসম্ভব ‚ গোছগাছ সারতে হবে ........... আজ বিকেল চারটেয় একমাত্র ছেলে অমলিন আর পুত্রবধু সামান্থা বেরিয়ে গেল ‚ একটা ট্যাক্সী নিয়ে | ওদের ফ্লাইট রাত এগারোটা বাহান্নয় | এমিরেটসের বিজনেস ক্লাসের টিকিট ওদের | যাতে আরামে প্রায় চব্বিশ ঘণ্টার পথ পাড়ি দেওয়া যায় | অমলিন তিনবছর আগে থেকেই ইউ এস এর বাসিন্দা ‚ খুব ভালো অফার পেয়ে চলে গিয়েছিল | এপয়েণ্টমেণ্ট লেটারটা হাতে নিয়ে খুসীতে ঝলমল করতে করতে মাকে এসে জড়িয়ে ধরেছিল ‚ অমলিন | মাও খুব খুসী হয়েছিল | যাক ‚ ওর বাবা এত স্ট্রাগল করছে ‚ একটু দাঁড়ানোর জন্যে | নিজের প্রিয় গবেষণার কাজেও পদে পদে বাধা ‚ যার অনেকটাই এসেছে কলিগদের কাছ থেকে | স্যমন্তক নীরবে ‚ হাসিমুখে ‚ সব অপমান হজম করে ‚ দৃঢপ্রতিজ্ঞ হয়ে ‚ নিজের গবেষণার কাজ বন্ধ না করে ‚ হাজারো প্রতিবন্ধতাকে মেনে নিয়ে ‚ এগিয়ে গেছে | হসপিটালের ল্যাবে যাওয়া বন্ধ করে ‚ নিজের ছোট্ট বাড়ীতে একটা ঘর নিজের কাজের জন্য বেছে নিয়েছে | সেই ঘরে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র ‚ একটু একটু করে সংসার খরচ বাঁচিয়ে ক্ষণিকার সহায়তায় সব কিনে নিয়েছিল | একদিন স্যমন্তক বাড়ী ফিরে বলে ‚ দুটো শুয়োর না কিনলে আর চলছেনা | ক্ষণিকা অবাক হয়ে ‚ হাজব্যাণ্ডের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে ‚ মানে ? তুমিকি এবার ঘরে শুয়োর এনে রাখবে নাকি ‚ চারটে গিনিপিগতো আছেই ? আরে বাবা না না ‚ আমিকি পাগল যে বাড়ীতে শুয়োর রাখবো ? আমাদের ওয়ার্ডের ফোর্থ ক্লাস ষ্টাফ ‚ ঐযে সুশীল বলে ছেলেটা ‚ ওদের বস্তীথেকে দুটো শুয়োর ও কিনে দেবে | আর ঐ ওদের দেখভাল করবে | আমি বিকেলে গিয়ে ঘণ্টা দুয়েক ওদের নিয়ে একটু পরীক্ষা ‚ নিরীক্ষা করবো | সুশীলদের ঘরের পিছনে ছোটমত কচুবন আছে ‚ ঐখানে কাদার মধ্যে ও সকালে খানিকক্ষণ চড়াবে | ওখানেই ওরা খাওয়া ‚ পটি সব সেরে নেবে | তারপর ঘরে আটকে রেখে ও হসপিটালে চলে আসবে | সুশীল ছেলেটা আমায় খুব ভালোবাসে | ওকে আমি মাসে কিছু করে দেব বলেছি | ক্ষণিকা হাজার অসুবিধা সহ্য করেও সব মেনে নিয়েছিল ‚ স্যমন্তকের গবেষণা যাতে ব্যাহত না হয় ‚ সেদিকে তাকিয়ে | এর জন্য স্যমন্তকের অজান্তে ‚ নিজের সব গয়না বিক্রি করে ‚ স্যমন্তকের হাতে তুলে দিয়েছে | অমলিন মায়ের এই স্বার্থত্যাগ নিজে চোখে দেখেছে | তখন থেকেই মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেছে ‚ নাঃ এদেশে থেকে ‚ নিজের উজ্জল ভবিষ্যৎ নষ্ট করার কোন মানেই হয়না | উচ্চশিক্ষার্থে তাকে ইউ এস এতে যেতেই হবে | তাই এম এস ফাইনাল ইয়ার থেকেই চেষ্টা চালিয়ে গেছে | তারপর বেলভিউতে চাকরী করার সময়েই অফারটা পেয়ে ‚ আর দুবার ভাবেনি | চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে ‚ টিকিট কেটেছে ‚ বাবা ‚ মায়ের অজান্তেই | তারপর খুসীতে মাকে সব জানিয়েছে | অমলিন চলে যাওয়ার পরে ‚ ক্ষণিকা আরো বেশী করে স্বামীর কাজের সুরাহা করার চেষ্টা করেছে | কোনদিনি সংসারের চিন্তা করতে দেয়নি ‚ ক্ষনিকা | দরকার হলে নিজের জীবন দিয়েও ঐ আধপাগলা লোকটার সাহায্য করবে | স্যমন্তকের গবেষণা এনসেফেলাইটিসের প্রতিষেধক আবিস্কার করা নিয়ে | যেটা নিয়ে সারা পৃথিবী তোলপাড় হচ্ছে | সেই


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ডাঃ স্যমন্তক অমর রহে :- মন্দিরা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now