বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছত্রিশগড়ের ভাঙা গড়—৬

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X "ছত্রিশগড়ের ভাঙা গড়" মানবেন্দ্র পাল --------------------- (পর্ব ৬) ▪▪▪​স্মিথের ডায়েরি▪▪▪ তুলোট কাগজের ওপর হাতে লেখা পাণ্ডুলিপিটি পড়তে আমার মাত্র এক ঘন্টা পনেরো মিনিট লাগল। অবশ্য আমাকে খুব সাবধানে পড়তে হয়েছিল, যাতে পুরনো কাগজ মুড়মুড় করে ভেঙে না যায়। বেশ কয়েকটি পাতায় লেখা অস্পষ্ট হয়ে গেছিল৷ অনেক জায়গায় আবার পোকায় কেটে দেওয়ার লেখা পরিষ্কার পড়াও যাচ্ছিল না। একটা জিনিস বুঝতে পারছিলাম, স্মিথ সাহেব শুয়ে বসে আরাম করে চা চুরুট খেতে খেতে বই লেখেননি ৷ রুদ্ধশ্বাস বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে যা যা রোমাঞ্চকর ঘটনা স্বচক্ষে দেখেছিলেন শুধু সেগুলোই নোট করেছিলেন ৷ এমনও হয়েছে কোনো কোনো লাইন শেষ করতে পারেননি ৷ ফলে বক্তব্য পরিষ্কার হয়নি। আরও একটা ব্যাপার-কোন সময়ে ঘটনা ঘটছে সেই সাল তারিখের কোনো উল্লেখ নেই। নেই কোনো রাজার নাম। এমনকি যে যুবরাজকে হত্যা করা হল তার নামেরও কোনো উল্লেখ নেই। কাজেই এরকম ডায়েরির কোনো ঐতিহাসিক মূল্যই নেই। এর মধ্যে শুধু আছে একটা দুর্গা পাহাড়ের ওপর কালো রঙের বিরটি একটা দুর্গের কথা-যে দুর্গের মধ্যে প্রাণভয়ে গোপনে আশ্রয় নিয়েছিলেন ছেদী রাজবংশের যুবরাজ ৷ যুবরাজ যাতে সিংহাসনে বসতে না পারেন তার জন্যেই ছেদী বংশের অন্য শরিকরা তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন ৷ যুবরাজ যে শেষ পর্যন্ত পাহাড়ের ওপর পাথরের ঐ পরিত্যক্ত ভাঙা দুর্গে ঢুকে লুকিয়ে থাকবেন এটা কেউ ভাবতে পারেনি। ভাবতে পেয়েছিলেন শুধু মিস্টার স্মিথ ৷ নিতান্ত অপ্রত্যাশিত ভাবে যুবরাজের সঙ্গে কোনো শুভ মুহূর্তে তাঁর বন্ধুত্ব হয়েছিল। সে বিবরণটাও তিনি ডায়েরিতে লিখে গেছেন৷ তবে তা খুব সংক্ষেপে, একটা কাহিনির খসড়া হিসেবে। কাহিনিটি এইরকম.... ইংরেজরা তখন ভারতবর্ষে একচেটিয়া ব্যবসা চালাবার জন্যে দেশ জুড়ে কূঠি স্থাপনের নেশায় যেতে উঠেছে। ১৬১১ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ গোলকূন্ডা রাজ্যের অন্তর্গত মুসুলিপটম বন্দরে কুঠি স্থাপন করেন৷ কয়েক বছর পরে তারা পুলিকটের উত্তরে আর্সার্গাও এ কূঠি নির্মাণ করে৷ ১৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে বিজয়নগয়ের অন্যতম উত্তরাধিকারী চন্দ্রগিরির রাজার কাছ থেকে জমি নিয়ে ইংরেজরা বর্তমান মাদ্রাজ শহরে ‘Fort St. George’ নামে নতুন বাণিজ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে ৷ এইরকম সময়ে স্মিথ কয়েকজন ইংরেজ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মধ্যপ্রদ্যেশর নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান ৷ উদ্দেশ্য কোন জায়গায় কোন কৃষিজাত দ্রব্য নিয়ে ব্যবসা করলে প্রচুর টাকা উপার্জন হতে পারে তার খোজােখবর নেওয়৷৷ একাকী এক ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যাবার সময়ে একটা বিষধর সাপ স্মিথকে তাড়া করে৷ স্মিথ তাড়াতাড়ি গাছে উঠে পরে। স্মিথ যদি একবার চিৎকার করে উঠত তাহলে তার দূর্ভাগ্য এত দূর গড়াত না। কিন্তু সামান্য সাপের তাড়া খেয়ে একজন ইংরেজ যুবক ভয়ে চেচিয়ে উঠবে স্মিথ তা ভাবতেই পারে নি। ফলে অনেকক্ষণ পরে সাপটা চোখের আড়ালে চলে গেলে স্মিথ যখন গাছ থেকে নেমে এলেন তখন তার সঙ্গীরা অনেক দূর চলে গেছেন ৷ স্মিথ যে সঙ্গে নেই তা সঙ্গীরা খেয়াল করেননি ৷ গভীর অরণ্যমধ্যে পরস্পরের কাছ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন। বিপদের ওপর বিপদ, পথ হারিয়ে স্মিথ যখন উদভ্রান্তের মতো জঙ্গলের পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তখন হঠাৎ তিনি একলে দেশীয় শিকারীর খপ্পরে পড়লেন। সেই অরণ্যচারী পাহাড়ী শিকারিরা এরকম কটা চুল, নীলচে চোখ, সাদা চামড়ার মানুষ এর আগে কখনও দেখেনি। ওরা ওঁকে বন্দি করে বেঁধে নিয়ে এল রাজবাড়িতে। ম্মিথের সুন্দর চেহারা দেখে রাজবাড়ির লোকেরা তার ওপর অত্যাচার না করে আলাদা একটা ঘরে রেখে দিল। তাদের কাছ থেকে বেশ আদরযত্ন পেলেন স্মিথ ৷ তবে চিড়িয়াখানায় নতুন কোনো জন্তু এলে লোকে যেমন খাচার বাইরে থেকে অবাক হয়ে দেখে, রাজবাড়ির লোকেরাও বিদেশি স্মিথকে তেমনিভাবে জাল ঘেরা ঘরের বাইরে থেকে দেখতে লাগল ৷ এই রাজবাড়ির যুবরাজ (স্মিথ তার ডায়েরিতে নাম দেননি) ছিলেন একটু অন্য ধরনের মানুষ৷ ভূগোল, ইতিহাস সম্ভবমতাে পড়ে তিনি বিদেশের খবর কিছু কিছু রাখতেন। একমাত্র তিনিই ঘরের মধ্যে ঢুকে স্মিথের সঙ্গে আকারে ইঙ্গিতে কথা বললেন৷ এইভাবে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। ( এরপর অনকগুলো পাতা নেই) এই যুবরাজ যখন বুঝলেন স্মিথ শত্রু নন, তখন তিনিই দরজার আগল খুলে দিলেন ৷ ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেন স্মিথ এখন থেকে রাজবাড়ির বাইরেও ইচ্ছেমতাে ঘুরে বেড়াতে পারেন। খোঁজ করতে পারেন তার অন্য সঙ্গীদের৷ যদি তাদের দেখা পান তা হলে তাদের সঙ্গে চলে যেতে পারেন! যদি দেখা না হয় রাজবাড়িতেই স্বচ্ছন্দে ফিরে আসতে পারেন। সেই মতো স্মিথ সারা দিন দুরে দুরে জঙ্গলে ঘুরতেন। ঘুরতে ঘুরতে একদিন তিনি অদ্ভূত গড় বা দুর্গ দেখতে পেলেন। একটা পাহাড়ের ওপর কেল্লাটা৷ পাহাড়টা ছোটো হলেও জঙ্গলে ঢাকা৷ একদিন তাড়াতাড়ি দুপুরের খাওয়া সেরে… একটা ঝকঝকে ফলা বসানো বর্শা হাতে স্মিথ সেই পাহাড়ের নীচে এসে দাড়ালেন। সেই যে সেদিন তাকে সাপে তাড়া করেছিল, সেই থেকে তার সাপে খুব ভয়। বর্শার ফলা দিয়ে ঝোপ-জঙ্গল পরিষ্কার করতে করতে তিনি কোনো রকমে পাহাড়ে উঠে গড়ের সিংহদ্বারের সামনে এসে দাড়ালেন৷ নামেই ‘সিংহদ্বার’। সত্যিই একটা পাথরে তৈরি বিরাট সিংহদ্বার ছিল ৷ কিন্তু আজ তার ভগ্নদশা। শুধু সিংহদ্বারটাই নয়-সেই বিশাল প্রাসাদপুরীর একদিকটা একেবারে কে যেন ভেঙে ফেলে দিয়েছে৷ কেন ? ডায়েরির এক জায়গায় যা লেখা বাংলায় অনুবাদ করে পাঠকদের উদ্দেশে তা লিপিবদ্ধ করি… '……..আমি যখন সিংহদ্বার পেরিয়ে প্ৰাসাদের ভেতরে প্রবেশ করলাম তখন কেন যেন আমার সমস্ত শরীরের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুত তরঙ্গ খেলে গেল। অজনা ভয়ে আমার গা শিউরে উঠল৷ অথচ তখনও পর্যন্ত একমাত্র সাপের ভয় ছাড়া অন্য কােন ভয়ের মুখোমুখি হইনি। প্রাসাদের ঘরগুলি অত্যন্ত ঠান্ডা ছিল। আমার মনে হচ্ছিল হিমশীতল পরিবেশ ছাড়া অস্বাভাবিক নিস্তব্ধতাই আমার বুকের ধুকপুকানি বাড়িয়ে দিচ্ছিল৷ আমার এও মনে হচ্ছিল এমন নিস্তব্ধতা বুঝি পৃথিবীর আর কোনো জায়গায় নেই। আর এইরকম অন্ধকার নিস্তব্ধ জায়গাতেই মানুষকে নিশ্চিন্তে গোপনে হত্যা করা সহজ হয়৷ প্রাসাদের ভগ্ন অংশটা বারবার দেখে আমি স্থিরনিশ্চয় হলাম যে, এই অংশটি কোনো এক সময়ে তােপ দেগে ভাঙা হয়েছে৷ আর এর কারণ-বহু দিন থেকে চলে আসা জনশ্রুতি। এই প্রাসাদের কোনো অংশে রাজঐশ্বর্য লুকানাে আছে। আর এই রকম রাজঐশ্বর্য যেখানেই গোপনে সঞ্চিত থাকে সেখানেই তার এক মহাশক্তিধর রক্ষকও নিযুক্ত থাকে৷ এ বিশ্বাস ভারতেও প্রচলিত আছে৷ এই ডায়েরি যখন থেকে আমি লিখছি, তখন থেকে কোনো একদিনের জন্যেও সেই রক্ষককে আমি চাক্ষুষ দেখতে পাইনি৷ সেটা বড়ো আশ্চর্য লাগে। আরও কথা এই যে…’ এরপর ডায়েরির কিছু অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তারপর যে অংশ শুরু হয়েছে তাতে স্মিথ সাহেব দেখেছেন -রাজপ্রাসাদে যুবরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র দানা বেঁধে উঠেছে৷ আর স্মিথ যথাসম্ভব নিজেকে গোপন রেখে যুবরাজকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছিন৷ কদিন পর রাজপ্রাসাদের মধ্যেই বিপক্ষ দলের সঙ্গে দলের যুদ্ধ বেধে গেল৷ যুদ্ধে পরাজিত যুবরাজ কােনােরকেম প্রাণ হাতে করে রাজপ্রাসাদ ছাড়লেন। সঙ্গে কিন্তু বন্ধুর মতো রইলেন একটি মাত্র মানুষ -স্মিথ। স্মিথ রাতের অন্ধকারে যুবরাজের হাত ধরে ভয়াবহ অরন্য অতিক্রম করে তাকে এনে তুললেন। পাহাড়ের ওপরের সেই পাথরের ভাঙা দুর্গে৷ যুবরাজকে বোঝালেন এই পরিত্যক্ত জায়গায় জনমানব ঢোকে না৷ তোমার পক্ষে এইটেই একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়। আমি রোজ একবার করে এখানে লুকিয়ে আসব। তোমার খাবার দিয়ে যাব। একা হলেও ভয় পেও না৷ এখানে অন্তত একজন প্রচণ্ড শক্তিধর রক্ষক আছে বলে আমি বিশ্বাস করি যে গুপ্ত রাজঐশ্বর্য পাহারা দেয়৷ তাকে চোখে দেখা যায় না৷ কিন্তু যে আছে ৷ বিপদে তার কাছে আত্মসমর্পণ কোরাে৷ যুবরাজ একটি কথাও বলেননি৷ তিনি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলেন৷ মাটিতেই একটা চাদর পেতে যুবরাজ শুয়ে থাকেন। তৃতীয় দিন স্মিথ যুবরাজের সঙ্গে দেখা করতে এসে থমকে গেলেন ৷ দেখলেন যুবরাজের মুখে কেউ যেন কালি ঢেলে দিয়েছে৷ তিনি জানতে চাইলেন যুবরাজ কি অসুস্থ? তার উত্তরে যুবরাজ সভয়ে জানালেন যে গত রাতে তিনি যখন ঘুমোচ্ছিলেন তখন তার গায়ে কয়েক ফোটা রক্ত ওপর থেকে পড়ে। তাজা রক্ত। রক্ত কোথা থেকে এল সকালে উঠেও তার তল্লাশ করতে পারেননি ৷ তবে পাথরের দেওয়ালে স্মিথ নিজের চোখে অনেকগুলো রক্তমাখা হাতের ছাপ দেখেছে যা আগে কোনদিন দেখেননি৷ স্মিথ স্তস্তিত হয়ে গেলেন। রক্তের ফোটা কেমন করে পড়ল পাথরের ছাদ থেকে? পাথরের দেওয়ালে রক্তমাখা অতবড়াে হাতের ছাপই বা কার? এবার স্মিথকে যুবরাজ ছাড়লেন না৷ তার কাছে কাছেই থাকতে অনুরোধ করলেন। স্মিথ থেকে গেলেন। সারা দিন প্রাসাদের ছাদ, প্রত্যেকটি ঘর, অলিগলি ভালো করে পরীক্ষা করে দেখলেন। কিন্তু কোনো মানুষের অস্তিত্ব খুঁজে পেলেন না। তাঁর ধারণা ছিল এই প্রাসাদে নিশ্চয় ণ্ডপ্তধন আছে। আর তা পাহারা দেবার জন্যে মহাশক্তিসম্পন্ন কোনো অশরীরী আত্মা নিযুক্ত আছে। আজ এই রক্ত দেখে সেই ধারণা বদ্ধমূল হল। এমনকি যুবরাজের ঘরে রক্তমাখা হাতের ছাপ দেখে তার এমনও মনে হল কোনাে অশুভ ঘটনা খুব তাড়াতাড়ি ঘটতে চলেছে ৷ ঘটনাটা ঘটল সেই রাত্তিরেই৷ হঠাৎ অন্ধকার অরণ্যের বুক বিদীর্ণ করে জ্বলে উঠল কয়েকশো মশাল৷ শত্রুপক্ষ হন্যে হয়ে কদিন ধরে খুঁজে রেড়াচ্ছিল যুবরাজকে৷ তারপরে কী করে যেন ওরা খোঁজ পেল যুবরাজের। তারপরেই ঘটনাটা ঘটে পেল স্মিথের সামনেই৷ এক মূহুর্ত সময় নষ্ট না করে আত্মরক্ষার জন্যে অন্ধকারে গা ঢাকা দিলেন স্মিথ। -ডায়েরি প্রায় এখানেই শেষ। তার পরে যেটুকু আছে তার বেশির ভাগ জায়গাই পােকায় কাটা। তবু তা থেকে যেটুকু উদ্ধার করা সম্ভব হল তা এইরকম.... স্মিথ লিখছেন, যদিও আমি রাজৰাড়ির লোকেদের দৃষ্টি এড়িয়ে সেই রাতে অনেক দুরে পালিয়ে এসেছিলাম, এবং পরে একটি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছিলাম, তবুও মাঝে মাঝে গভীর রাতে পাহাড়ের ওপর সেই গড়ে যেতাম। কী যে এক অসাধারণ শক্তি আমাকে তীব্র ভাবে আকর্ষণ করত তা লিখে বোঝানো যাবে না৷ গভীর রাতে সেই কালো পাথরে তৈরি প্রাসাদের সিংহদ্বার অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকতেই দেখতে পেতাম একটা অস্পষ্ট ছায়ামুর্তি সিঁড়ির মাথায় দাঁড়িয়ে আছে৷ কে সে আমি আজও জানি না৷ সে কি যুবরাজের প্রেতাত্মা, না গুপ্ত রাজভাণ্ডারের একমাত্র বিশ্বস্তু প্রহরী? ভয়ে আমার হাত পা হিম হয়ে যায়৷ তাড়াতাড়ি পালিয়ে আমি! কিন্তু.. কিন্তু দুদিন পর আবার যাই। আবার তার দেখা পাই… আর লিখতে পারি না l মনে হয় ঐখানেই একদিন আমার মৃত্যু হবে। কারণ ঐ তীব্র আকর্ষণ মৃত্যুর হাতছানি ছাড়া আর কিছু নয় ....। (ক্রমশ) ---------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছত্রিশগড়ের ভাঙা গড়—৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now