বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

দা রিটার্ন অফ ভ্যামফায়ার কিং part:4

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ৪ এইদিকে ফরেস্ট অফিসারের রক্ত ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার গুলো করে দিয়েছে শূন্য।নীলের বাবা মা বাকি।রিক অনিশার ঘাড়ে কামড় দিবে এমন সময়।বাতাসের বেগে কোথায় থেকে নীল এসে রিককে গুসি দিলো।রিকের বুকে হাড় ভেঙ্গে পিঠের পিছন দিয়ে নীলের হাত বের হলো। -বলেছিলাম তোকে মরবি। -তুই বেঁচে আছিস.. -তোকে মারতে। নরকের যাত্রাটা অশুভ হোক রিক।আলবিদা। এরপর রিককে দুই ভাগ করে দিলাম।একে একে বাকি ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ারগুলো আসতে লাগলো।সবগুলোকে মেয়ে ফেললাম। আরকি হেপ্পি ইন্ডিং যাহাকে বলে।এরপর বাবা মা, অনিশা জড়িয়ে ধরে শুরু করলো কান্না।সবাইকে সব খুলে বললাম কি কি হয়েছে আমার সাথে।সবার কান্না দেখে কে। -তবে একটা কাজ বাকি ওই লোকটাকে একটা ধন্যবাদ দেওয়া উচিত -তাহলে যাও। বাতাসের বেগে জঙ্গল পার করে ওনার বাড়িতে চলে আসলাম।উনি আমাকে দেখে ভয় পেয়ে বললো- -আমাকে মেরো না দয়া করে -আরে আপনাকে মারবো কেনো আপনাকে তো ধন্যবাদ তিতে এসেছি। এরপর লোকটাকে শুরু থেকে সব খুলে বললাম।(ভ্যাম্পায়ার কিং সিরিজের কথাগুলো) লোকটার ভয় ধিরে ধিরে কেঁটে গেলো।লোকটার সাথে অনেক্ষণ কথা বলে চলে আসলাম।সবাইকে নিয়ে বাড়িতে এখন না আছে কোনো ঝামেলা না আছে চিন্তা।কেঁটে গেলো কয়েকটা মাস।আজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম দুইজন হয়ে আসছি তিন জন হয়ে।বুঝেন নাই কেউ।আমার ছেলে। নামম দিলা নিল্স। নীল থেকে নিল্স নামটা।মিল আছে আশা করি।এই কয় মাসে একবারও ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাই নি।ভুলেই গেছি এলবার্ডের তো একটা ভাইও আছে এডউইন ওর কোন খোঁজ তো পাই নি।পৃথিবীতে সেদিনের পর আর কোনো রক্ত শূন্য দেহ পাওয়া যাই নি।ধরে নিয়েছি সেদিনের ওদের যে মেরেছি হয়ত সেখানে ছিলো।ভ্যাম্পায়ার রজ্যেও আর যাওয়া হয় নি। চার মাস আগে- ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে----এডউইন এটাই সে জায়গা প্রথম যুদ্ধের পর এখানে আমরা ছিলাম।সামনে এগুতেই রাজ মহল পেলাম ব্ল্যাক রাজ মহল।এখানে থাকা উচিত ভ্যাম্পায়ারদের সকল রহস্য।ব্ল্যাক কিতাবটা খুজতে হবে।পেয়েছি ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার কিতাব।প্রতিটা পৃষ্ঠা উল্টাতে লাগলাম সব ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার কাহিণী কোনো কাজের কিছু পাচ্ছি না।খুজতে খুজতে পেয়েছি। রাজ মহলের নিচে আছে ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার অস্ত্র।যে নিজেকে খুন করবে সে অস্ত্র দিয়ে এবং অস্ত্রের শক্তি নিতে পারবে সেই হতে পারবে সবচেয়ে শক্তিশালী ভ্যাম্পায়ার।কিন্তু একটা সমস্যা এই পর্যন্ত যারা চেষ্টা করেছে সবাই মারা গেছে।রাজ মহলের নিচে নামলাম। মাটির নিচে।গভীর এক পথ নিচে নামতে নামতে কয়েকটা রুম পেলাম।বিভিন্ন সময়ের ব্ল্যাক ভ্যাম্পায়ার রাজাদের ছবি।বরাবর কাচের ভিতর একটা অস্ত্র দেখলাম। এটাই সেই অস্ত্র। অস্ত্রটা ধরবো তখনেই একটা কন্ঠ শুনা গেলো। -প্রতিশোধের আগুনন আছে যার মাঝে,যার রক্তে মিশে আছে হিংস্রতা সেই পাবে এই অস্ত্র থেকে পূর্বের রাজাদের শক্তি। -আমার মাঝে প্রতিশোধ,হিংস্রতা সব আছে। ধিরে ধিরে কাচটা সরে গেলো।আমার সামনে পড়ে আছে অস্ত্রটা।অস্ত্রটা সোজে বুকের ভিতর বসালাম।মনে হলো ভিতর থেকে সবকিছু পুড়ে যাচ্ছে।চিৎকার দিতে লাগলাম।ধিরে ধিরে ব্যাথাটা কমতে লাগলো।অস্ত্রটার চার পাশ থেকে লাল রক্তের মতো কিছু পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়লো।জোড়ে এক বিস্ফোরণ হলো।আমি পেরেছি।আগের থেকে একশত গুণ শক্তিশালী হয়ে গেছি।ডানা দুটো পিছনে,মাথায় ঘুরানো শিং,বুকের মাঝখানে কাটা কাটা মতো লাল আলো। আর পুরো শরীর আর আগের মতো নেই অন্য রকম হয়ে গেছে।একলাফে রাজ মহলের সব দেওয়াল ভেঙ্গে নিচ থেকে উপরে উঠে গেছে যেমন গতি তেমন শক্তি।সোজা ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে গিয়া রাজ্যটা দখল করে নিলাম।তোমার অপেক্ষায় আছি নীল ভ্যাম্পায়ার কিং বর্তমানে- অনিশা আর আমার পিচ্চুটাকে নিয়ে বাড়িতে আসলাম।ভাবছি কাল ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে যাবো। -ওয়েলকাম বেক মহারাণী। -হুম কচু।এতো মাস তোমার কারণে কষ্ট করতে হলো। -তো কি কষ্টের ফল হিসেবে পিচ্চুটাকে তো পেয়েছো। -হুম।কত সুন্দর করে ঘুমিয়ে আছে তোমার কোলে। -হুম।বাবাকে বেশি পছন্দ করে বুঝলা। বলার সাথে সাথে পিচ্চুটা দিলো কেঁদে।কেমনটা যে লাগে।টেনে নিয়ে নিলো অনিশা।সাথে কান্নাও থেকে। ইজ্জতটা গেলো আমার।ধুর পিচ্চু কাজ ঠিক করলা না চলবে.......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ দা রিটার্ন অফ ভ্যামফায়ার কিং part:4

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now