বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছেড়ে যাবি নাতো।।।।।।।।।
--হাত টা ধরি একটু....?
--না।
-পিলিজ.....
--বললাম না না।
-কেন?
--বিয়ের আগে কিছু না।
-ও তাই?
--হ্যা তাই।
-দেখ সবাই কত কাছাকাছি বসে আছে আর
তুমি এমন
ভাবে বসে আছ যেন মধ্যে খানে আমার শ্বশুড়
আব্বা বসবে।
--হয়েছে ফাজলামি রাখত।সন্ধ্যা হয়ে এল চল
বাড়ি চল।নয়ত বাবা আবার বকবে।
-বাড়ি মানে?তোমাদের বাড়ি?
--আরে না যার যার বাড়ি।
-আচ্ছা চল।মহারানী যখন
বাড়ি যাবে প্রজা তো আর
ধরে রাখতে পারে না।
চল।
--কি বললা তুমি প্রজা?প্রজা কেন হবা?
তুমি মহারানীর মহারাজা হবা।আর তোমার
যা নাদুস-নুদুস শরীর আর নাদুস-নুদুস নাম
পিয়াস
তোমার নামের সাথে প্রজা শব্দটা যায়না।
বুঝেছ
মিস্টার?
-জ্বী বুঝেছি ম্যাডাম।হায় হায়....দেখছ
কথা বলতে তোমার বাড়ির
সামনে চলে এসেছি।
তাড়িতাড়ি যাও তোমার
বাবা দেখে নিলে তো জীবন
নিয়ে টানাটানি পরে যাবে।
--আচ্ছা যাও তাহলে।
দুজনের কথা শেষ না হতেই নীলার বাবার ডাক
শুনতে পেল দুজনেই।
নীলার বাবা-কে রে নীলা কার
সাথে কথা বলিস?
নীলার বাবা কে দেখে পিয়াস ফকিরের গলায়
কথা বলতে শুরু করে।পিয়াস-
আফা দুইটা টাহা দেন,আল্লাই আপনার
ভালা করব।
-কারো সাথে না বাবা এইতো একটা ফকির
ভিক্ষা চাইছিল।
--ও আচ্ছা।তাড়াতাড়ি চলে আই ভিক্ষা দিয়ে।
নীলা ঘুরে দেখে পিয়াস ল্যাংড়া ফকিরের মত
করে হাটতে হাটতে অনেক দূর চলে গেছে।একটু
মুচকি হেসে বাসায় চলে যায় নীলা।আর
যাওয়ার
সময় বলে যায় "পাগল একটা"।
দুরে চলে গেলেও পিয়াস শুনতে পায় তার
নীলা তাকে পাগল বলেছে।আর পাগল বলার সময়
গালে সুন্দর একটা টোল পরেছে।
মাঝে টোল দুইটি ছুয়ে দিতে ইচ্ছে করে।কিন্তু
না।
যখন তাদের সম্পর্কটা শুরু হয় তখন এমনটায়
কথা হয়েছিল বিয়ের আগে কেউ কাউকে স্পর্শ
করবে না।
দুই বছরের সম্পর্ক কেউ কাউকে স্পর্শ
করেনি।
নিয়ম অনুযায়ী রাত বারটা।
নীলার ফোনে পিয়াসের কল।
-এটা কি ফায়ার ব্রিগেড?
--জ্বী না।এটা চিড়িয়াখানা।
-ও আচ্ছা।চিড়িয়াখানার বাদরনীর
সাথে কি একটু
কথা বলা যাবে?
--এই এই কি বললা?আমি বাদঁরনী?
তুমি তাহলে কি?
-আমি আবার কি... আমি বাদঁর।তোমার বাদঁর।
--আচ্ছা এত সুন্দর অভিনয় কিভাবে কর?
-কেন কি হয়েছে?
--কি হয়েছে মানে?সন্ধ্যায়
বাবা তোমাকে একটুও
চিনতে পারেনি।মনে করেছিল
সত্যি ফকির...হা..হা.. হা
-
--কি হল কথা বলছ না যে?
-শুনছি তোমার হাসি।এত সুন্দর
করে কিভাবে হাসো?
--তুমি যে ভাবে এত সুন্দর করে হাসাও
আমি সেভাবেই হাসি।
এই শুনছ বাড়িতে বিয়ের কথা বলছে।পাত্র
দেখাও
নাকি শুরু করে দিয়েছে।আজীবনের জন্য আমার
ধরতে কখন আসবা।
-তাড়াতাড়ি আসব।কালকে একটা ইন্টারভিউ
আছে।চাকুরী টা হয়ে গেলেই
তো চলে যাব তোমার বাবার কাছে।
--আচ্ছা তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমাও কালকে আবার
সকাল সকাল উঠতে হবে।তুমি তো আবার সকাল
সকাল উঠতে পার না।
-তুমি উঠিয়ে দিবা।আচ্ছা?
--আচ্ছা উঠিয়ে দিব এখন ঘুমাও।
-Ok good night
--শুভরাত্রি।
নীলার চিন্তা হচ্ছে।পিয়াসের
কি চাকরি টা হয়নি? দুইদিন থেকে ওর ফোন
বন্ধ।
ভাবনায় ছেদ পরল মায়ের ডাকে।
--নীলা মা একটু নিচে আই তো।
নীলা নিচে নেমে দেখে পিয়াস আর তার বাবা-
মা বসে আছে।পিয়াস মুচকি মুচকি হাসছে।
কারন
তাদের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।
10.01.2014
দুজনে বিছানায় বসে আছে।দুজনেই নিঃশ্চুপ
নীলা-এই তুমি এত ঘামছ কেন?
পিয়াস--না মানে প্রথম বিয়েত তাই একটু ভয়
লাগছে।
-প্রথম বিয়ে মানে?আরো করার
চিন্তা ভাবনা আছে নাকি?থাকলে ভূলে যাও।
--হাত টা একটু ধরি?
-না
--পিলিজ....এখন তো আমরা স্বামী-স্ত্রী
-আচ্ছা ধর।আজীবন ছাড়বা না কিন্তু।
তারপর.....
তারপরের মুহুর্ত টুকু একান্তই আমাদের
তোমাদের
জেনে লাভ নেই
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now