বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-তুমি বুঝি খুঁজছিলে আমাকে অনেকক্ষণ? আমি তো তোমাকে খুঁজেই পাচ্ছিলাম না।
-নাহ, এই এই তো...এইমাত্র এলাম। দাঁড়িয়ে দেখছিলাম-এটা কীভাবে বলি আপনারাই বলুন। কিছু কিছু মিথ্যে সত্যের মত করে বলতে হয় নইলে উপায় নাই। টুকটাক কুশল বিনিময়ের ফাঁকে অপ্টিসিয়ানের কাছে যাচ্ছিলাম। বেশ বুঝতে পাচ্ছিলাম আগের মত স্বচ্ছন্দ আর নেই সে। কেমন আড়ষ্ট হাঁটছে। কিন্তু কেন? আমার উপস্থিতি...তবে কী?
-তুমি আগের মতই আছো দেখছি! হুটহাট ভাবনায় ডুবে যাও; একটা এক্সিডেন্ট যে এতদিনে করে বস নি এটাই আশ্চর্য!
-তা, এক্সিডেন্ট করলেই কী আর না করলেই কী? কেইবা ভাবছে বলো? এ দুনিয়াতে তো আমার বলার মত কেউ নেই!
-সে কী! কেউ জুটেনি এতদিনে?
-এখন তো মনে হচ্ছে এক্সিডেন্টে কাঁদবার জন্য হলেও একজন থাকলে মন্দ হতো না...হা হা হা।
মেয়েটিও হাসছে। এত সুন্দর লাজুক হাসি! হঠাৎ বড় শূন্য শূন্য লাগতে থাকলো। বুকের ভেতরে একটা চিনচিনে ব্যথা। সেটা এই হঠাৎ প্রাপ্তিতে নাকি বহুকালের অপ্রাপ্তিতে-ঠিক ঠাহর করতে পারলাম না। এখন আপনারাই বলেন ঐ যে আপনারা কী যেন একটা বলাবলি করছিলেন সেটাই আমাকে পেয়ে বসেছিল কিনা?
চেংড়া অপ্টিসিয়ানটি সময় নিয়ে (একটু বেশিই হবে, আপনারাই বলুন, সহ্য হয়?) ছোটখাট সার্কাস দেখিয়ে একটা প্রেসকৃপশান ধরিয়ে দিল। দেখলাম এমন কিছু নয়; সেও হাঁপ ছেড়ে বাঁচল। এখন ফ্রেম দেখার পালা।
-এত সুন্দর চোখ তোমার...সেগুলি কিনা এই হতচ্ছাড়াগুলি (চশমা) দু’হাত দিয়ে সারাক্ষণ আগলে রাখবে! উহ! ভাবতে পারছি না!
বুঝলেন আপনারা, জানি না কী ছিল এই কথায়...মেইজিন এতো মজা পেয়ে হাসতে থাকলো যে আশে পাশের কয়েকটা ছোকড়া ট্রেইনি এসে অযথা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলো। কীভাবে তারা সাহায্য করে ওকে ধন্য করবে তাই বলে কান ঝালাপালা করে ফেললে। এমন কটমট করে চাইলাম যার মানে করলে দাঁড়ায়ঃ ‘ ভালো চাস তো কেটে পড় উজবুকের দল’। কীভাবে আমি এই কাজটি করতে পারলাম, সেটা আপনারাই বের করুন।
-তোমার চোখও তো সুন্দর! তবে সেগুলি কেন লুকিয়ে রাখো? (মিটিমিটি হাসি)
-আহেম, ইয়ে...সেটাও দেখতে পেয়েছো? আশ্চর্য! আনন্দদায়ক কিন্তু অপ্রস্তুত ভাবটা লুকোতে মেয়েদের একখানা ফ্রেমের উপর ঝাপিয়ে পড়লাম। ফ্রেমটা পরিয়ে দিতে গিয়ে ওর পুরো মুখটা আমার দু’হাতের মধ্যে হঠাত বন্দী হয়ে জমে গেলো। একটা বারংবার না বলা অচেনা আলো গভীর কিছু উপলব্ধিকে সহসা আলোকিত করে দিয়ে বিস্ময়ে যেন থির হয়ে আছে! আর আমি আবার হারালাম। স্থান-কাল-পাত্র ভুলে গভীরতম ভাষায় প্রাচীনতম বেদনার কথা নিমিষে কোন ফাঁকে জানিয়ে দিলাম, বলতে পারি না।
-উড ইয়্যু লাইক টু গেট দ্যট ফ(র) ইয়্যর গার্লফ্রেন্ড, স্যর? আয় ক্যান টেল ইয়্যু ইট’ড বি আ পারফেক্ট ওয়ান ফ(র) হা(র)। সাথে গা-জ্বালানো একটা হাসি ফ্রী।
সম্বিৎ ফিরে পেয়ে দ্রুত হাত সরিয়ে নিয়ে, খানিকটা কেশে বললাম, ‘আমরা বন্ধু মাত্র, অন্য কিছু নয়’
-ইয়াহ, উই ক্যান সী দ্যট ভেরি ওয়েল।
ফাজিল কোথাকার! তাড়াতাড়ি দাম মিটিয়ে দিলাম। ও অনেক আপত্তি করল, কিন্তু অনেক করে বুঝিয়ে রাজী করালাম...উপহার দেয়ার কথা বললাম। ভাবলাম,
“How a silly thing like this
can cry out
my long cherished longing?
I do, I do, I do...
love you for anything;
whatever be the price,
in this dear old world, you and I see.”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now