বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ৫
পরের দিন সকালে -
-এই যে মিস এগারোটা বাজে কত ঘুমাবেন?
-চুপ থাকো তো কত দিন পর একটু নড়ে চড়ে ঘুমাতে পারছি
-কত দিন নয় কত মাস
-ফাজিল কোথায়কার
-পেত্নী
-চুপ।পিচ্চুটা কই
-মা যেমন ছেলেও তেমন ঘুমায়।সব ঘুম পাগল
-হইছে হইছে উঠতেছি।
বাথরুম থেকে বের হবার পর-
-কি এভাবে তাকিয়ে আছো কেনো?
-তুমি যে আগের থেকে কিউট হয়ে গেলা।
-কই চোখে বেশি দেখো
-আরে না সত্য
এমন সময় আকাশের কল আসলো।কল ধরলাম
-বন্ধু খারাপ খবর
-কি খারাপ খবর?
-রাব্বির কবর নেই
-নেই মানে কি?
-পুরা কবর জেনো কেউ তুলে নিয়েছে।
-কিহ।কি বলিস
-রাব্বির লাশের কোনো চিহ্ন নেই
-আমি আসতেছি কবরস্থানে তুই ওখানেই থাক
দ্রুত গেলাম সেখানে।আকাশ দাড়িয়ে ছিলো।
গিয়ে দেখি করবটা বলতে গেলে পুরা মনে হয় নিচ টেনে তুলে নিয়ে গেছে।
-এটা কি হলো রাব্বির সাথে মরেও শান্তি পেলো না।
-তোকে কিছু দেখানোর আছে
-কি?
আকাশ আড়ালে নিয়ে ফোন বের করে একটা ভিডিও অন করলো।
-এটা ওই যে সামনের বাড়িটার সিসি টিভির ক্যামেরার ছবি আমি ডিলিট করে দিছি দারওয়ানকে টাকা দিয়ে।ভিডিওটা দেখ।
ভিডিওতে ভালো করে দেখা যাচ্ছে হঠাৎ কবরের ভিতর থেকে ঠুস করে মাটি ছিড়ে কিছু উপরে আসে।আমার হাত এটা দেখে ফোনটা পড়ে যায়।
-এটা কি দেখলাম
-আমিও বুঝতে পারি নি।ওটা কি ছিলো।
সেখানে অনেক্ষণ ঘুরাঘুরি করে চলে আসলাম।
বাড়িতে রুমে-
-কি হলো হঠাৎ কোথায় গেলা
-রাব্বির লাশ গায়েব হয়ে গেছে
-কিহ?
-হুম।
কয়েক ঘন্টা পর-
পিচ্চুটার সাথে দুষ্টামি করছি তখনে অনিশা এসে বললো-
-নীল আমার কেমন জানি মাথা ঘুরাচ্ছে।একটু আগে বমিও হয়েছে।
-কিহ। বলো....
আমার সামনেই মাথা ঘুরিয়ে পড়তে নেয় ধরে ফেলি।কোলে তুলে খাটে শুয়ালাম।কি হলো হঠাৎ ওর আবার।একটু পর ওর জ্ঞান ফিরলো।
-কি হয়েছে তোমার
-জানি না অনেক মাথা ব্যাথা করছে।
এভাবে চিন্তায় চিন্তায় সন্ধ্যা হলো। বারান্দায় বসে ভাবছি কি হলো আবার অনিশার সাথে।হঠাৎ খেয়াল করি রাস্তা দিয়ে কেউ যাচ্ছে আকাশের মতো লোকটাকে মনে হলো।হঠাৎ কোথায় থেকে কিছু একটা উড়ে ওর ঘাড়ে কামড় বসালো।দ্রুত আমি বাদুর রুপ সেখানে গেলাম।একটা ভ্যাম্পায়ার কে দেখতে পেলাম।কাছে যেতেই সেটা আকাশকে ছেড়ে সামনে তাকালো।
-রাব্বি!!!
ভ্যাম্পায়ারটা সাথে সাথে পালালো।আকাশকে নিয়ে ঘরে আসলাম বেশি রক্ত খেতে পারে নি অল্প খেয়ে।খেয়াল করলাম আকাশ কেমন কেমন করছে।
-এই তোর আবার কি হলো
ধিরে ধিরে আকাশের চোখগুলো লাল হয়ে গেলো। ধিরে ধিরে আকাশ ভ্যাম্পায়ার হয়ে গেলো।নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না আকাশ।ধির গতিতে রান্না ঘরে গিয়ে শক্ত ভারী তক্তা আনলাম।সোজা আকাশ মাথা।ফলাফল অজ্ঞান হয়ে গেলো।
জ্ঞান ফিরার পর আকাশ বললো
-এই সালা মাথায় মাররি কেন
-তোর মনে আছে?
-থাকবো না ভ্যাম্পায়ার হবার পর সব মনে আছে কি কি হইছে
-তার মানে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ ছিলো
-আমি তোর মতো আবাল নই
-আমি ভাবছি ছিলো না
-মাথাটা এখন ব্যাথা করছে।
-তুই রেস্ট নে আমি ওই ভ্যাম্পায়ারটা কি রাব্বি ছিলো কি খুঁজে দেখছি।
বের হলাম।ডানা বের করে আশে পাশে থাকা সব বাদুরকে বললাম খোজ নিতে।আমার কথা অনেক আগ থেকেই বাদুররা শুনে কারণ আমি ভ্যাম্পায়ার কিং।খোজ পেয়েছি আমার বাসা থেকে দশ মিনিট দূরে গাছে বসে আছে।দ্রুত একমিনিটের মাঝে সেখানে গেলাম।গাছে কিছু বসে আছি।দ্রুত দুই সেকেন্ডে গাছে উঠে গেলাম।দেখি পুরা রাব্বির মতো।কাধে হাত দিতেই পিছনে তাকালো আর আমি সোজা এক গুসি। জ্ঞান হারালো সাথে সাথে। তুলে নিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসলাম।আকাশ দেখে বলে
-আমি কি এখনো স্বপ্নে
-আরে নারে এটা রাব্বিই
-মরা রাব্বিটা ভ্যাম্পায়ার হয়ে আসলো কেমনে রে?
-জানি না বের করতে হবে কিভাবে।আর দেখে বুঝা যাচ্ছে রাব্বির নিজের উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
-হঠাৎ উপর থেকে অনিশার চিৎকারের আওয়াজ পেলাম।
গিয়ে যা দেখি আমি অল্পের জন্য স্টোক করতাম।অনিশাও ভ্যাম্পায়ার।ও নিজের অবস্থা দেখে চিল্লাচ্ছে।আজ কি ভ্যাম্পায়ার দিবস নাকি।আর কি করার মেয়েরা চিৎকার শুনার কোনো ইচ্ছা আমার নাই।সোজা গিয়ে.... এই আপনারা কি ভাবে গুসি মারি নাই।সবার ঔষধ একরকম হয় নারে পাগলারা।সোজা গিয়ে একটা কিস করলাম।মুখটা বন্ধ চিৎকারটাও বন্ধ।ধিরে ধিরে ভ্যাম্পায়ার থেকে মারুষ হলো।
-আজ সবাই ভ্যাম্পায়ার হচ্ছে আজ কি ভ্যাম্পায়ার দিসব নাকি/?.....
একদিন আগে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে-
এডউইন অসীম শক্তির অধিকারী হয়ে গেছে।পুরা ভ্যাম্পায়ার রাজ্য তার দখল।এডউইন রাজমহলের উপরে দাড়িয়ে আছে।হঠাৎ ডানায় ডানায় ঘুরিয়ে জোড়ে এক বিস্ফোরণ করে।পুরা ভ্যাস্পায়ার রাজ্যের উপর লাল মেঞ জমে যায়।ধুয়াগুলো ধিরে ধিরে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে মিশে যায়।মৃত সব ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার জীবিত হতে থাকে।সেই ধুয়ার কিছু অংশ পৃথিবীতে গুহা দিয়ে চলে আসে।ধিরে ধিরে শহরে ছড়িয়ে পড়ে।সদ্য মা হওয়া অনিশা।যার দেহে বইছে ভ্যাম্পায়ার কি নীলের ভ্যাম্পায়ার শক্তি।ধুয়াটা শরীরে প্রবেশ করায় সে শক্তি বৃদ্ধি পায়।হয়ে যায় বমি পরে পায় ভ্যাম্পায়ার রুপ।কিছু দিন আগে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারের হাতে শিকার হওয়া রাব্বিও জীবিত হয়ে গেলো ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার হিসেবে।মাটি ছিড়ে উপরে উঠে সে রাতে।কিন্তু নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বন্ধ আকাশকেই মারতে নেই না পারায় সেও ভ্যাম্পায়ার হয়।আসলে আজ ভ্যাম্পায়ার দিবসেই
চলবে.......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now