বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছায়া ৫

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান selfiAan Razon (০ পয়েন্ট)

X সাধন আচার্য্য খইনি চিবুতে ভুলে গেছেন যেন। চোখ বুজে ধ্যানস্থ হয়ে আছেন। জানালা দিয়ে রোদ পড়েছে চৌকো মুখের ওপর। মসৃণ টাক চকচকে দেখায়। কপালের বাঁ পাশেকালো রঙের জন্মদাগ। মাঝখানে একটি আঁচিল। হঠাৎ চোখ খুলে বৃদ্ধ বললেন, হ্যাঁ, মা। বাস দূর্ঘটনায় আঘাত ওর মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট ছিল না। আবার আগের মতন বেঁচে থাকাও সম্ভব ছিল না। তান্ত্রিক গূহ্যশাস্ত্র অনুযায়ী এমন অবস্থায় মানুষ যথার্থ লোকে যেতে পারে না,কায়া তখন ছায়ায় রুপান্তরিত হয়। হাসান এখন ছায়া হয়ে রয়েছে। এই ছায়াজীবন খুব কঠিন মা। খুব যন্ত্রণা পাচ্ছে ছেলেটা। বলতে বলতে বৃদ্ধের মুখ কুঁকড়ে গেল । কপালে ভাঁজ পড়ল। বৃদ্ধ হাসানকে ভীষণ ভালোবাসতেন। ওই দেখ। সাধন আচার্য্য হাত তুলে বললেন। নিগার চট করে ডান পাশে ফিরে তাকায়। পর্দার ওপাশে কী যেন সরে যায় । দ্রুত। কালো মতন। নিগারের শরীর ঝনঝন করে বেজে ওঠে। কী ওটা? বৃদ্ধ কিছু বলার আগেই টুং টাং ডোরবেল বাজল। নিগার চমকে ওঠে। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে কেমন ঘোরের মধ্যে দরজার কাছে চলে আসে। বুক ভীষণ ধড়ফর করছে। দরজা খুলে দেখল রাবেয়া, হাতে স্কুলের ব্যাগ আর পানির বোতল। কিন্তু, পূর্ণি কই? নিগারে বুক ধক করে উঠল। মুখ থেকে ছিটকে বেরিয়ে এল, কি রে! পূর্ণি কই? রাবেয়া হাসে। ঠিক তখনই পিছনে পূর্ণি বেরিয়ে আসে, স্কুল ড্রেস পরা, হাসছে। রোদে ঘেমে গেছে। ছোট ফর্সা মুখ লাল হয়ে আছে। অন্য সময় হলে মেয়েকে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখে। আজ আর আদর করতে ইচ্ছে করছিল না। নিগার বলল, যাও মা, এখন গোছল করে নাও। পূর্ণি একবার সাধন আচার্য্যর দিকে তাকিয়ে চলে যায়। মনে হল না বৃদ্ধকে দেখে খুশি হয়েছে। বৃদ্ধও যেন পূর্ণি কে দেখে চমকে উঠলেন। নিগারের একবার মনে হল যে পূর্ণিকে বলে, সালাম দাও। তোমার মনে নেই? দাদু। কী মনে করে সামলে নিল। তার বদলে রাবেয়া কে বলল, পূর্ণির গোছল শেষ হলে ওকে ফ্রিজ থেকে স্যুপ বের করে গরম করে খেতে দিবি। আইচ্ছা। বলে রাবেয়া চলে যাবে। নিগার আবার বলল, শোন, এখন ডিপ থেকে রুইমাছ করে ভিজিয়ে রাখ। দুপুরে মেহমান খাবে । রাবেয়া চলে যায়। নিগার সোফায় এসে বসল। ওর মোবাইলটা পাশে পড়ে আছে, সোফারওপর। পরিচিত নকিয়ার রিং টোন বেজে উঠল। নিগার মোবাইল তুলে নিয়ে বলল, হ্যালো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আঁখি ও অদৃশ্য ছায়া
→ নিজের ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ
→ ছায়ার পথে সতর্কতার আলো
→ ছায়ার ভেতর জ্বলে ওঠা আগুন
→ আধ্যাত্মিক সুখ : অদৃশ্য ব্যথার আলো-ছায়ার যাত্রা
→ বিষবৃক্ষের ছায়ায়
→ অসীম রহমতের ছায়ায়
→ দোষের কাঁধে সমাজের ছায়া
→ দানবের ছায়া
→ মুডের ছায়ায়
→ ছায়াশহর—০৬
→ ছায়া
→ কর্মের প্রতিচ্ছায়া
→ সময়ের ছায়া
→ শ্যামল ছায়া

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now